1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় বিশ্ব এন্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ পালিত ৬ দিনে মামলা নিষ্পত্তি কিশোরগঞ্জে ইউএইচএন্ডএফপিও ফোরামের পরিচিতি ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে নিসচা’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ দিবস উপলক্ষে বর্নাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হলেন আবু তাহের নিকলীতে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কিশোরগঞ্জে জাতীয় স্যানিটেশন মাস শুরু পাগলা মসজিদের এবার মিলল ১৫ বস্তায় ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮২ টাকা কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি’র দায়ীত্ব থেকে শরীফকে অব্যাহতি

আমি রাশিয়ার টিকা নেব: মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০
  • ১১১ সংবাদটি দেখা হয়েছে

সবার আ’গে রাশিয়ার টিকা গ্রহণের ইচ্ছার কথা জানালেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাদর।

গ’তকাল সোমবার তিনি বলেছেন, রাশিয়ার টিকা কার্যকর কি না, সে পরীক্ষায় যেসব স্বেচ্ছাসেবীর ওপর টি’কাটি প্রয়োগ করা হবে, এর মধ্যে প্রথম হতে চান তিনি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।দুই মা’সেরও কম সময়ের মধ্যে মস্কোর টিকা অনুমোদন ও প্রথম ব্যাচের টিকা তৈরি করে মানুষের ওপর প্র’য়োগের বিষয়টি কিছু বিজ্ঞানীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

তাঁরা বলছেন, কেবল ১০ শতাংশ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা সফল হওয়ার নজির রয়েছে। সেখানে তাড়াহুড়ো করে রাশিয়া তাদের টিকা অনুমোদন দিয়ে ফেলেছ।কিছু গ’বেষক বলছেন, তাঁরা আশঙ্কা করছেন, নিরাপত্তার কথা বিবেচনা না করে কেবল সম্মানের দিক বিবেচনাতেই রাশিয়া টিকার অনুমোদন দিয়েছে।

নিয়মিত সকালের সংবাদ সম্মেলন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমিই প্রথম টিকাটি গ্রহণ করব।’বি’শ্বজুড়ে টিকা তৈরির প্রতিযোগিতা আরও বেড়ে গেছে।

রাশিয়ার টিকা ছাড়াও মেক্সিকো ও আর্জেন্টিনার সরকার ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে টিকা উৎপাদনের জন্য চুক্তি ক’রেছেন।মেক্সিকোর ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্থা ডেলগাদো বলেন, তাঁর দেশের ২০ কোটি ডোজ টিকা প্রয়োজন হবে।

যদি তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা সফল হয়, তবে আগামী বছরের এপ্রিল থেকে টিকা পাওয়া যাবে।মেক্সিকোতে ৫ লাখ ২২ হাজার ১৬২ জনের করোনা শ’নাক্ত হয়েছে আর মারা গেছে ৫৬ হাজার ৭৫৭ জন।রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স জানিয়েছে, তাদের টিকাটির প্রথম ব্যাচ গত শনিবার উৎপাদন করা হয়েছে।

রাশিয়া বলছে, তা’রা যে টিকা তৈরি করেছে এবং উৎপাদন পর্যায়ে গেছে, তা এ মাসের শেষ দিকে স’রবরাহ শুরু হবে। তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা শেষ না হলেও রুশ কর্মকর্তারা বলেছেন, টিকাটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এটি মানবদেহে প্রয়োজনীয় রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাও গড়ে তুলতে পেরেছে। টিকাটি উদ্ভাবন করেছে রুশ গ’বেষণা প্রতিষ্ঠান গামালিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট। স’হযোগিতা করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।টিকাটির কার্যকারিতা পরীক্ষার ক্ষেত্রে তৃতীয় ধাপের মানবপরীক্ষা যেখানে হাজারো স্বেচ্ছাসেবীর ওপর প্রয়োগ করা হয়, তা অনুসরণ করা হয়নি।

নি’য়ন্ত্রকদের কাছ থেকে নিরাপদ টিকার অনুমোদন পে’তে হলে এ পরীক্ষাকে প্রয়োজনীয় বলে ধরা হয়। রাশিয়ার টিকা অনুমোদন পেলেও এর বিস্তৃত পরীক্ষা হয়নি বলে তাদের দাবি সম্পর্কে গবেষকেরা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

বি’শ্বজুড়ে রাশিয়ার টিকার বিষয়টি মিশ্র প্রতিক্রিয়া পে’য়েছে।রাশিয়ার টিকাটির নাম ‘স্পুটনিক ৫’, যা সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহের নামে নামকরণ করা করেছে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, টিকাটি নিরাপদ। রাশিয়ার তৈরি টিকা নিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে একে ক’রোনাভা’ইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ উ’দ্ভাবন হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। দেশটির জাতীয় টেলিভিশনেও একে নিরাপদ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে।

পু’তিন বলেন, তাঁর এক মেয়ের শরীরেও টিকাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।ইন্টারফ্যাক্সের প্রতিবেদন অ’নুযায়ী, এর আগে টিকা প্রস্তুতকারক গামেলিয়া ইনস্টিটিউট জানায়, ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি নাগাদ ৫০ লাখ ডোজ টিকা উৎপাদন করতে পারবে রাশিয়া।

রাশিয়ার তৈরি করা প্রথম ব্যাচের টিকাগুলো চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়া হবে। এরপর তা সা’ধারণ জনগণের ব্যবহারের জন্য ছাড়া হবে। ইকোনমিক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার পরীক্ষা ও জ’নগণের ওপর প্রয়োগ নিয়ে বিশ্বব্যাপী মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে।

গামেলিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান আলেক্সান্ডার গিনটসবার্গ বলেছেন, কয়েক দশকের পু’রোনো ব্যাপক গবেষণালব্ধ বৈজ্ঞানিক প্ল্যাটফর্মের ভি’ত্তিতে টিকাটি তৈরি। টিকাটির নাম ‘গাম-কোভিড-ভ্যাক’। দীর্ঘ মেয়াদে সুরক্ষা পেতে টিকাটির দুটি ডোজ ইনজেকশনের মাধ্যমে পুশ করতে হয়।

টিকার দুটি ডোজের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে এতে ব্যবহৃত অ্যা’ডেনোভা’ইরাস, যা শরীরের কোষে টি’কাটি পৌঁছায়। সর্বোচ্চ কার্যকারিতা পেতে দুই বা তি’ন সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি ডোজ দিতে হয়।টিকাটির নির্দেশিকায় বলা হচ্ছে, এটি ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের জন্য উপযুক্ত এবং অন্য অ্যান্টিজেনের সঙ্গেও দেওয়া যাবে।

টি’কাগ্রহীতাকে চি’কিৎসকেরা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তাঁরা শরীরের অবস্থা সম্পর্কে তথ্য জানাবেন। সম্ভাব্য কোনো জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony