কিট অ’ন্য দেশ নিয়ে যা’বে, বাংলাদেশ পা’বে না: ডা. জা’ফরুল্লাহ।

আ’মলাতান্ত্রিক জ’টিলতায় ঝুলে থাকা গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. বিজন কুমার শীল উদ্ভাবিত ক’রোনা কিট শেষ পর্যন্ত অন্য দেশে চলে যেতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

বু’ধবার (২০ মে) এক সেমিনারে তিনি বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা হবে কী, বিজনের সৃজনটা অন্য দেশ নিয়ে যাবে, বাংলাদেশ পাবে না।’বৈশ্বিক ম’হামা’রি ক’রোনাভা’ইরাসে বাংলাদেশের আসার আগেই গত ফেব্রুয়ারি মাসে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র জানায়, ক’রোনাভা’ইরাসে সং’ক্র’মণের ফলে সৃষ্ট কোভিড-১৯ শনাক্ত করণে ‘দ্রুত পদ্ধতি’ আবি’ষ্কার করেছে তারা।

টি’মের অন্য গবেষকরা হলেন ড. ফিরোজ আহমেদ, ড. নিহাদ আদনান, ড. মো. রাইদ জমিরুদ্দিন ও ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার।গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এই ট্রাস্টি বলেন, ‘সারাদেশে ৪২টি পিসিআর ল্যাবে প্রতিদিন ১০ হাজার করে রো’গীর ক’রোনা টেস্ট হচ্ছে। আমাদের এই দ্রুত টেস্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রতিদিন ৫০ হাজার লোকের ক’রোনা টেস্ট করা সম্ভব।

আ’মরা যাচাই করে দেখেছি, পিসিআর টেস্ট যা বলেছে, সো ফার আমাদের কিটের টেস্টও তাই বলেছে। সুতরাং আর কালক্ষেপণ না করে কিট ব্যবহারের অনুমোদনটা দিন,’— বলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আমাদের ৫০ কোটি টাকা ধার দিন।

এ’ই প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার জন্য কোনো একটা ব্যাংকে বলে দিন, তারা যেন আমাদের ৫০ কোটি টাকা দেয়।কোনো আমলাতান্ত্রিক জটিলতার ধার না যে না ধরতে হয়, সেভাবে আমাদের ৫০ কোটি টাকা দিন, যেন আমরা প্রতি মাসে এক কোটি কিট তৈরি করতে পারি।’

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *