ক’ম বা বেশি, প্রত্যেক রা’তেই আমাকে ধ’র্ষণ করা শু’রু হলো।

রু’বি মেরির জন্ম হয়েছিল ব্রিটেনের সাউথ ওয়েলসে, যেখানে তার চমৎকার শৈশব কে’টেছে। কিন্তু সবকিছুই বদলে গেলো যখন সে সাবালিকা হলো।মাত্র ছয় সপ্তাহ আমাদের বাংলাদেশে থাকার কথা ছিল, কিন্তু সেটা হয়ে গেলো দুইমাস। এরপরে তিনমাস, তারপরে ছয়মাস। আমরা সবাই বাড়ি আসার জন্য অস্থির হয়ে উঠলাম।’

বি’বিসি বাংলা অনলাইনকে বলছেন মেরি।যেমন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ৩৫ বছরের রুবি মেরি বলছেন, ‘এটা কঠিন, কারণ সবাই তার পরিবারকে ভালোবাসে…কিন্তু শেষ পর্যন্ত যেকোনো নি’র্যাতন আসলে নি’র্যাতনই।’জো’রপূর্বক বিয়ের শি’কার হওয়ার সেই পরিস্থিতি নিয়ে রুবি মেরি বর্ণনা করছিলেন যে, প্রায় প্রতিদিনই তিনি ধ’র্ষণের শি’কার হতেন, যাতে তার নতুন স্বামী দ্রুত একটি বাচ্চার পিতা হতে পারেন এবং যুক্তরাজ্যে থাকার সুযোগ পান।

আ’মি এরপর যেন একটা দরাদরির পণ্যে পরিণত হলাম। বললেন রুবি মেরি।আমি এরপর যেন একটা দরাদরির পণ্যে পরিণত হলাম। একজন করে আমার চাচারা এসে আমাকে দেখে যেতে লাগলো আর তারা যেন আমার দর করতে লাগলো। এটা ছিল ভয়াবহ একটা ব্যাপার।

এ’কজন ক্রীতদাসীর মতো ব্যবহার করা হচ্ছিল আমার সাথে।’দ্বিগুণ বয়সের একজন ব্যক্তির সঙ্গে জো’র করে মেরির বিয়ে দেয়া হলো। বিয়ের দিন অনেক মানুষ তাকে দেখতে এসেছিল।কম বা বেশি, প্রায় প্রত্যেক রাতেই আমাকে ধ’র্ষণ করা শুরু হলো, আমি যাতে তাড়াতাড়ি গর্ভবতী হতে পারি, যাতে তার (স্বামী) ব্রিটেনে আসার একটি পথ তৈরি হয়। এটাই ছিল তাদের পরিকল্পনা।

রু’বি মেরি গর্ভবতী হন এবং বাচ্চা জন্ম দেয়ার জন্য ওয়েলসে ফিরে আসেন। শি’শুটির জন্মের পরেই তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।এখন জো’রপূর্বক বিয়ের বি’রুদ্ধে মানুষজনকে সচেতন করার জন্য একজন দূত হিসাবে কাজ করছেন রুবি মেরি।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *