রিক’শা চালকের দুই ছেলে বি’সিএস এক ছেলের এ’মবিবিএস।

রিকশা চালিয়ে অর্থ উ’পার্জন করে তিন ছেলেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আব্দুল খালেক শেখ (৮১)। গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের কাঁঠাল গ্রামে হলেও স্বা’ধীনতার পর থেকে তিনি খুলনায় বসবাস করেন।খুলনা শিপইয়ার্ডে বেশ কয়েক বছর চাকরি করেছেন। এখনও থাকেন সেই এলাকায়। ৪০

 

বছর ব’য়সে করেছেন বিয়ে। তিন ছেলের বাবা। স্ত্রী ফাতেমা এক সময় খুলনার বন্ধহয়ে যাওয়া দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন। রিকশাচালক এ চাচার নাম আব্দুল খালেক শেখ (৮১)। গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের কাঁঠাল গ্রামে হলেও স্বা’ধীনতার পর থেকে তিনি খুলনায় বসবাস করেন। খুলনা শিপইয়ার্ডে বেশ কয়েক বছর চাকরি করেছেন। এখনও থাকেন সেই এলাকায়। ৪০

 

বছর ব’য়সে করেছেন বিয়ে। তিন ছেলের বাবা। স্ত্রী ফাতেমা এক সময় খুলনার বন্ধ হয়ে যাওয়া দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন। রিক্সাচালকের স’ঙ্গে কথা হয় খুলনায়। রোববার স’ন্ধ্যায়। ছেলেরা কে কি করেন জানতে চাইলে তিনি জানান, বড় ছেলে টুটুল শেখ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর ছোট ছেলে সোহরাব শেখ খুলনা

 

মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষ করে ই’ন্টার্ন করছেন। গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি বিভাগে প্র্যা’কটিসও করছেন। চাচার কাছে তার ছেলেদের এমন কৃতিত্বের কথা শুনে বার বার শ্র’দ্ধা জানাতে ই’চ্ছা করছে।কারণ আমাদের সমাজের

 

 

অনেকেই তাদের ব’য়সী রিকশাচালকদের বলে থাকেন- এই খালি যাবে/যাবি? বা এই রিকশা যাবে/যাবি? বাসায় আসার পথে জীবনযু’দ্ধে জয়ী দরিদ্র আব্দুল খালেক আরও অনেক কথাই বলেন।তিনি বলেন, নিজে শিক্ষিত হতে না পারলেও ছেলেদের পড়াশোনার সুযোগ থেকে  বঞ্চিত করিনি। সং’সার চালাতে ক’ষ্ট হলেও ছেলেদের

 

শিক্ষিত করতে প্রা’ণপণ চেষ্টা করেছি। তবে আমার একার চেষ্টা নয় ছেলেদের প্রবল আ’গ্রহ আর মেধার কারণে তারা শিক্ষিত হতে পেরেছে। ছেলেদের ক’ষ্টের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমার একার আয়ে অনেক সময় পারতাম না। তাই ওরা প্রাইভেট পড়িয়ে নিজেদের পড়ার

 

খরচ যুগিয়েছে। স’ন্তানদের পড়াশোনায় স্ত্রী আমাকে সহযোগি’তা করেছে। গর্বিত পিতা আব্দু’ল খালেককে তার জীবনের স্বার্থকতা কি জানতে চাইলে বলেন, আমি ম’রে গেলে সবাই বলবে ওদের তো মানুষের মতো মানুষ করেছি। আশা করছি ছেলেদের যেখানে পৌঁছে দিতে পেরেছি তাতে তাদের কাজের কারণে কেউ আমাকে গালি

 

দিতে পারবে না। ছেলে’রা রিকশা চালাতে নি’ষেধ করে না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছেলেরা রিকশা চা’লানো ছেড়ে দিতে চা’প দিচ্ছে। ওরা পুরোদমে বেতন পেলে ছেড়ে দিবো।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *