1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় জেলা ছাত্রলী‌গের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত সেবা দেয়ার মন মানসিকতা এখন কারও মাঝে পাওয়া যায় না: প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক এম পি ভোরের আলো সাহিত্য আসর ও আমাদের হাওর ভ্রমণ সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ বলতে হবে এমন কোনো ধরনের রীতি নেই: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীতে বান্ধবীর জন্মদিনে গৃহবধূ ধর্ষণ: প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষককে গ্রেফতার করল পুলিশ নোয়াখালী সদর হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি হওয়ার দু’দিন পর উদ্ধার,আটক-১ কিশোরগঞ্জে ‘অভিশপ্ত আগস্ট’ নাটক মঞ্চস্থ কিশোরগঞ্জে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শোক দিবস পালন কিশোরগঞ্জ কলাপাড়া ক্রিকেট এসোসিয়েশনকে সদর উপজেলা পরিষদের চেক প্রদান সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙ্গার আসামী পারভেজের ৩দিনের রিমান্ড

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী খড়ের ঘর

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৭০ সংবাদটি দেখা হয়েছে

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলা থেকে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে খড়ের ছাউনির তৈরি ঘর। রূপসী-গ্রামবাংলা থেকে বিলুপ্ত প্রায় খড়ের ছাইনির তৈরি ঘর। কিছুদিন আগেও কুড়িগ্রাম জেলার প্রতিটি পাড়া-মহল­ায়, গ্রাম-গঞ্জে সেই চিরচেনা খড়ের ছাউনির ঘরের প্রচলন ছিল কিন্তু কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় বর্তমানে খড়ের তৈরি ঘর বিলুপ্তির পথে বললেই চলে। খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, যেখানে প্রতিটি গ্রাম-গঞ্জে ২-৪টি ছনের তৈরি ঘর চোখে পড়ত কিন্তু বর্তমানে কয়েকটি ইউনিয়ন মিলেও সেই সময়ের খড়ের তৈরি ঘর তেমনটা আর চোখে পড়েনা।

বর্তমানে টিনের অত্যাধুনিক ব্যবহারের ফলে খড়ের ছাউনির তৈরি ঘর বিলুপ্ত হচ্ছে। তবে কুড়িগ্রাম জেলার গ্রাম – গঞ্জে মাঝে মাঝে ২/১টি খড়ের ছাউনির ঘর দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আজ থেকে ২৫-৩০ বছর আগেও গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়ীতে ছনের ছাউনির ঘর ছিল। গ্রাম-গঞ্জের প্রতিটি মানুষ খড় দিয়ে ঘরের ছাউনি দিত।গরমের দিনে ঠান্ডা আর শীতের দিনে গরম, তাই তারা এই ঘরকে এসি ঘর বলে। উচ্চবিত্তরা শখের বসে কখনও কখনও পাকা ঘরের চিলকোঠায় ছন ব্যবহার করতো।

সরেজমিনে গিয়ে দেথা যায় যে, ফুলবাড়ী ইউনিয়নের চন্দ্রখানা গ্রামের বাসিন্দা শ্রী লক্ষী কান্ত রায় (২৮) ও মিয়াবাড়ী (ঝাড়খোলার) শ্রী অমুল্য চন্দ্র রায় (৫৪), নাগেশ্বরীর নেওয়াশী ইউনিয়ের অনুকূল রায় (৩২) নাখারগঞ্জের তৃষ্ণা রানী (৩০) ও ভূরুঙ্গামারীর কানাই লাল কর (৩২) ও উলিপুরের মানিক রায় (৩২) বলেন, বছর খানেক আগেও আমাদের বাড়ীর সবকয়টি ঘর খড় ছাউনির ছিল। আধুনিকতার ছোঁয়ায এখন আর আমাদের বাড়ীতে খড়ের ঘর নেই। কিছুদিন আগে খড়ের ছাউনি ফেলে টিনের ছাউনি দেই। শীত ও গরমে উভয় দিনে ছনের ছাউনির ঘর বেশ আরামদায়ক। এছাড়াও বছর বছর খড় পরিবর্তন করতে হয়। এ কারণে অনেকে খড়ের ঘরকে ঝামেলা মনে করেন।একারণে খড়ের ছাউনির ঘরের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে।

হারিয়ে যেতে বসেছে বাঙালিদের চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী এই চিহ্নটি। হয়তো সেই দিন আর বেশি দুরে নয়, খড়ের ছাউনির ঘরের কথা মানুষের মন থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে। আগামী প্রজম্ম রূপকথার গল্পে এই ঘরকে স্থান দিতে স্বাছন্দবোধ করবে। তবে আবার কেউবা পূর্বপুরুষদের স্মৃতি ধরে রাখতে ২-১ টি খড়ের ছাউনির ঘর টিকিয়ে রেখেছেন।

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony