ই’ফতারের পূ’র্ব মু’হূর্তে প্যা’রালাইজড শা’শুড়িকে রা’স্তায় ফে’লে গেল দুই পু’ত্রবধূ!

ফেনী: ফেনীর সোনগাজীতে প্যা’রালাইজড বৃ’দ্ধা (৭৫) শাশুড়িকে রাস্তায় ফে’লে গেছেন তার দুই পুত্রবধূ। শনিবার সন্ধ্যায় উপজে’লার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের সুজাপুর গ্রামে লোমি মিয়াজী বাড়ির পুত্রবধূরা এই ঘটনা ঘটায়। খবর পেয়ে এলাকার চেয়ারম্যান রবিউজ্জামান বাবু বৃ’দ্ধাকে উ’দ্ধার করে পুনরায় ঘরে তুলে দেন।
<
এলাকাবাসী জানায়, মৃ’ত হোসেন আহম্মেদের স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৭৫) প্যারালাইজডসহ কয়েকটি রো’গে আক্রা’ন্ত হয়ে দীর্ঘদিন যাবত মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। তার দুই ছেলে মো. মোস্তফা ও মো. ফারুক হোসেন সৌদি প্রবাসী। দীর্ঘদিন ধ’রে মোস্তফার স্ত্রী পারভিন আক্তার ও ফারুকের স্ত্রী লিপি আক্তার তার সেবা যত্ন করলেও ক’রোনা প’রিস্থিতিতে ঔষধ কেনা ও সেবাযত্ন অনেকটা বন্ধ করে দিয়েছেন।
<
শনিবার শা’রীরিক অবস্থার অবনতি হলে দুই পুত্রবধূ তাকে ফেনী-সোনাগাজী সড়কের নির্জণ স্থানে রেখে চলে আসে। ইফতারের পূর্ব মু’হূর্তে তিনি রাস্তায় বসে কা’ন্নাকা’টি করছেন দেখে স্থানীরা ইউপি চেয়ারম্যানকে খবর দেয়। চেয়ারম্যান নিজ দায়িত্বে বৃ’দ্ধাকে পঞ্চায়েত কমিটির মাধ্যমে তার বাড়িতে নিয়ে যান এবং পুত্রবধূদের কাছে এর কারণ জানতে চান। পরে তারা ভু’ল স্বীকার করে শাশুড়িকে আবার ঘরে তুলে নেন। এরপর ইউপি চেয়ারম্যান এক মাসের খাদ্য সামগ্রী ও বৃ’দ্ধাকে নতুন শাড়ি কিনে দিয়ে ঘরে তুলে দেন এবং দুই ছেলেকে বিদেশে ফোন করে শাসিয়ে দেন। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) এসআই জহির উদ্দিন
<
দীর্ঘ ১৯ বছরের চাকরিজীবনে প্রতি মাসে সংসারের খরচ শেষে পবিত্র হজের জন্য কিছু টাকা জমিয়ে রাখতেন। জমাতে জমাতে প্রায় দুই লক্ষ টাকা হয়। চলমান ক’রোনায় অভাবগ্রস্তদের ক’ষ্ট দেখে সে টাকা তাদের মাঝে দান করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

গত এক সাপ্তাহ ধরে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ ও নিজ জন্মস্থান নোয়াখালী জে’লার কবিরহাট উপজে’লায় কয়েকশ’ পরিবারের মাঝে উপহার স্বরূপ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ প্রদান করেছেন তিনি।
<
তার আগের কর্মস্থল রামগঞ্জ উপজে’লা এবং নিজ জন্মস্থান নোয়াখালী জে’লার কবিরহাট ও বর্তমান কর্মস্থল রাঙ্গামাটিতে ক’রোনা পজিটিভ রো’গীসহ ২৫০টি দুঃস্থ পরিবারের মাঝে দুই লক্ষ টাকার খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

এছাড়া তিনি রামগঞ্জ উপজে’লায় দায়িত্ব পালনকালে নিজের বেতনের কিছু টাকার সাথে বিত্তবানদের কাছ থেকে আরও কিছু সহযোগিতা নিয়ে একাধিক পঙ্গু ও অ’সহায় মানুষের চিকিৎসা শেষে ঘর নির্মাণ, ব্যবসা

প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে দিয়েছেন। নানাভাবে সাহায্য করেছেন অ’সহায়দের। যার জন্য রামগঞ্জে মানবতার

ফেরিওয়ালা নামেও ডাকা হয় এই পুলিশ কর্মকর্তাকে।

এসআই জহির উদ্দীন বলেন, টাকাগুলো হজের জন্য সঞ্চয় করেছিলাম। ভেবেছিলাম পরিবার নিয়ে হজ করব। কিন্তু ক’রোনাভা’ইরাসেের প্রর্দুভাবে চোখের সামনেকর্মহীন অ’সহায় মানুষজন যেভাবে ক’ষ্ট পাচ্ছে, তা কিছুতেই সহ্য হচ্ছিল না। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম টাকাগুলো

দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াই। এতে মানুষগুলোর কিছুটা হলেও ক’ষ্ট লাঘব হবে।

তিনি বলেন, হজ্জের টাকা অ’সহায় মানুষদের জন্য ব্যয় করেছি। আল্লাহ খুশি থাকলে আগামীতে তিনিই আমার ও আমার পরিবারের হজ্জের ব্যবস্থা করে দিবেন।স্পোর্টস

ডেস্ক: খেলোয়াড়ি জীবনের মাঝেই ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। যাক

ডাকা হয় নড়াইলের ‘প্রিন্স অব হার্টস’ বা হৃদয়ের রাজপুত্র’ নামে, তার জন্য নির্বাচনে জয় পাওয়া তেমন বড় ঘটনা ছিল না। সহজেই নড়াইল-২ এর সং’সদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
<
২০১৯ সালের বিশ্বকাপের কারণে শুরুতে তেমন সময় দিতে পারেননি নিজের নির্বাচনী এলাকায়। তবে বিশ্বকাপের পর থেকে বলা চলে নড়াইলের মানুষের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন মাশরাফি। বিশেষ করে

চলতি ক’রোনাভা’ইরাসে পরিস্থিতিতে সারাদেশের জন্যই এক রোলমডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন মাশরাফি।

নড়াইলে নিজ উদ্যোগে ‘ডোর টু ডোর’ চিকিৎসা সেবা অর্থাৎ রো’গীর ডাক্তারের কাছে যেতে হবে না, ডাক্তারই যাবেন রো’গীর কাছে- এমন সেবা শুরু করেছেন। পুরো

নড়াইলে জী’বাণুনাশক কক্ষ স্থাপন করেছেন কয়েক জায়গায়। সহজে ধান কা’টার জন্য উপহার দিয়েছেন দুইটি অত্যাধুনিক ধান কা’টার মেশিন।
<
মাশরাফির এমন সব উদ্যোগের পর আশাবা’দী মানুষের মনে ইচ্ছে জাগে, তাকে দেশের আরও বড় কোন দায়িত্বে দেখার। কিন্তু মাশরাফি নিজে এ বি’ষয়ে কী ভাবেন? শুধু

একজন সং’সদ সদস্যই থাকবেন নাকি মন্ত্রী পরিষদের সদস্য হওয়ার ব্যাপারে কিছু ভেবেছেন তিনি?

এমন আলোচনা এলেই সবাই চিন্তা করেন মাশরাফি হয়তো ভবি’ষ্যতে ক্রীড়া ম’ন্ত্রণালয়ের সদস্য হবেন। তাই

তার ব্রেসলেটের নিলামের লাইভে খানিক ভিন্ন আঙ্গিকে প্রশ্ন করা হয়েছে, ক্রীড়া ম’ন্ত্রণালয় বাদে অন্য কোন মন্ত্রীত্বের প্রস্তাব পেলে কী করবেন?

প্রশ্নটি শুনে মাশরাফি দারুণ জবাব দেন নিজের গভীর জীবনদর্শন সহকারে। জানান তিনি কখনওই বেশি দূরের কথা ভাবেন না। বর্তমানে যা আছে সেটিই ঠিকঠাক করার

চেষ্টা করেন। আর এ কারণেই এখন তিনি নড়াইল-২ আসনের কাজের ব্যাপারেই চিন্তার করছেন শুধু।

মাশরাফি বলেন, ‘আসলে আমার এরকম কোন… আমি ক’ষ্ট করতে পছন্দ করি, তবে কোন আশা নিয়ে নয়। বাংলাদেশ দলে যখন খেলেছি, তখন আমাদের সব ক’ষ্টের সামনে ছিল দলের জয়। কিন্তু যদি ব্যক্তিগতলক্ষ্যের কথা বলেন, তাহলে আমি কখনও অমনভাবে লক্ষ্য ঠিক করি না।’

নিজ আসনের মানুষদের ভালো রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি, ‘যে জিনিসটা চিন্তার প্রয়োজন নেই, আমার আয়ত্বে নেই, সে জিনিসটা আমি চিন্তা করি না। তাই অমন কোন

 

চিন্তা আমার নেই। আমাকে যে দায়িত্বটুকু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন, নড়াইল-২ এর… আমি নিজের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করছি মানুষদের ভাল রাখার।’
<
তিনি ইতি টানেন এভাবে, ‘এত কিছু বলার কারণ হলো, আপনি যে প্রশ্নটা করলেন… আমি আসলে এত বড় কিছু, এত দূরে তাকাই না। আমার যেটা আছে, সেটার মধ্য থেকেই কিছু করার চেষ্টা করছি। আর এত বড় কিছু ভাবার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।’

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *