ক’রোনা ভাই’রাস প্রতিরোধে মু’ফতি তাকি উসমানির নি’র্দেশনা।

চী’নের ম’হামা’রী রূপ নেওয়ার পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে প্রা’ণঘা’তী ক’রোনাভা’ইরাসে। সারা বিশ্বে ক’রোনায় মৃ’তের সংখ্যা ৩ হাজার ১১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই চিন্তিত গোটা বিশ্ব।

এ রো’গ থেকে মুক্তির জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক আবি’ষ্কার না হলেও সতর্ক থেকে রক্ষা পাওয়া যায় ক’রোনা ভাই’রাস থেকে।সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রখ্যাত আলেম ও সাবেক বিচারপতি মুফতি তাকি উসমানি ক’রোনা ভাই’রাস নিয়ে জরুরি এক ভিডিও বার্তা শেয়ার করেছেন। ভিডিওতে প্রা’ণঘা’তী এ ভাই’রাস থেকে বেঁচে থাকার পদ্ধতি বয়ান করেছেন তিনি।

আ’ওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্য বিশেষ মুফতি তাকি উসমানির বিশেষ বার্তাটি বাংলায় রুপান্তর করেছেন নুরুদ্দিন তাসলিম।সারা বিশ্বে দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ছে প্রা’ণঘাতি ক’রোনা ভাই’রাস। এ জাতীয় প্রা’ণঘাতি রো’গ সম্পর্কে আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন মানব সমাজে পাপা’চার বৃ’দ্ধি পায়। আল্লাহ তায়ালা তাদের মাঝে এমন সব বি’পদাপদ ও রো’গব্যাধি ছড়িয়ে দেন, যার নাম ইতোপূর্বে তাদের পূর্বপুরুষরাও শোনেনি।’

আ’ল্লাহ তায়ালা আমাদের এসব থেকে রক্ষা করুন।ক’রোনা সং’ক্র’মণের এ পরিস্থিতিতে আমাদের করণীয় হল, সর্বপ্রথম নিজের পাপা’চারে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহমুখী হওয়া। তওবা করা। বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া।সং’ক্র’মণ ব্যাধি থেকে রেহাই পেতে ইসলামের নির্দেশনা হল ডাক্তারের পরামর্শে এসব সং’ক্র’মণ ব্যাধির উপসর্গগুলো থেকে বেঁচে থাকা ও তা পরিত্যাগ করা।

সা’থেসাথে সর্বাত্মক সতর্কতা অবলম্বন করাও জরুরি।আ’ক্রান্ত এলাকার অধিবাসীদের জন্য রাসূল সাঃ এর নির্দেশনা হল, আ’ক্রান্ত এলাকার লোকজন যেন সে এলাকার বাইরে না যায়। বাহির থেকে অন্য কেউ যেন সে এলাকায় প্রবেশ না করে।দোয়ায়ে ইউনুস ‘ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ’ ‘ সাথে সুরা আহযাবের ১৩ নম্বর আয়াত ‘يَا أَهْلَ يَثْرِبَ لَا مُقَامَ لَكُمْ فَارْجِعُوا’ আয়াত বেশি বেশি পাঠ করা।

আ’শা করি, এতে ফলপ্রসূ সমাধান আসবে।ওমরা ফরজ বা ওয়াজিব কোন বিধান নয়। তাই বৃহত্তর স্বার্থ রক্ষার্থে সৌদি স’রকারের এ পদক্ষেপের বি’রোধিতা না করে তা মেনে নেওয়া উচিত।এদিকে হজের জন্য এখনো অনেক সময় বাকি রয়েছে। ইনশাল্লাহ আল্লাহ তায়ালা ততোদিনে পরিস্থিতি ঠিক করে দিবেন বলে আশা করি।

আ’র অবস্থার উন্নতি না হলে হজের সময় যখন ঘনিয়ে আসবে। হাজিদের হজে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে তখন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে অগ্রিম কিছু বলা সম্ভব নয়।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *