এক বি’প্লব আ’সছে বাংলাদেশ রে’লওয়েতে

বাংলাদেশ রে’লওয়েতে এক বড় বি’প্লব আসছে বলে জা’নিয়েছেন রেল মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত স’চিব মাহবুব কবীর মিলন।

গতকাল (রবিবার) সা’মাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফে’সবুকে এক পো’স্টের মাধ্যমে এ কথা জানান তিনি।

 

ওই ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন,

“এই বছরেই রেলের প্রায় ১৫ হাজার শুন্য পদের নিয়োগ আসছে ইনশাআল্লাহ। তা’রপরেই হয়ত প্রায় বি’শ হাজারের বেশি নতুন জনবল।

 

ধন্যবাদ মা’ননীয় প্রধানমন্ত্রীকে। তাঁর ঐকান্তিক আগ্রহ আর সদয় ইচ্ছায় রেল পাচ্ছে এক বিশাল কর্মীবাহিনী।

 

ধন্যবাদ মা’ননীয় রেলমন্ত্রী, সচিব, ডিজি মহোদয় সহ মন্ত্রণালয় এবং রেল অধিদপ্তরের সকলকে।

 

এক বিপ্লব আসছে বাংলাদেশ রেলওয়েতে ইনশাআল্লাহ।”এছাড়া ফেসবুক পো’স্টটিতে তিনি নি’রাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিয়োগবোর্ডে সভাপতির দায়িত্ব পালনের স’ময়কার একটি অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন।

 

তিনি জা’নান, নিয়োগ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ রা’খতে পরিবারের কাউকেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির কথা ব’লেননি তিনি।

এ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন,

“আমার উপর অতি নিকট আত্মীয় স্বজনদের মন খুব খারাপ। তার মধ্যে পরিবার সহ স্বশুর পক্ষ।

ভাই সহ বাবা মা অন্যতম। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রায় ২০৮ জন কর্মকর্তা কর্মচারির নিয়োগ হয়েছিল দুইবারে।

প্রথমে কর্মচারি, পরে কর্মকর্তা। আমি ছিলাম নিয়োগ কমিটির সভাপতি।

দুইবারেই পেপারে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা থেকে শুরু করে লিখিত পরীক্ষার দিন পর্যন্ত আমার চোদ্দগুষ্টির কাউকে বলিনি।

কেউ জানে না আমাদের অফিসে নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হচ্ছে বা হবে।

ফলাফল আমার পরিবার, আত্মীয় স্বজনরা কেউ আবেদন করার সুযোগই পায়নি।

”এসময় তিনি পরিবারের কাউকে না জানানোর দুটো কারণ উল্লেখ করে লেখেন, “এটা নিয়েই সবার আক্ষেপ আমার উপর।

 

কেন আমি সুযোগটা নিজেদের মধ্যে দিলাম না। তদ্বির না হোক, আবেদন করার সুযোগটা তো অন্তত পেত। দেইনি সে সুযোগ।

প্রথম কারণ যোগ্যতাবলে পরিবারের কেউ চাকরি পেলেও সে এবং আর সবাই মনে করত আমার কারণেই সে চাকরি পেয়েছে।

যদি মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হত, তাহলে সবাইকে বলে বেড়াত, আমি কমিটির সভাপতি হওয়া সত্বেও সে চান্স পায়নি বা আমি কোন সুবিধা দেইনি।

 

দুইটাই আমার জন্য অবমাননাকর। তাই একেবারেই গোপন করে গিয়েছিলাম নিয়োগের বিষয়টি নিজের পরিবারের কাছে।

”পোস্টটিতে তিনি তার সহকর্মীদের সততার বিষয়টি উল্লেখ করে লেখেন, “আমরা কমিটির সদস্য ছিলাম ৮ জন।

দুই পরীক্ষায় একজন সদস্যও বলেননি, তাঁর একজন ক্যান্ডিডেট আছে। আমরা কারো অনুরোধ রাখিনি। রাখার কোন সুযোগও ছিল না।

আগে থেকেই সে পথ আমরা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। ভাল নিয়োগ জন্ম দেয় সৎ এবং দক্ষ কর্মীবাহিনী।

 

”প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সব সেক্টরের দুর্নীতি বন্ধ করতে ১০ জন অফিসার নিয়ে বিশেষ উইং করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট অনুরোধ করেছিলেন রেলের এই অতিরিক্ত সচিব।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *