অসু’স্থ বাবাকে সা’ইকেলে নিয়ে ‘১২০০’ কিমি পথ পা’ড়ি দিলেন এই মে’য়ে।

ভা’রতে সো’শ্যাল মিডিয়ার বদৌলতে গত সপ্তাহেই ভাইরাল হয়েছে ১৫ বছরের কি’শোরী জ্যোতি কুমা’রীর কা’হিনী। নিজে’র অসু’স্থ বাবাকে সাইকেলে চা’পিয়ে দিল্লির গুরগাঁও থেকে বিহার- ১৫০০ কিমি পথ পাড়ি দিয়েছিল এই মেয়ে। তার সাইকেলে কা’হিনী সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই তাকে ট্রায়ালে ডেকেছে সাইকেল ফেডারেশন।জা’না যায়, কাজে’র সূত্রে বড় মেয়ে জ্যোতিকে নিয়ে ঘর ছে’ড়ে ভিনরাজ্যে থাকতেন মোহন পাসওয়ান।

আ’র বিহারের বাড়িতে থাকেন তার স্ত্রী ও অন্য স’ন্তানরা। গুরুগ্রামে ই-রিকশা চা’লিয়ে কোনওরকমে পরিবার চলত মোহনের। কিন্তু মাস কয়েক আগে এক দুর্ঘ’টনায় প’ড়ে রোজগার ব’ন্ধ হয়ে যায়। এ অব’স্থায় শুরু হয় করো’না সংক্র’মণ । দরকারি ও’ষুধ কেনার টাকা দূ’রে থাক, দু’বেলা খাবার জোগাড় ক’রতেই হিমশিম খেতে শুরু করেন এই রিকশাচালক।

এ’দিকে কয়েক মাসের বাড়ি ভাড়া বাকি থাকায় বাড়িওয়ালা ঘর ছাড়ার নোটিশ দেয়। এই অব’স্থায় বাবাকে বাড়ি ফেরার প’রামর্শ দেয় জ্যোতি। কিন্তু মোহন মেয়েকে বোঝান, গণপরিহণ ব’ন্ধ, তার উপর অসু’স্থ শ’রীর। কীভাবে এতটা রাস্তা পেরিয়ে বাড়ি ফিরবেন তারা?এ অব’স্থায় তাই বাবাকে একটা সাইকেল জোগাড় করে দিতে বলে জ্যোতি। কিন্তু এতগুলো পথ কীভাবে পাড়ি দেবে জ্যোতি! মেয়েকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেন।

কি’ন্তু তার একই কথা। মেয়ের জেদের কাছে একপ্রকার বা’ধ্য হয়ে শেষ জমানো টাকায় সাইকেল কিনে ফে’লে ন মোহন।তিনি আরো জা’নান, ‘সকালেই জ্যোতির স’ঙ্গে কথা হয়েছে। ওকে জা’নানো হয়েছে, লকডাউন উঠে গেলে যত শীঘ্র সম্ভব পরের মাসেই ওকে দিল্লিতে ট্রায়ালে ডাকা হবে। ওর যাতায়াত, থাকা এবং অন্যান্য খরচ ফেডারেশন বহন করবে।’জ্যোতিকে ট্রায়ালে ডাকার কারণ হিসাবে ওঙ্কার সিং বলেন, ‘তার মধ্যে বিশেষ কিছু রয়েছে।

আমা’র মনে হয় সাইকেলে করে ১২০০ কিমি পথ পাড়ি দেওয়া মোটেই সহজ নয়। ওর শ’ক্তি ও সহনশীলতা বাকিদের থেকে আ’লাদা। এই বি’ষয়টিই আম’রা পরীক্ষা করে দে’খতে চাই।’তিনি আরও জা’নান, ‘আমাদের কম্পিউটার চালিত সাইকেলে বসিয়ে দেখা হবে নির্বাচনের জন্য সাত-আটটা প্যারামিটার ও পেরোতে পারে কিনা। সেটা পেরোলেই ও আমাদের ট্রেনি হতে পারবে এবং নিখরচায় ট্রেনিং নিতে পারবে।’

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *