আ’ম্ফানের তা’ণ্ডবে দেশের যে এলাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষ’তি হলো।

ঘূ’র্ণিঝড় আ’ম্পানের আ’ঘাতে সাতক্ষীরা শহরের কামাননগর এলাকায় গাছ চা’পা পড়ে একজনের মৃ’ত্যু হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনসংলগ্ন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজে’লার পদ্মাপুকুর, গবুরা ও আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় কপোতাক্ষ, খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে।

স’বচেয়ে বে’শি ক্ষ’তিগ্রস্ত হয়েছে পদ্মপুকুর ইউনিয়নের চাউলখোলা এলাকায়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২০০ ফুটের মত এলাকা ভেঙ্গে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। কামালকাটি ও চন্ডিপুর এলাকায়ও একই অবস্থা। গাবুরা ইউনিয়নের জে’লেখানি ও নাপিতখালী এলাকা, আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের সুভদ্রকাটি, কুড়িকাউনিয়া, চাকলা, হিজলা, দিঘলাররাইট, কোলা ভেঙ্গে লোকালয়ে পানি ঢুকছে বলে নিশ্চিত করেছেন আশাশুনি উপজে’লা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা।

সাতক্ষীরা আ’বহাওয়া অ’ধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী জানান, ঘন্টায় ১০০-১২০ কিলোমিটার গতিবেগে বিকাল ৪টার দিকে সুন্দরবন উপকূলে সুপার সাইক্লোন আম্পান আছড়ে পড়ে। পরবর্তিতে ধীরে ধীরে এর গতিবেগ বৃদ্বি পেয়ে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ১৪৮ কিলোমিটার গতিবেগে পূর্বদিক থেকে পশ্চিম দিকে ঝড়হাওয়াটি প্রবাহিত হতে থাকে।এদিকে জে’লা প্রশাসনের দু’র্যোগ ব্যবস্থাপনা কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে, ১৪৭টি সাইক্লোন শেল্টার ও ১ হাজার ৬৯৮ টি স্কুল কলেজে ৩ লাখ ৭০ হাজার ১৫০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

জে’লায় ১২ হা’জার সেচ্ছাসেবকের পাশাপাশি ১০৩ জনের মেডিকেল টিম স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত রয়েছে।স’রকারের পক্ষ থেকে ২৫০ মেট্রিক টন চাউল ও নগদ ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি উপকূল এলাকায় উ’দ্ধার তৎপরতা ও দূর্যোগ মোকাবেলায় সে’নাবা’হিনী, বিজিবি, পুলিশ, নোবাহিনী ও কোস্টগার্ড নিয়োজিত রয়েছে।এদিকে মরিচপাচসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ২ থেকে ৩ ফুট বৃ’দ্ধি পেয়েছে।

হা’লকা দমকা হওয়ার সাথে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। শ্যামনগর উপজে’লার পদ্মপুকুর ও গাবুরা, মুন্সিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজে’লার গয়ারঘাট, হাজরাকাটি, কুড়িকাউনিয়া, মনিপুরি ও বিছট এলাকার বেড়িবাঁধে ভ’য়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে ইতিমধ্যে।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *