1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় নান্দাইলে করোনার টিকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় প্রাণ হারালো স্কুল ছাত্রী’র সহ-সভাপতির পিতার মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের শোক প্রকাশ সেবা সপ্তাহ-২০২২  উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃক র‍্যালি জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপিত ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে চেক বিতরণ কিশোরগঞ্জে জমকালো আয়োজনে উৎযাপন করা হলো মহামান্য রাষ্ট্রপতির ৭৯তম জন্মদিন কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে মহামান্য রাষ্ট্রপতি’র জন্মদিন পালন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আমাকে মনোনয়ন দিতে প্রধানমন্ত্রীকে বলেন; প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বিনা হিসেবে যারা জান্নাতে যাবে কিশোরগঞ্জে কিডস এন্ড মাদার্স ফ্যাশন লিমিটেডের শোরুম উদ্বোধন

এইমাত্র পাওয়া: আর না বেড়ে দেশে ক’রোনা ধীরে ধীরে কমতে থাকবে।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০
  • ১২১ সংবাদটি দেখা হয়েছে

বাংলাদেশে গ’ত ১৫ দিন যাবত করো’না সংক্রমণ পরিস্থিতি একইরকম। সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হা’জারের মধ্যে করো’না আ’ক্রান্তের সংখ্যা ঘো’রাফেরা করছে এবং ৩০ থেকে ৪০ জনের মধ্যে প্রতিদিন মৃ’ত্যু ঘটছে।

এই পরিস্থিতিতে অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও কিছু কিছু বি’শেষজ্ঞ মনে করছেন যে, করো’না বাং’লাদেশে এখন পিক সিজন পার করছে।সামনে আম’রা সুখবর পেতে যাচ্ছি যে, বাংলাদেশের করো’না পরিস্থিতি আস্তে আস্তে কমতে থাকবে।

এর কারণ হিসেবে তাঁরা যে যু’ক্তিগুলো দিচ্ছেন তাঁর মধ্যে রয়েছে-সংক্রমণ বাড়লে এখন জ্যামিতিক হা’রে বাড়ত: বাংলাদেশে করো’না সংক্রমণ গত দুই সপ্তাহ যাবত একই রকম চলছে।

শতকরা হিসেবে ২০ থেকে ২২ শতাংশের ভেতরে ঘোরাফেরা করছে। অর্থাৎ এইরকম পরিস্থিতিতে যদি করো’না পিকে না থাকতো তাহলে বাংলাদেশে এই সং’ক্রমণের হার এবং সংখ্যা দুটোই অনেক বাড়তো।

সা’ধারণত দেখা যায় যে, সংক্রমণ তিন হাজার অ’তিক্রম করার পর একটা উলম্ফন দেখা যায়। এ’কদিনে পাঁচ হাজার বা সাত হাজার এভাবে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে যেহেতু গত ১৫ দিন যাবত একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে, সেই কারণে এটা বলা যায় যে, বাংলাদেশে এখন পিক সময় চলছে।

ত’বে পিক সময় কতদিন পর্যন্ত থাকবে তা বলা সম্ভব নয়। হ’য়তো এই মাসের পুরো সময় থাকবে বা আরো ৭ দিন থাকবে, এরপরে সংক্রমণের হার আস্তে আস্তে কমতে শুরু করবে।

কম পরীক্ষা: বাংলাদেশের কম পরীক্ষার কারণে সংক্রমণের মা’ত্রাটা বোঝা যাচ্ছে না। অনেক মানুষ প’রীক্ষা করছে না, অনেকে নিজেদের পরীক্ষা থেকে দূ’রে রাখছে। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশে আসলে কত সংক্রমণ বা কি পরিমাণ আ’ক্রান্ত তা বোঝার কোন উপায় নেই।

এই কারণে মনে করা হচ্ছে যে, বাংলাদেশে হয়তো অনেক করো’না আ’ক্রান্ত আছে যারা পরীক্ষা ক’রাতে পারছে না বা আ’ক্রান্ত হয়েও উপসর্গ না থাকায় নি’জেরাও বুঝতে পারছে না।এরকম পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে একটি ব্যাপক সামাজিক সংক্রমণ ছড়িয়ে গেছে।

এখন আম’রা লকডাউন দেই বা না দেই সামাজিক সং’ক্রমণ আর খুব বেশি বাড়তে পারবে না। কিছু কিছু মানুষ সং’ক্রমিত হওয়ার পর নিজের অজান্তেই সেরে উঠেছেন এবং এক ধরণের হার্ড ইম্যুউনিটি তৈরি হয়েছে।

এই বা’স্তবতাকে করো’না সংক্রমণ কমা’র লক্ষণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।মৃ’ত্যুর হার একই: বাংলাদেশে করো’না সংক্রমণ জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেলেও মৃ’ত্যুর হার একই আছে।

অন্যান্য দে’শগুলোতে শ’নাক্তের সংখ্যা ১ লাখ অ’তিক্রম করার পর যেভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে মৃ’ত্যুর সংখ্যা বেড়েছিল, বাংলাদেশে সেভাবে বাড়ছে না।

এটাকে চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং এটার মানে হলো যে, বাংলাদেশে করো’না সংক্রমণের হার যাই হোক না কেন মৃ’ত্যুর সংখ্যায় আর উলম্ফন হবেনা। হঠাৎ করে মৃ’ত্যুর হার বেড়ে যাবেনা। অর্থাৎ বাংলাদেশে মৃ’ত্যুর হার এটাই চূ’ড়ান্ত।

এ’রপর বাংলাদেশে মৃ’ত্যুর হার আস্তে আস্তে কমতে থাকবে কারণ আম’রা আমাদের সংক্রমণের চূড়ান্ত সী’মায় চলে এসেছি।এই সমস্ত বাস্তবতাগুলোকে বিশ্লেষণ করে বিশ্লেষকরা বলছেন যে, বাংলাদেশে আসলে কতজন আ’ক্রান্ত বা মৃ’ত্যুবরণ করেছে তাঁর থেকেও বড় কথা হচ্ছে আমাদের পরীক্ষার বাইরে একটি বিরাট জনগোষ্ঠী আছে।

যেহেতু এপ্রিলে আম’রা সবকিছু খুলে দিয়েছিলাম, ঈদে দো’কানপাট খোলা হয়েছে- সেই বাস্তবতায় বাংলাদেশে ব্যাপক সামাজিক সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে।

এখন নতুন করে সামাজিক সংক্রমণ বিস্তারের স’ম্ভাবনা কম এবং একটি পর্যায়ে গিয়ে সামাজিক সংক্রমণের চূড়ান্ত সীমা অ’তিক্রম করবো এবং সেখান থেকে ধী’রে ধীরে সংক্রমণের হার কমতে থাকবে।

সেই বাস্ত’বতায় ম’নে করা হচ্ছে যে, আগামী জুলাই মাস জুড়ে করো’না সংক্রমণ এই রকম অবস্থায় বা এর থেকে একটু কম থাকবে এবং আগস্ট থেকে তা কমতে থাকবে। সেপ্টেম্বর নাগাদ বাংলাদেশে করো’না পরিস্থিতি একটি স্বাভাবিক অবস্থায় আসবে বলে অনেকেই আশা করছেন।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony