অ’বশেষে সু’দানে নি’ষিদ্ধ হচ্ছে নারীদের খতনা, জাতিসংঘের সাধুবাদ।

এ’খনবাংলা.কম: সুদানের অন্তবর্তীকালীন স’রকার খতনা নি’ষিদ্ধ করে সুদানে নারীদের একটি যুগান্তকারী আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে ।

কো’নো নারীকে খতনা করানো একটি শা’স্তিমূলক অ’পরাধ হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব দেয়া হয় খসড়া আইনটিকে।

এ’বিসি নিউজ জানায়, প্রস্তাবিত এই আইন পাস হলে নারীকে খতনা করানো এটি ফৌজদারি অ’পরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এর শা’স্তি হিসেবে তিন বছর পর্যন্ত শা’স্তি ও জরিমানা দেয়া হবে অ’ভিযুক্তকে।

দে’শটির নারী অধিকার সংগঠন সিমা সেন্টার ফর উইমেন রাইটসের ডিরেক্টর নাহিদ জাবরেল্লাহ বলেন, এটি সুদানের নারীদের জন্য বিশাল বিজয়।

না’রীদের যৌ’নাঙ্গা বিকৃতি বা ছেদের মতো এমন খা’রাপ অনুশীলন থেকে বেরিয়ে আসার প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জা’তিসংঘের শি’শু বি’ষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের সুদানের প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ ফাদিল বলেন, এই অনুশীলন কেবল প্রতিটি মেয়ে স’ন্তানের অধিকার ল’ঙ্ঘনই নয়, এটি তাদের জন্য অনেক ক্ষ’তিকর এবং একটি মেয়ের শা’রীরিক ও মা’নসিক স্বাস্থ্যের জন্য মা’রাত্মক পরিণতি নিয়ে আসে।

তি’নি বলেন, এই আইন প্রয়োগ করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ক’ঠোর পরিশ্রম করা দরকার।

না’রীদের খতনা করা অর্থাৎ যৌ’নাঙ্গ বিকৃতি বা কা’টা সুদানসহ আফ্রিকা, এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে বেশ প্রচলিত একটি সামাজিক ও পারিবারিক অনুশীলন।

ঐ’তিহ্যগতভাবে নারীদের যৌ’ন আকাঙ্ক্ষা রোধ করার উপায় হিসেবে দেখা হয় একে।

সা’ধারণত মেয়েদের এক থেকে ১৫ বছর বয়সের মধ্যে এটি করা হয়ে থাকে।

ই’উনিসেফের ২০১৪ সালের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সুদানের ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সের মধ্যে ৮৭ শতাংশেরও বেশি নারী খতনার শি’কার হয়েছে।

দী’র্ঘ বছর ধরে সুদানের ক্ষমতায় থাকা স্বৈরশাসক ওমর আল-বশির গত বছর ক্ষমতাচ্যুত হলে একটি অন্তর্বর্তীকালীন স’রকার গঠিত হয় দেশটিতে।

স’রকারের মন্ত্রিপরিষদ খসড়া আইনটি অনুমোদন দিলেও সার্বভৌম কাউন্সিলের সঙ্গে বৈঠকে এটি চূড়ান্তভাবে পাস হবে।

কা’উন্সিলের সংখ্যাগরিষ্ট সা’মরিক নেতারা এখনও এই আইনের ব্যাপারে সম্মতি দেবে কী না সেটি নিয়ে কিছুটা সংশয় আছে।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *