1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ নিয়ে ফেসবুকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৯
  • ৩০১ সংবাদটি দেখা হয়েছে

কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ কে নিয়ে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং সুশীল সমাজের মাঝে ফেসবুকে চলছে পোস্ট কমেন্টসের মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ কেউ মনে করছেন মসজিদ কমপ্লেক্স হলে ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের সৌন্দর্য নষ্ট হবে। আবার কেউ মনে করছেন মসজিদ কমপ্লেক্স হলে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।

সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের ফেসবুক স্ট্যাটাস কমেন্ট হুবহু তুলে ধরা হলো:-

মাসুদ ইকবাল: গরুর হাটটিতে করলে অসুবিধা কোথায় ? খালি রেডিমেড খুঁজে ! আমরা যখন কমিটিতে ছিলাম, তখন তৎকালীন পৌর মেয়র আবু তাহের সাহেবকে ইচ্ছাগঞ্জ গরুর হাটটি শোলাকিয়া ঈদগাহের সংগে সংযুক্ত করে ঈদগাহ্ প্রশস্ত করার অনুরোধ করা হলে তিনি তা সানন্দ্যচিত্তে গ্রহন করে তৎকালীন জেলা প্রশাসক সিএম ইউসুফ হোসাইনকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু সময়ের আভাবে হয়ে উঠেনি।
আর গরুর হাটের জন্য বিকল্প প্রস্তাবটি ছিলো ঈদগাহের পূর্ব দিকে খাস জমিটিতে সরিয়ে নিতে।
এছাড়াও আরও বেশকিছু যুগোপযোগী প্রস্তাবনা ছিল।
কিন্তু ওই প্রস্তাবনা গুলোর বিষয়ে জানতে হলে সাবেক কমিটিতে যাঁরা ছিলেন, তাদের স্মরণ করতে হবে।
কিন্তু এটা করলে যে জাত যাবে !

এনায়েত করিম অমি: একমত। সন্মানিত ধর্ম-সম্পাদক।
যারা মাঠে নেমেছে তারা জামাত বিএনপির দোসর।
আপনার নেতৃত্বে আমরা এই বিষয়ে এক অভিন্ন।

খালেদ আনোয়ার বিপ্লব: আমরাও আপনাদের সাথে একমত পোষণ করছি, সামনে গরুর হাটের জায়গায়, এই আধুনিক মসজিদ টি নির্মাণ করা হোক।

এডিসি কিশোরগঞ্জ: বলা সহজ করা কঠিন। প্রতি বছর কোটি টাকার উপর হাট ইজারা হয়। যা দিয়ে পৌর সভা চলে। আর পৌর সভা কি কারণে তাদের জায়গা ছাড়বে?
মসজিদটি চার তলা বিশিষ্ট। কাজ সম্পন্ন হলে ধারণ ক্ষমতা বাড়বে। পূর্বদিকে ঈদগাহের জায়গা এক্যুয়ার করা যাবে।

এমডি সাইদুর রহমান: ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের পশ্চিম পাশে গরুর বাজার মডেল মসজিদ করা হোক মাঠ টিক রেখে এই আমার মতামত

জাহাঙ্গীর আলম: ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণ কার সার্থে?

জাহাঙ্গীর আলম জাহান: মসিজদ নির্মাণের বিরুদ্ধে এই প্রথম আন্দোলনের আয়োজন দেখে কৌতুক বোধ করছি।
আধুনিক স্থাপত্যশিলীতে নির্মিতব্য মসজিদ নাকি শোলাকিয়া ঈদগাহের সৌন্দর্য বিনষ্ট করবে! আমরা কতটা পেছনমুখী হলে এ রকম যুক্তি দাঁড় করাতে পারি- দয়া করে একটু ভাবুন। অথচ প্রকৃত বাস্তবতা হচ্ছে,
মসজিদ নির্মিত হলে শোলাকিয়া ঈদগাহের ঔজ্জ্বল্যই শুধু বাড়বে না, বরং মসজিদের কারণে ঈদগাহে মুসুল্লির ধারণ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে, এই সহজ অংকটি যারা মেলাতে পারেন না, তাদের সাথে তর্কে যাওয়াও বোকামি। আল্লাহ্ আমাদের সুবুদ্ধি দিন।

আহম্মদ ফরিদ: ঠিকাদার, ইঞ্জিনিয়ার ও কমিশনখোরদের স্বার্থ আছে।

আসলামুল হক আসলাম: ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে সুন্দর একটি মসজিদ হলে সৌন্দর্য বিনস্ট হবে মজা পাইলাম শুনে।আমাদের দাবি মত সরকার চাইলে মাঠের আয়েতন ও বাড়াতে পারে সুতারাং আমাদের দাবি হতে পারে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণ হোক এবং মাঠের আয়েতন বড় হোক।

শফিক খান: মাঠকে প্রয়োজনে আরও বড় করা হোক। তবুও এখানে অন্য কোন মসজিদ বা মাদ্রাসা করতে দেয়া হবে না।

জুবায়ের ছিদ্দিক: আধুনিক ঈদগাহ মানে কি মাঠ সংকুচিত করে মসজিদ নির্মান??
আমি ইমোশনাল নই, সংকীর্ণ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বাদ দিয়ে দেখলেই দেখা যাবে যে এই মসজিদ নির্মান এই মাঠের মঙ্গলের জন্য নয়, এর ঐতিহ্য ধ্বংসের জন্য-ই এখানে নির্মান করা হচ্ছে।
কিছু সৃষ্টি আছে যা ধ্বংসের সূচনা করে। শত শত বছর ধরে এই শোলাকিয়া ঈদগাহ যে ঐতিহ্য সৃষ্টি করেছে তা এই মসজিদ নির্মানের মাধ্যমে ধ্বংস হবে।
তাই এসব ইমোশন বাদ দেয়া উচিত।

হামিম নুফা: ঈদগাহ মাঠ মানে কি! মানে হচ্ছে আস্ত একটা মাঠ!কম্প্লেক্স হলে তো বলতে হবে শোলাকিয়া ঈদগাহ কম্প্লেক্স মাঠ! আমরা তো এমন আজগুবি ঈদগাহ মাঠ চাইনা! ইমোশানের বিষয় তো এখানে দেখা যাচ্ছেনা!

আমার তো মনে হয় দিনাজপুর পার্টি তলে তলে টাকা খাইয়ে আমাদের শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের ঐতিহ্য নষ্ট করার পাঁয়তারা করছে! বিষয়টি খতিয়ে দেখার দরকার প্রয়োজন মনে করছি!

মাসুম খান: জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে পবিত্র কাবা শরিফ সহ সকল ঐতিহ্যবাহী মুসলমানদের ধর্মীয়স্হাপনা গুলো সংস্কারের মাধ্যমে সৌন্দর্য ও পরিধি বৃদ্ধি করা হচ্ছে। পৃথিবীর কোথাও এইসব সংস্কার বন্ধের জন্য মানববন্ধন হয়নি।কিন্ত কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্য বাহী শোলাকিয়া মাঠের বর্তমান মসজিদের জায়গা,এবং মাঠের কিছু অংশ নিয়ে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক মসজিদ নির্মানের কাজ যাতে এখানে না হয় এজন্য মানববন্ধন হয়েছে।
শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে এই মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মান হলে একদিকে যেমন মুসুল্লিদের ধারণক্ষমতা বাড়বে অন্যদিকে ঈদুল ফিতরের নামাজে অংশনেয়া দুরদূরান্ত থেকে আসা মুসুল্লিরা নিরাপদে থাকতে পারবে, অজুএস্তেন্জা,গোসলসহ জরুরতগুলো সহজেই সারতে পারবে।
সন্মানিত কিশোরগঞ্জ বাসী,
আসুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে বাংলাদেশের নিজস্বঅর্থায়নে মডেল মসজিদগুলো নির্মানে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই।মসজিদটি নির্মানহলে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ।

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony