1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জে কোরবানির ডিজিটাল পশুর হাট কুড়িগ্রাম জেলা যুবলীগের উদ্যোগে অন্ধ প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য বিতরণ কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিনামূল্যে শাক-সবজি বাজার উ‌দ্বোধন করিমগঞ্জ থেকে গাঁজা ও নগদ অর্থ’সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব আশরাফ আলী সোহান একজন তরুন উদ্যোক্তা সব্যসা‌চী লেখক ও ক‌বি ‌সৈয়দ শামসুল হ‌কের সমাধী‌তে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলী‌গের শ্রদ্ধা বাংলা’র শিক্ষক গাইছেন হিন্দিতে! কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক দানিস আর নেই হিয়া ইলেক্ট্রনিক্সকে অবাঞ্ছিতকরন প্রসঙ্গে কিশোরগঞ্জে বিশাল আকৃতির ষাঁড় নাম তার ভাটির রাজা; কুরবানিতে বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত

ইউলো জোনে কর্ণফুলী, দু’লক্ষাধিক মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০
  • ২১ সংবাদটি দেখা হয়েছে

ছো’ট ব’ড় তেঁতাল্লিশটি শিল্প কারখানা ও গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী নিয়ে শি’ল্পজাত উপজেলা কর্ণফুলী ইউলো জোনে অবস্থান করেছে। ধীরে ধীরে করোনা ছোবলে চরম ঝুঁকিতে হাঁটছে।

এতে উ’পজেলার ৩৫-৪০ হাজার গার্মেন্টস কর্মীসহ প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে।এরই মধ্যে রিপোর্ট পা’ওয়ার আগেই আক্রান্ত হয়ে জুলধা ইউনিয়নে একজন বৃদ্ধের মৃত্যু ঘটে।

এছাড়া প্রথ’মদিকে ক’রোনা রোগী বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা পালনে উপজেলা প্রশাসনের কঠোর অবস্থান দেখা গেলেও এখন কার্যক্রম তেমন একটা চোখে পড়ার মতো না।

তথ্যমতে, উ’পজেলায় এ প’র্যন্ত আক্রান্তদের বেশির ভাগ রোগীই কোন না কোন গার্মেন্টস এর সাথে জড়িত। এদের বে-সামাল ঘোরাঘুরি আর লকডাউন না মানারও অ’ভিযোগ রয়েছে।বর্তমানে করোনা সঙ্কটময় পরিস্থিতি চলছে। তার উপর উপজেলায় নেই কোন নিজস্ব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেই কোন করোনা টেস্টে নমূনা সংগ্রহের বুথ।

উপজেলার কে’উ আ’ক্রান্ত হলে ৬/৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পটিয়া কিংবা আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হচ্ছে। এছাড়াও আগাম প্রস্তুতি হিসেবে অ’স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন হিসেবে কোন ভবন বা কমিউনিটি সেন্টারও তৈরি রাখা হয়নি।

ফলে চিন্তিত উ’পজেলার লা’খো মানুষ।অনেকের প্রত্যাশা উপজেলা যেসব কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে এসব ক্লিনিকে নজর বাড়িয়ে, উপজেলায় অন্তত দুজন ডাক্তারের সমন্বয়ে একটি মেডিক্যাল টিম গঠনের। যে টিমটি কোভিড ও নন কোভিড রোগীদের বেসিক স্বাস্থ্যসেবা দেবেন।

কিন্তু তাও ভা’গ্য জু’টছে না কর্ণফুলীর দু’লক্ষাধিক মানুষের। অথচ চিকিৎসা জনগণের মৌলিক অধিকার। চরম উদাসীনতা ও সেবা না থাকায় সব মিলিয়ে কষ্টে পড়েছে উপজেলার সাধারণ মানুষজন। এ নিয়ে স্যোসাল মিডিয়ায়ও নানা আলোচনার ঝড় উঠেছে।

অপরদিকে ল’ক্ষ্য ক’রা যায়, উপজেলায় যারা বিদেশ ফেরত/প্রবাসী কিংবা করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসা এতদিন কোয়ারেন্টাইনে ছিলো সেসব ব্যক্তিরাও মুক্ত হয়ে রীতিমত বাজারে ঘাটে মিশে একাকার হচ্ছে।

কিন্তু পু’লিশের তৎ’পরতা লক্ষ্য করা গেলেও উপজেলা প্রশাসনের তেমন কোন তদারকি না থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন শেষ হওয়ার পর খেয়াল খুশি মত বিভিন্ন এলাকা চষে বেড়িয়েছে অনেক করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি।এর মধ্যে সিএমপির এই কর্ণফুলী থানা জোনে ৫৮ জনেরও অধিক করোনা রোগীর রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

চারদিকে কা’রখানা, গা’র্মেন্টস, ভাড়া বাসায় বিভিন্ন এলাকার মানুষের বসবাস। আর এতে ভয় আর আতঙ্কে চাপা ক্ষোভে ভেঙে পড়ে উপজেলাবাসী।যদিও ত’ড়িঘড়ি করে পুলিশ রাতে আক্রান্ত পরিবারগুলোকে লকডাউন করলেও কতজন রোগী সুস্থ মানুষের সংস্পর্শে এসেছে এসব হিসাব রাখা দুঃসাধ্য।

তাছাড়া কি’ছু রো’গীর নাম-ঠিকানাও সম্পূর্ণ না থাকায় এসব রোগীদের সনাক্ত করতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ! পাশাপাশি রিপোর্ট আসার আগে রোগীদের বাড়িতে পাঠানোর মত বুদ্ধিহীনতাও হতভম্ব করেছে সচেতন মানুষকে।

সচেতন মহ’ল ব

ছোট বড় তেঁতাল্লিশটি শিল্প কারখানা ও গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী নিয়ে শিল্পজাত উপজেলা কর্ণফুলী ইউলো জোনে অবস্থান করেছে। ধীরে ধীরে করোনা ছোবলে চরম ঝুঁকিতে হাঁটছে। এতে উপজেলার ৩৫-৪০ হাজার গার্মেন্টস কর্মীসহ প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে।

এরই মধ্যে রিপোর্ট পাওয়ার আগেই আক্রান্ত হয়ে জুলধা ইউনিয়নে একজন বৃদ্ধের মৃত্যু ঘটে। এছাড়া প্রথমদিকে করোনা রোগী বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা পালনে উপজেলা প্রশাসনের কঠোর অবস্থান দেখা গেলেও এখন কার্যক্রম তেমন একটা চোখে পড়ার মতো না। তথ্যমতে, উপজেলায় এ পর্যন্ত আক্রান্তদের বেশির ভাগ রোগীই কোন না কোন গার্মেন্টস এর সাথে জড়িত। এদের বে-সামাল ঘোরাঘুরি আর লকডাউন না মানারও অভিযোগ রয়েছে।

বর্তমানে করোনা সঙ্কটময় পরিস্থিতি চলছে। তার উপর উপজেলায় নেই কোন নিজস্ব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেই কোন করোনা টেস্টে নমূনা সংগ্রহের বুথ। উপজেলার কেউ আক্রান্ত হলে ৬/৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পটিয়া কিংবা আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হচ্ছে। এছাড়াও আগাম প্রস্তুতি হিসেবে অস্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন হিসেবে কোন ভবন বা কমিউনিটি সেন্টারও তৈরি রাখা হয়নি। ফলে চিন্তিত উপজেলার লাখো মানুষ।

অনেকের প্রত্যাশা উপজেলা যেসব কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে এসব ক্লিনিকে নজর বাড়িয়ে, উপজেলায় অন্তত দুজন ডাক্তারের সমন্বয়ে একটি মেডিক্যাল টিম গঠনের। যে টিমটি কোভিড ও নন কোভিড রোগীদের বেসিক স্বাস্থ্যসেবা দেবেন। কিন্তু তাও ভাগ্য জুটছে না কর্ণফুলীর দু’লক্ষাধিক মানুষের। অথচ চিকিৎসা জনগণের মৌলিক অধিকার। চরম উদাসীনতা ও সেবা না থাকায় সব মিলিয়ে কষ্টে পড়েছে উপজেলার সাধারণ মানুষজন। এ নিয়ে স্যোসাল মিডিয়ায়ও নানা আলোচনার ঝড় উঠেছে।

অপরদিকে লক্ষ্য করা যায়, উপজেলায় যারা বিদেশ ফেরত/প্রবাসী কিংবা করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসা এতদিন কোয়ারেন্টাইনে ছিলো সেসব ব্যক্তিরাও মুক্ত হয়ে রীতিমত বাজারে ঘাটে মিশে একাকার হচ্ছে। কিন্তু পুলিশের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেলেও উপজেলা প্রশাসনের তেমন কোন তদারকি না থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন শেষ হওয়ার পর খেয়াল খুশি মত বিভিন্ন এলাকা চষে বেড়িয়েছে অনেক করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি।

এর মধ্যে সিএমপির এই কর্ণফুলী থানা জোনে ৫৮ জনেরও অধিক করোনা রোগীর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। চারদিকে কারখানা, গার্মেন্টস, ভাড়া বাসায় বিভিন্ন এলাকার মানুষের বসবাস। আর এতে ভয় আর আতঙ্কে চাপা ক্ষোভে ভেঙে পড়ে উপজেলাবাসী।

যদিও তড়িঘড়ি করে পুলিশ রাতে আক্রান্ত পরিবারগুলোকে লকডাউন করলেও কতজন রোগী সুস্থ মানুষের সংস্পর্শে এসেছে এসব হিসাব রাখা দুঃসাধ্য। তাছাড়া কিছু রোগীর নাম-ঠিকানাও সম্পূর্ণ না থাকায় এসব রোগীদের সনাক্ত করতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ! পাশাপাশি রিপোর্ট আসার আগে রোগীদের বাড়িতে পাঠানোর মত বুদ্ধিহীনতাও হতভম্ব করেছে সচেতন মানুষকে।

সচেতন মহল বলছেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের আরেকটু তদারকি আর কঠোর নজরধারী থাকলে অসংখ্য মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমতে পারে বলে তাদের ধারণা। এমনকি বিশেষ করে চরপাথরঘাটার পুরাতন ব্রিজঘাট, কলেজবাজার, মইজ্জ্যারটেক ও ফকিরন্নির হাট বাজার এলাকায় স্বাস্থ্য বিধি ও মাস্ক, গ্লাবস পরিধানে প্রশাসনের কঠোর অভিযান চালানো জরুরি। কেনোনা এসব বাজারের দোকান গুলোতে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে যে পরিমাণ মানুষের ভীড় জমছে তাতে কর্ণফুলীতে মহামারি আকার ধারণ করতে সময় লাগবে না এমন আশঙ্কা অনেকের।

জানা যায়, ২৮ শে এপ্রিল কর্ণফুলীতে প্রথম করোনা রোগি শনাক্ত হন ইছানগর গ্রামে ৬৩ বছর বয়সী এক মহিলা। যিনি আক্রান্ত হয়ে জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে মারা যান। এরপরে যথাক্রমে- চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে সৈন্যারটেক ডিভাইন ফ্যাক্টরীতে চাকরিরত ৩২ বছর বয়সী গার্মেন্টসকর্মী, শিকলবাহা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে ৩৫ বছর বয়সী যুবক, চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের খোয়াজনগর ৫নং ওয়ার্ডে ৯ বছর বয়সী শিশু, চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে গার্মেন্টসকর্মী ও অন্যজন সিএনজি চালাক, চরপাথরঘাটা ৩নং ওয়ার্ডে ২১ বছর বয়সী নারী গার্মেন্টসকর্মী, চরলক্ষ্যা ৭নং ওয়ার্ড ২৫ বছর বয়সী আরেক নারী গার্মেন্টসকর্মী, শিকলবাহা ২নং ওয়ার্ডে ৪২বছর বয়সি পুরুষ, শাহমীরপুরে ৩০ বছর বয়সি যুবক। এভাবে কর্ণফুলী থানাধীন আনোয়ারার কিছু অংশসহ কোস্টগার্ড এবং বিএফডিসি মিলে উপজেলায় প্রায় ৫৮ জনের মতো আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়। এরমধ্যে দুজনের মৃত্যু ঘটে। আক্রান্ত বাকি রোগীরা চিকিৎসাধীন কেউ নিজস্ব বাসায় বা শহরের হাসপাতালে।

এসব বিষয় নি’য়ে ববড়উঠানের ইউপি চেয়ারম্যান মো. দিদারুল আলম বলেন, ‘যে কোভিড-১৯ ভাইরাস দেখা যায় না, ধরা যায় না। আক্রান্ত হলে লক্ষণও আ’বার এখন বুঝা যাচ্ছে না। এ রকম একটি ভাইরাস থেকে সুরক্ষা পেতে কি রকম সচেতন ও স্বাস্থ্য বিধি মানতে হবে তা ডবিউএইচও বার বার বলছে। সমস্ত টিভি ও মিডিয়া বার বার শোনাচ্ছে। সরকারও চেষ্টা করছেন।

কিন্তু স’ত্য হ’লো-কেউ কাউকে বলে স্বাস্থ্য বিধি মানাতে পারবে না সব সময়। মানুষকে নিজ পরিবারের স্বার্থে হলেও নিজেকে সচেতন হতে হবে। তা না হলে কারো আশা করা বোকামি হবে এবং সামনে উপজেলাবাসীর জন্য খারাপ সংবাদ বয়ে আনবে।’

লছেন, উপ’জেলা নি’র্বাহী অফিসারের আরেকটু তদারকি আ’র ক’ঠোর নজরধারী থাকলে অসংখ্য মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমতে পারে বলে তাদের ধারণা। এমনকি বিশেষ করে চরপাথরঘাটার পুরাতন ব্রিজঘাট, কলেজবাজার, মইজ্জ্যারটেক ও ফকিরন্নির হাট বাজার এলাকায় স্বাস্থ্য বিধি ও মাস্ক, গ্লাবস পরিধানে প্রশাসনের কঠোর অভিযান চালানো জরুরি।

কেনোনা এসব বা’জারের দো’কান গুলোতে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে যে পরিমাণ মানুষের ভীড় জমছে তাতে কর্ণফুলীতে ম’হামারি আকার ধারণ করতে সময় লাগবে না এমন আশঙ্কা অনেকের।জানা যায়, ২৮ শে এপ্রিল কর্ণফুলীতে প্রথম করোনা রোগি শনাক্ত হন ইছানগর গ্রামে ৬৩ বছর বয়সী এক মহিলা। যিনি আক্রান্ত হয়ে জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে মারা যান।

এরপরে য’থাক্রমে- চর’লক্ষ্যা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে সৈন্যারটেক ডিভাইন ফ্যাক্টরীতে চাকরিরত ৩২ বছর বয়সী গার্মেন্টসকর্মী, শিকলবাহা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে ৩৫ বছর বয়সী যুবক, চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের খোয়াজনগর ৫নং ওয়ার্ডে ৯ বছর বয়সী শিশু, চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে গার্মেন্টসকর্মী ও অন্যজন সিএনজি চালাক, চরপাথরঘাটা ৩নং ওয়ার্ডে ২১ বছর বয়সী নারী গার্মেন্টসকর্মী, চরলক্ষ্যা ৭নং ওয়ার্ড ২৫ বছর বয়সী আরেক নারী গার্মেন্টসকর্মী, শিকলবাহা ২নং ওয়ার্ডে ৪২বছর বয়সি পুরুষ, শাহমীরপুরে ৩০ বছর বয়সি যুবক। এভাবে কর্ণফুলী থানাধীন আনোয়ারার কিছু অংশসহ কো’স্টগার্ড এবং বিএফডিসি মিলে উপজেলায় প্রায় ৫৮ জনের মতো আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়।

এরমধ্যে দুজ’নের মৃ’ত্যু ঘটে। আক্রান্ত বাকি রোগীরা চিকিৎসাধীন কেউ নিজস্ব বাসায় বা শহরের হাসপাতালে।এসব বিষয় নিয়ে বড়উঠানের ইউপি চেয়ারম্যান মো. দিদারুল আলম বলেন, ‘যে কোভিড-১৯ ভা’ইরাস দেখা যায় না, ধরা যায় না। আক্রান্ত হলে লক্ষণও আবার এখন বুঝা যাচ্ছে না।

এ রকম এ’কটি ভা’ইরাস থেকে সুরক্ষা পেতে কি রকম সচেতন ও স্বাস্থ্য বিধি মানতে হবে তা ডবিউএইচও বার বার বলছে। সমস্ত টিভি ও মিডিয়া বার বার শোনাচ্ছে। সরকারও চেষ্টা করছেন। কিন্তু সত্য হলো-কেউ কাউকে বলে স্বাস্থ্য বিধি মানাতে পারবে না সব সময়।

মানু’ষকে নি’জ প’রিবারের স্বার্থে হলেও নিজেকে সচেতন হতে হবে। তা না হলে কারো আশা করা বোকামি হবে এবং সামনে উপজেলাবাসীর জন্য খারাপ সংবাদ বয়ে আনবে।’

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony