আবরার হত্যাকাণ্ডের দেশে প্রচলিত আইনে শাস্তি : প্রাসঙ্গিক চিন্তা

শাহ আজিজুল হক,পাবলিক প্রসিকিউটর,কিশোরগঞ্জ:
According our law : Section 302 in The
Bangladesh Penal Code. 302. Punishment for murder.—Whoever commits murder shall be punished with death, or 1[imprisonment for life], and shall also be liable to fine.
খুনের ঘটনার নৃশংসতা, পারিপার্শ্বিতকতা, জনগণের মনে বিচারের প্রতি আস্থা প্রতিষ্ঠাতা , ছাত্র রাজনীতিতে ক্রমাগত হত্যা সন্ত্রাস বিবেচনায় এ মামলার একমাত্র শাস্তি হতে হবে :
“Whoever commits murder shall be punished with death“
এ ক্ষেত্রে অপরাধী বা victim’র রাজনৈতিক বা অন্য যেকোন পরিচিতি Immaterial । আমাদের দেশের judicial system’ এ ন্যায় বিচারের সোনালী নীতি হচ্ছে ‘সমতা’( অর্থাৎ কেউই আইনের ঊর্ধ্বেও না বা নিচেও নয়)। এ নীতি শুধু বিশ্ব মানবাধিকারের নীতি নয় It is “our constitutional verdict “!
জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যাসহ বিভিন্ন পর্যায়ে Poltical murduer case হিসেবে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় রক্ষা, এমন কি পুরস্কৃত করার অপসংস্কৃত, কূখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ, স্বাধীনতার পর পর ঢাবির Seven murdurs case’ এর মূল আসামি শফিউল আলম প্রধানকে পূনর্বাসিত করা, একুশে আগস্টের হত্যাকাণ্ড নিয়ে জজ মিয়া নাটকসহ বিভিন্ন পর্যায়ে বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে জনমনে রাজনৈতিক ক্ষমতাসীনদের দ্বারা সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচারের বিষয়ে চরম অবিশ্বাস ও আস্থাহীনতা বিরাজমান। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসার কঠিন কাজটি সরকার বা রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে আবরার হত্যা মামলাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে।
হত্যাকাণ্ডের বিচার না পাওয়ার প্রসব যন্ত্রনায় অসাংবিধানিক শক্তির উত্থান ঘটে। অসুস্থ দুর্বল শিশু গণতন্ত্রের মৃত্যু হয়। দেশ নির্বাসনে যায়।

এ প্রেক্ষাপটে আবরার হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে উত্তাল সাধারণ ছাত্র জনতার দাবীর সঙ্গে আমাদের সকলকে একাত্ম হতে হবে। “Judicial justice “ নিশ্চিত করতে হবে। প্রকৃত অপরাধী যেই হোক তার প্রাপ্য শাস্তি নিশ্চিতকরণ, নির্দোষ কোন ব্যক্তি যেন শিকার না হয়, লাশ নিয়ে অপরাজনীতি যাতে কেউ করতে না পারে সেদিকে নির্মোহচিত্তে রাষ্ট্রকে কাজ করতে হবে।
অত:এব সাধু সাবধান! কান্ডারী হুঁশিয়ার!

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *