ই’মামের স্ত্রী’কে টে’নে বিলে নিয়ে গেল যুবলীগ নেতার তিন দেহরক্ষী।

ঢা’কার কে’রানীগঞ্জে এবার মসজিদের ইমাম সাহেবের স্ত্রীকে শ্লী’লতাহা’নির অ’ভিযোগ উঠেছে এক যুবলীগ নেতার তিন দেহরক্ষী ও তার ড্রাইভারের বি’রুদ্ধে।

ঘ’টনাটি ঘ’টেছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কলাতিয়া ইউনিয়নের জৈনপুর গ্রামে।

অ’ভিযোগকারী জৈ’নপুর মসজিদের ঈমাম হাফেজ মো. কামরুল ইসলাম জানান, আমি জৈনপুর জামে মসজিদের ঈমামতি করি এবং কলাতিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের একজন স্থায়ী বাসিন্দা।

আ’মার স্ত্রী একজন ডায়াবেটিসের রো’গী।

তা’রা আ’মার স্ত্রীকে খারাপ মেয়ে ভেবে বিলে নিয়ে শ্লী’লতাহা’নি, মা’রধর ও গালিগালাজ করে।

প’রে আ’মার স্ত্রী পরিচয় দিলে তারা আমার বাসার পাশের বাসায় জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পেরে সে ঠিক বলেছে।

এ’রপর ওরাই আমার স্ত্রীকে বাসায় নিয়ে এসে রেখে যায়।

আ’মি বা’ড়িতে এসে ঘটনা জানার পর মসজিদের সভাপতি মো. নুরুজ্জামান খানকে জানাই।

প’রে আ’মি ও সভাপতি আব্দুল বারেকের বাসায় গিয়ে তাদের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ করলে বারেক সাহেব বলেন, বি’ষয়টা আপনি কারো কাছে বলবেন না আমি নিজেই এর বিচার করে দেব এবং ২৪ এপ্রিল বিচারের তারিখ দেয়।

বা’রেক সা’হেব তা না মেনে বিচারের সময়ের আগে ২৩ এপ্রিলই বিচার বসায়।

বা’রেক সা’হেব একদিকে বিচার বসিয়ে অন্যদিকে পু’লিশকে খবর দিয়ে বিচারে আসা সালিশগণদের ছত্রভঙ্গ করে বিচার বানচাল করে দেয়।

এই চা’রজনের বি’রুদ্ধে আগে অনেক মা-বোনের ইজ্জত ন’ষ্ট করার অ’ভিযোগ আছে কিন্তু ক্ষমতাবান হওয়ায় এদের বি’রুদ্ধে কেউ কিছু বলতে পারে না।

প’রে আ’মি সুষ্ঠু বিচারের আশায় উপজে’লা চেয়ারম্যান, উপজে’লা নির্বাহী অফিসার, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পু’লিশ, কলাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, কেরানীগঞ্জ প্রেস ক্লাব বরাবর আবেদন জানালাম।

আ’মি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

তা’রা যে’ন আর কোনো মা-বোনের শ্লী’লতাহা’নি না করতে পারে সবার কাছে এই দাবি জানাই।

এ ব্যা’পারে ঢা’কা জে’লা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারেকের মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি খুবই ম’র্মান্তিক।

এ’র সুষ্ঠু বিচার হওয়া দরকার তা আমিও চাই।

ম’সজিদের ইমাম ও সভাপতি আমার কাছে ঘটনার দিন রাতে বি’ষয়টি অবগত করেন।

ত’খন আ’মি সভাপতিকে বলি আপনি এলাকার মুরব্বি বিচারটি আপনি করেন।

আ’মি করোনার জন্য বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ নিয়ে ব্যস্ত থাকি।

আ’মি ঘ’টনাটি শোনার পর নিজে ত’দন্ত করে দেখেছি ঘটনাটি সত্য এবং অ’ভিযুক্ত রিপন অ’পরাধী।

বা’কী তিনজন সেখানে থেকে নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে নিজেরাই বাড়িতে দিয়ে আসে।

অ’ভিযুক্ত রি’পনের বিচার অবশ্যই হোক সেটা আমিও চাই।

এ ব্যা’পারে ক’লাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান তাহের আলী বলেন, বি’ষয়টি খুবই ন্যাক্কারজনক।

দে’শের আ’লেম সমাজ ও মা-বোনেরা যদি এভাবে নাজেহাল হয় তাহলে আমরা আইএমএ যাহেলীর যুগে চলে যাব।

অ’ভিযুক্ত চা’র যুবক প্রতিদিনই সন্ধ্যার পরে নে’শা করে থাকে।

তা’রা ক্ষমতাসীন দলের এক নেতার ছত্রছায়ায় থাকার কারণে কেউ মুখ খুলতে চায় না।

আ’মরা য’খন অ’ভিযোগ পেয়েছি তা সুষ্ঠু ত’দন্ত করে এর কঠিন বিচার করব।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *