1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জে কোরবানির ডিজিটাল পশুর হাট কুড়িগ্রাম জেলা যুবলীগের উদ্যোগে অন্ধ প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য বিতরণ কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিনামূল্যে শাক-সবজি বাজার উ‌দ্বোধন করিমগঞ্জ থেকে গাঁজা ও নগদ অর্থ’সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব আশরাফ আলী সোহান একজন তরুন উদ্যোক্তা সব্যসা‌চী লেখক ও ক‌বি ‌সৈয়দ শামসুল হ‌কের সমাধী‌তে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলী‌গের শ্রদ্ধা বাংলা’র শিক্ষক গাইছেন হিন্দিতে! কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক দানিস আর নেই হিয়া ইলেক্ট্রনিক্সকে অবাঞ্ছিতকরন প্রসঙ্গে কিশোরগঞ্জে বিশাল আকৃতির ষাঁড় নাম তার ভাটির রাজা; কুরবানিতে বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত

করোনা: ব্রিটেনে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঝুঁকিতে বাংলাদেশিরা

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০
  • ২৮ সংবাদটি দেখা হয়েছে

ইংল্যাণ্ডের জ’নস্বাস্থ্য দ’প্তর পিএইচই-এর এক জরিপে কভিড-১৯ সংক্রমণে ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মৃত্যুর উচ্চ ঝুঁকি সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

জ’রিপের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশেষত বয়স্ক মানুষ ও পুরুষদের ক’রোনাভা’ইরাসে মৃত্যুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

এর পর ব’লা হচ্ছে বয়’স ও লিঙ্গ বাদ দিলে করোনায় মৃত্যুর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি হচ্ছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের।

বলা হয়, ক’ভিড-১৯ আ’ক্রান্তদের কেসগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে বয়স, লিঙ্গ, আর্থ-সামাজিকভাবে বঞ্চিত অঞ্চল- এগুলোর প্রভাব বাদ দিলে দেখা যায়, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের কোভিডে মৃত্যুর ঝুঁকি শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশদের দ্বিগুণ।

প্র’তিবেদনটি ব’লছে, ব্রিটেনের কৃষ্ণাঙ্গ, চীনা, ভারতীয়, পাকিস্তানি ও অন্যান্য এশীয়দের মতো জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর লোকদের করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি।

জ’রিপটির মূ’ল বক্তব্যে আরো বলা হয়, কিছু পেশা যেমন নিরাপত্তারক্ষী, ট্যাক্সি বা বাসচালক, স্বাস্থ্যকর্মী, সমাজকর্মী- এদের করোনাভাইরাসে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি।

বি’জ্ঞানীরা দে’খেছেন, কৃষ্ণাঙ্গ ও দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে টাইপ টু ডায়াবেটিস এবং হাইপারটেনশন (উচ্চ রক্তচাপ) শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় বেশি দেখা যায়। তাঁদের মতে, এই দুটি স্বাস্থ্য সমস্যাই তাঁদের কভিড সংক্রমণে গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

দে’খা গেছে, কৃ’ষ্ণাঙ্গ ও এশীয়দের মধ্যে যারা করোনায় মারা গেছেন তাঁদের মধ্যে আগে থেকে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় বেশি ছিল।

কেম্ব্রিজের অ্যাংলিয়া রা’স্কিন বি’শ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা যায়, দেহে ভিটামিন ডি-এর স্বল্পতার সঙ্গে কভিড-১৯এ মৃত্যু ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে ২০টি ইউরোপীয় দেশে।যুক্তরাজ্যে কৃষ্ণাঙ্গ ও এশীয়দের মধ্যে ভিটামিন ‘ডি’-এর স্বল্পতা খুবই সাধারণ ঘটনা।

যেসব দে’শে রো’দ কম পাওয়া যায় সেসব দেশেও তাই। ওএনএসের জরিপেও একই রকম কথা বলা হয়েছিল।কিছুদিন আগেই ব্রিটেনে ব্রিটেনের জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর ওএন এস এক জরিপে প্রায় একই ধরনের ফলের কথা বলেছিল।

তা’তে বলা হয়, ক’রোনাভা’ইরাস সংক্রমণে কৃষ্ণাঙ্গদের মৃত্যুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি- শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় ১ দশমিক ৯ গুণ। তার পরই আছেন বাংলাদেশিরা- তাঁদের মৃত্যু ঝুঁকি শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় ১ দশমিক ৮ গুণ।ও

ই জ’রিপেও ব’লা হয়েছিল, স্বাস্থ্যগত সমস্যা, বসবাসের পরিবেশ এবং পেশা- এ সবকিছুই এই উচ্চ মৃত্যুহারের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। এর কারণ জটিল।ম্যানচেস্টারে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এনাম হক।

তিনি ব’লেন, ‘কৃ’ষ্ণাঙ্গ ও এশীয়দের মধ্যে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বেশি দেখা যায় এজন্য তাদের কভিড সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি।’তবে ডা. হক আরো বলেন, এসব উপাত্ত দিয়ে পুরো ব্যাপারটি ব্যাখ্যা করা যায় না।

তিনি ব’লেন, ‘স্বা’স্থ্যের পেছনে যে সামাজিক কারণগুলো থাকে সেগুলো আমার মতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ তাঁর মতে, কৃষ্ণাঙ্গ ও দক্ষিণ এশীয়রা ব্রিটেনে যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশে থাকে সেটাই তাদের গুরুতর কভিড সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

ডা. এনাম হকের চাচা ডা.মঈন উদ্দিন বাং’লাদেশের সি’লেটে করোনা সংক্রমণে মারা গেছেন।লন্ডনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আরেকজন চিকিৎসক ডা. আবদুল্লাহ জাকারিয়া বলেন, এর কারণ কি নৃতাত্ত্বিক বা জি’নগত কোনো বৈশিষ্ট্য নাকি আর্থ-সামাজিক-সাংসকৃতিক তা বলা কঠিন- এসব জরিপ থেকে তা এখনো পরিষ্কার হয়নি।

তবে জাকারিয়া বলেন, ‘এ’টি স্প’ষ্ট ব্রিটেনের বাংলাদেশি কমিউনিটির একটা বড় অংশ যে ধরনের কম মজুরির কাজ করেন তাতে তাঁদের বাস-ট্রেনের মতো গণপরিবহনে যাতায়াত করতে হয়, অন্য মানুষের সংস্পর্শে আসতে হয়।

ফলে তাঁদের ক’রোনায় আ’ক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সমাজের অপেক্ষাকৃত সচ্ছল অংশের চেয়ে বেশি।ডা. জাকারিয়া আরো বলেন, আরেকটি কারণ হলো বাংলাদেশিরা অনেকেই বড় পরিবার বা যৌথ পরিবারের সঙ্গে থাকেন। ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি এক্ষেত্রেও বেশি।

অনেকে দা’রিদ্র্যের কা’রণেও উপযুক্ত স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে পারেন না- এটিও একটা কারণ।জিনগত না সামাজিক?কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে কাজ করে এমন একটি প্রতিষ্ঠান উবেলে’র সমাজকর্মী মাইকেল হ্যামিলটন বলেন, জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিক হারে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর কারণ বায়োলজিক্যাল নাকি সমাজতাত্ত্বিক তা বলা অসম্ভব।

মাইকেল বলেন, পি’এইচই ব’লছে এটি একটি জটিল ব্যাপার। কিন্তু আসলে কারণ দুটোই। সামাজিক-অর্থনৈতিক কারণে আমাদের করোনা সংক্রমণের ঝুঁ’কি বেশি। অন্যদিকে শারীরবৃত্তীয় কারণে আমাদের এতে মারা যাওয়ার সম্ভাবনাও বেশি।ডা. এনাম হক জানান, তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা করোনা আতঙ্কে ভুগছেন।

তিনি বলেন, আ’মি নি’জে বাংলাদেশি পরিবার থেকে আসা। তাই একজন চিকিৎসক হিসেবে কাজ করাটা আমার জন্যও আতঙ্কজনক। কারণ আমার জাতিগত সংখ্যালঘু অনেক সহকর্মীকে আমি মারা যেতে দেখেছি।

অনেক বে’শি লো’ক এক বাড়িতেব্রিটেনে ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চালানো এক জরিপের পর ইংলিশ হাউজিং সার্ভে বলছে, এক বাড়িতে গাদাগাদি করে অধিক সংখ্যক লোক থাকার হার বাংলাদেশি পরিবারগুলোতে সবচেয়ে বেশি।

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony