1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জে অভিনব কায়দায় ব্যাংকে টাকা চুরি করতে গিয়ে এক ব্যক্তি আটক নিয়ন্ত্রণহীন গাড়ি ও জনসচেতনতার অভাবেই বেশিরভাগ সড়ক দূর্ঘটনা- পুলিশ সুপার কিশোরগঞ্জ নিকলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস_২০২২ উদযাপন কিশোরগঞ্জে সন্ত্রাসীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল সাবেক ছাত্রলীগ নেতার; আটক ১ রাত পোহালেই ঈদ; জামাত সকাল ১০টায় ইহলোক থেকে বিদায় নিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কামরুল আহসান শাহজাহান কিশোরগঞ্জ পুলিশের ঈদ উপহার পেয়ে হতদরিদ্রদের মাঝে স্বর্গীয় অনুভূতি নিরাপত্তার চাদরে শোলাকিয়া ঈদগাহ; জামাত শুরু সকাল ১০টায় কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের ইফতার ও দোয়ার মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে হতদরিদ্র ও ভূমিহীন পাবে নতুন ঘর

গভীর সমুদ্রে মাছ ধরবে সরকার, খরচ ৬১ কোটি।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০
  • ১১২ সংবাদটি দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারিত হওয়ায় এক লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ ব’র্গকিলোমিটার এলাকায় মৎস্য আহরণে আইনগত ও ন্যা’য়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বিশাল এ সামুদ্রিক সম্পদ কাজে লাগাতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী ক’মিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের অপেক্ষায়।প্রকল্পের আওতায় গভীর সমুদ্র ও আন্তর্জাতিক জ’লসীমায় অনাহরিত টুনা ও সমজাতীয় মাছ ধরা হবে।

এর মাধ্যমে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার অভিজ্ঞতা হবে। পাশাপাশি তৈরি হবে গভীর সমুদ্র থেকে টুনা ও সমজাতীয় মাছ ধ’রার প্রশিক্ষিত এবং দক্ষ জনবল। টুনা ও সমজাতীয় মাছ ধরায় বেসরকারি বি’নিয়োগকেও উৎসাহিত করা হবে প্রকল্পের মাধ্যমে।এসব উ’দ্দেশ্যে নেয়া প্রকল্পটির নাম ‘গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় পেলাজিক মাছ আহরণে পাইলট প্রকল্প।’

প্রকল্পটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মৎস্য অধিদফতর বাস্তবায়ন করবে। এতে খরচ হবে ৬১ কোটি ৬ লাখ টাকা। এর পুরো অর্থ দেবে সর’কার। ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জু’নের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে তিনটি লং লাইনার প্রকৃতির ফিশিং ভেসেল ক্রয় ও পরিচালনা, টুনা ও সমজাতীয় পেলাজিক মৎস্য আহরণ, গভীর সমুদ্রে মা’ছ আহরণের কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা প্রণ’য়ন, ক্রুসহ টুনা আহরণে নিয়োজিত ১০০ জনকে প্রশিক্ষণ এবং ৩৭ দেশি ও সাতজন আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগ করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) একনেকে প্রকল্পটি উঠতে পারে। ইতিমধ্যে প্র’কল্পটি একনেকে অনুমোদনের জন্য সুপারিশ ক’রেছে পরিকল্পনা কমিশন।

মৎস্য অধিদফতর সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারিত হওয়ায় এক লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকায় মৎস্য আহরণে আইনগত ও ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষুদ্রায়তন মৎস্য সেক্টরের মাধ্যমে সা’মুদ্রিক মৎস্যসম্পদ আহরণ প্রধানত সাগরের অ’গভীর অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

অনেক ক্ষেত্রেই মৎস্য সংরক্ষণ আইন সঠিকভাবে প্রতিপালিত হয় না। যাতে মৎস্য মজুতে কিশোর মাছ প্র’বেশন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইতিমধ্যে মৎস্য আ’হরণ চারটি ফিশিং গ্রাউন্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছে আধুনিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলার।

অথচ দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সেক্টরের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্র’তিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রায় ৬০ শতাংশ আ’মিষের জোগান দেয় মাছ।

বাংলাদেশ অ’র্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ এর তথ্যমতে, দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ৩ দশ’মিক ৫০ শতাংশ এবং মোট কৃষিজ আয়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশ (২৫ দশমিক ৭১ শতাংশ) মৎস্যখাত থেকে আসে। বিগত ১০ বছরে এ খাতে গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony