1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ৩৩৫ জন কর্মহীন পেল প্রধানমন্ত্রীর উপহার কিশোরগঞ্জে কোরবানির ডিজিটাল পশুর হাট কুড়িগ্রাম জেলা যুবলীগের উদ্যোগে অন্ধ প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য বিতরণ কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিনামূল্যে শাক-সবজি বাজার উ‌দ্বোধন করিমগঞ্জ থেকে গাঁজা ও নগদ অর্থ’সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব আশরাফ আলী সোহান একজন তরুন উদ্যোক্তা সব্যসা‌চী লেখক ও ক‌বি ‌সৈয়দ শামসুল হ‌কের সমাধী‌তে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলী‌গের শ্রদ্ধা বাংলা’র শিক্ষক গাইছেন হিন্দিতে! কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক দানিস আর নেই হিয়া ইলেক্ট্রনিক্সকে অবাঞ্ছিতকরন প্রসঙ্গে

কলা চাষ করেই স্বাবলম্বী শতাধিক পরিবার

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৯
  • ১৫৭ সংবাদটি দেখা হয়েছে

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে চরের বুকে কলা চাষ করে সাবলম্বী হয়েছে শতাধিক পরিবার। উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ওয়াপদা বাজার সংলগ্ন দুধকুমর নদীর চরের বুকে কলাবাগান করে সাবলম্বী হয়েছে পরিবারগুলো। অনাবাদি বালুচর এখন কলা বাগান নামেই বেশ পরিচিত স্থানীদের কাছে।

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, এ বছর উপজেলার বামনডাঙ্গা বেরুবাড়ি, রায়গঞ্জ, কচাকাটা, বল্লভেরখাস, কালিগঞ্জ, ভিতরবন্দসহ অন্যান্য ইউনিয়ন মিলে প্রায় ১শ ৬৫ একর জমিতে মেহের সাগর, সবরি ও অন্যান্য জাতের কলার চাষ হয়েছে। তারা কৃষকদের মাঝে গিয়ে বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতাও করছেন।

এছাড়াও রায়গঞ্জ ইউনিয়নের দামালগ্রাম এলাকায় ১ বিঘা জমিতে কলার প্রদর্শনী দিয়েছেন বলেও জানান তারা।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ৩ বছর আগে পরিত্যক্ত ২৫ বিঘা বালুচরে কলাবাগান করে খরচ পুষিয়ে প্রতিবছর লাভ হয়েছে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা, চলতি বছরে বন্যার ক্ষতি পুষিয়েও লাভ হয়েছে ৮ লাখ টাকা। তা দেখে স্থানীয় অনেকেই কলাচাষে আগ্রহী হচ্ছেন বলে জানান রফিকুল ইসলাম নামের এক কলাচাষী।

ইউসুফ আলী নামের আরেক কৃষক জানান, তারা কয়েকজন কৃষক মিলে এই চরাঞ্চলে প্রায় ১শ ৫০ বিঘা জমিতে ৬০ হাজারের উপর কলার চারা লাগিয়েছেন। এসব বাগান থেকে গত বছরেই বিক্রি করেছেন প্রায় অর্ধকোটি টাকার কলা।

এ বছর বৈশাখ মাস থেকেই কলার ছড়ি কেটে বিক্রি শুরু করেছেন তারা। দিনে কাটছেন ৩শ থেকে ৪শ কলার ছড়ি। এসব কলা নিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পাইকার ও আড়তদাররা।

স্থানীয় পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে এসব কলা এখন যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। একদিকে যেমন কলা বিক্রি করছেন অপরদিকে জমি খালি হওয়ায় সাথে সাথে জমি চাষযোগ্য করে নতুন করে কলার চারা লাগাচ্ছেন। এছাড়াও কিছু বাগানের নতুন করে বের হচ্ছে কলার ছড়ি।

সরকারি বা বেসরকারি অর্থ সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ পেলে বৃহৎ আকারে আরো অনেকেই কলা চাষে এগিয়ে আসবেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন স্থানীয় কৃষকেরা।

জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শামসুজ্জামান বলেন, দুধকুমর নদীর দু’ধারের চরাঞ্চলে কলা চাষ আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কলাচাষিদের পরামর্শ ও সহযোগিতা করে আসছি।

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony