1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-

ই’ফতারের সংযমের অ’পূর্ব নিদর্শন।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১০ মে, ২০২০
  • ৭৮ সংবাদটি দেখা হয়েছে

মহান রাব্বুল আলামিনের প’ক্ষ থেকে সাধনা পিয়াসী মুমিনদের জন্য বিশেষ উপঢৌকন হল ইফতার। যা ইসলামের নিদর্শন।

প্রিয়নবী সা. এর সুন্নাত ও দয়াময় স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।সিয়াম সাধনায় ইফতারের গুরুত্ব অপরিসীম।

ই’ফতারে র’য়েছে সংযম, প্রবৃত্তি দমন ও খোদাভীতি। সারাদিন সিয়াম সাধনায় রত থেকে ক্ষুধা ও তৃষ্ণার্ত অবস্থায় ইফতার সামনে নিয়ে অপেক্ষা করা কী যে আনন্দের, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

এ ব্যা’পারে রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, রোজাদারের জন্য দুটি বিশেষ আনন্দের সময় রয়েছে।এ’ক. ই’ফতারের সময়, দুই. মহান প্রভর দীদার লাভের সময় (বুখারী)।

হ’যরত ইবনে ওমর রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. যখন ইফতার করতেন- তখন বলতেন, আমার তৃষ্ণা নিবৃত্ত হয়েছে, আমার শিরা-উপশিরা সিক্ত হয়েছে এবং আল্লাহর ইচ্ছায় আমার পুরস্কারও নির্ধারিত হয়েছে (আবু দাউদ)।প্রিয় পাঠক! ইফতারের সময় হওয়া মাত্র দ্রুত ইফতার গ্রহণ করা সুন্নাত।

প্রিয়নবী সা. অত্যন্ত আগ্রহ ও ব্যাকুলতার সাথে ইফতার গ্রহণ করতেন এবং ইফতারের সময় হলে দ্রুত ইফতার করতেন। নবী আদর্শের প্রতিচ্ছবি সাহাবায়ে কেরামও সর্বদা তাড়াতাড়ি ইফতার করতেন এবং দেরিতে সাহরী করতেন।

হযরত রাসূলুল্লাহ সা. আ’রো ইরশাদ করেন, মানুষ যতদিন তাড়াতাড়ি ইফতার করবে ততদিন কল্যাণের মধ্যে থাকবে (বুখারী)।

সা’হাবীগণ আরজ করলেন- হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের সবার তো আর রোজাদারকে ইফতার করানোর সামর্থ্য নেই। প্রিয়নবী সা. বললেন, আল্লাহ তাকেও এই সাওয়াব দান করবেন, যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে এক ঢোক দুধ অথবা একটা খেজুর কিংবা এক চুমুক পানি দ্বারাও ইফতার করাবে।

আ’র যে তৃপ্তিসহকারে ইফতার করাবে, আল্লাহ তাকে হাউজে কাউসার থেকে এমনভাবে পানি পান করাবেন; ফলে সে জান্নাতে প্রবেশ না করা পর্যন্ত আর তৃষ্ণার্ত হবে না।

লেখক: মুফতি হেলাল উদ্দীন হাবিবী

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony