ক’রোনায় রক্তনালি অ’চলে মৃ’ত্যু ঠেকানোর প’থ আছে দেশেই।

ক’ভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার উন্নত বিশ্বে ষাটোর্ধ্ব মানুষের মধ্যে বেশি হলেও বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র। দেশে এ পর্যন্ত মৃতদের মধ্যে ৪২ শতাংশের বয়স ৬০ বছরের ওপরে। বাকি ৫৮ শতাংশের বয়স ৬০ বছরের নিচে।

স’রকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের সর্বশেষ চিত্র অনুসারে, ৬০ বছর বয়সের নিচে মৃতদের মধ্যে ৫১-৬০ বছরে ২৭ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ১৯ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৭ শতাংশ এবং বাকিরা এর নিচের বিভিন্ন বয়সের।

অ’বশ্য গতকাল রবিবার সরকারি বুলেটিনে যে ১৪ মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়েছে তাদের বয়স বিভাজনে দেখা গেছে, ১১-২০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে দুজন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৭১-৮০ বছরের মধ্যে তিনজন এবং ৮১-৯০ বছরের মধ্যে একজন।

অ’র্থাৎ ৬০ বছরের ওপরে ও নিচে মৃত্যু সমান সমান।রোগতত্ত্ববিদ ও আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ড. মুশতাক হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের পর্যবেক্ষণ বলছে ইউরোপ বা আমেরিকায় বয়স্ক মানুষ বেশি থাকায় সেখানে তাঁদের মৃত্যুহার বেশি। আমাদের দেশে ওই সব দেশের তুলনায় বয়স্ক মানুষ কম। ফলে মৃত্যুহার নিচের বয়সীদের মধ্যে বেশি প্রতীয়মান হচ্ছে।

এ ক্ষে’ত্রে নিচের বয়সের কিংবা যাদের তুলনামূলক পুরনো জটিল রোগ কম ছিল তাদের কেন মৃত্যু হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো আমরা পরিষ্কার কোনো স্টাডি করে উঠতে পারিনি।ড. মুশতাক বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এরই মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে শিশুর মৃত্যু পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে।

সে’খানে তারা বলেছে, অপেক্ষাকৃত কম বয়সীদের মধ্যে শুধু ফুসফুসের সংক্রমণ ছাড়াও শরীরের বিভিন্ন অংশে নানা ধরনের জটিল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় মৃত্যু বাড়ছে। করোনাভাইরাস শরীরের যেকোনো অংশেই আক্রমণ করছে বলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে।

স’ময়মতো যদি রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে বিষয়টি ধরার মতো সুযোগ করে দেওয়া যায় তাহলে রক্তনালির জমাট বাঁধা রক্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে তরল করে রক্ত পরিসঞ্চালন স্বাভাবিক করে নিয়ে আসা যায়। এতে মানুষের জীবন বেঁচে যায়।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *