এ’বার যৌ’ন শ’ক্তি বাড়াতে স্বামী-স্ত্রী’র কা’ণ্ড।

বি’দেশি এক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, প্রেমের জোয়ারে ভাসতে গিয়ে এক দম্পতি নিজেদের ওপর ট্রাই করে ফেললেন ৭ রকমের পিল। দম্পতি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বহুদিন ধরেই আমাদের জীবনে ভাটা পড়েছিল। কিছুতেই আম’রা কেউ-ই আগ্রহ নিচ্ছিলাম না।

এ’ই কারণে আমাদের বৈবাহিক জীবনে অশান্তিও ছিল।এক পর্যায়ে আম’রা শক্তিবাড়ানোর জন্য পিল গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেই। আম’রা প্রথমে এক ধরণের পিল ব্যবহার করেছিলাম।কিন্তু সেটিতে কোনও কাজ হচ্ছিল না।শেষমেশ দম্পতি নতুন একটি প্ল্যান করলেন৷ এক রাতেই খেয়ে ফেললেন ৭ রকমের ৭টি পিল৷ যার মধ্যে ভা’য়াগ্রাও ছিল। দম্পতি জানালেন, ৭ রকম ওষুধ খাওয়ার পর তুফান উঠেছিল বিছানায় ৷

এ’করাতে প্রায় ১২ বার সঙ্গমেলিপ্ত হয়েছিলাম আম’রা।বহুদিন ধরেই যৌ’নজীবনে ভাটা পড়া এক দম্পতি প্রেমের জোয়ারে ভাসতে গিয়ে কী’ কা’ণ্ডটাই না করে ফেললেন। বিছানায় মা’রকা’টারি পারফরম্যান্স দেখাতে গিয়ে গিলে ফেললেন ৭ রকমের ৭টি পিল!ঘটনাটি ঘটেছে সুদূর আমেরিকায়।আরো পড়ুন, ভারতের প্রতি ১০ জন নারীর সাতজনই পুরুষদের ধোঁকা দেন বলে দাবি করা হয়েছে এক গবেষণায়।

গ্লি’ডেন নামের এক এক্সট্রা ম্যারিটাল অ্যাপের করা জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ওই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বেঙ্গালুরু, কলকাতা, মুম্বাইয়ের মতো শহরে বিবাহিত নারীদের বহুগামিতা চোখে পরার মতো।ভারতে অ্যাপটির মোট ৫লাখ ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৩০ শতাংশই নারী। এই নারীদের ৭৭ শতাংশ জানিয়েছেন তারা এই অ্যাপ ব্যবহার করে জীবনে নতুনত্বের স্বাদ নিয়ে এসেছেন যা আর তারা নিজেদের বিবাহিত জীবন থেকে পান না ৷ ২০০৭ সালে প্রথম বাজারে আসে এই অ্যাপ।

২০১৭ সা’লে এটা ভারতে লঞ্চ হয় এটি। আদম এবং হাওয়া (আ.)’র মাধ্যমেই এই পৃথিবীতেমানব বসতির সূচনা, যা আজো অব্যাহত আছে। পুরুষ এবং নারী হচ্ছে মানুষের দুটি সত্তা। শারীরিক গঠন, আচার আচরণ এবং অনুভূতির দিক দিয়ে এরা আলাদা দুটি অস্তিত্ব। নারী পুরুষ একে অ’পরের পরিপূরক, একে অ’পরের সহযোগী এবং একে অ’পরের ওপর নির্ভরশীল। নারী ছাড়া পুরুষের জীবন যেমন অর্থহীন, ঠিক পুরুষ ছাড়া নারীর
জীবনও অর্থহীন। পুরুষের জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নারীর এবং নারীর জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পুরুষের।

পু’রুষ এবং নারীর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ, ভালবাসা এবং পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সৃষ্টিগত, চিরন্তন এবং শ্বাশ্বত। পুরুষ এবং নারীর পারস্পরিক আকর্ষণ থেকেই সৃষ্টি হয় ভালবাসা। সেই ভালবাসাকে স্থায়ী রূপ দিতেই একজন পুরুষ এবংএকজন নারী পরস্পরকে বিয়ে করে আর এর মাধ্যমেই শুরু করে নতুন জীবন, যাকে আম’রা সংসার বলি। পুরুষ-নারীর যৌথজীবন, একসাথে বসবাস, একসাথে পথচলাই সংসার জীবনের ধ’র্ম। এতেই জীবনের পূর্ণতা। নারী পুরুষের পারস্পরিক ভালবাসায় সৃষ্টি হয় নতুন প্রাণ, সংসারে জন্ম নেয় নতুন মানুষ।

স’ন্তানের জন্মে নতুন আনন্দে ভরপুর হয় স্বামী স্ত্রী’রমন, সংসার হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।সন্তানকে ঘিরেই পিতা-মাতা বুনে নতুন স্বপ্ন। এভাবেই বয়ে চলে জীবনের নদী। সংসার যদি সুখের হয়, তাহলে মানুষের জীবনও সুখের হয়। আর সংসার যদি দুঃখের হয়, তাহলে জীবনেও দুঃখ নেমে আসে। সংসারযদি ভেঙ্গে যায়, তাহলে সংসারের সকল মানুষের জীবনেই বিপর্যয় এবং অশান্তি নেমে আসে।

সু’তরাং যে কোনো উপায়ে সংসারে সুখ প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং তাকে স্থায়ী করতে হবে। তার জন্য সংসারকে টেকসই, মজবুত এবং দীর্ঘস্থায়ী রূপ দিতে হবে। অ’তএব সংসারের ভাঙন নয়, বরং জোড়া লাগাতে হবে।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *