গা’ছে বেঁ’ধে মাদ্রাসা ছা’ত্রকে নি’র্যাতনের ভিডিও ভাইরাল।

দি’নাজপুরের বী’রগঞ্জে মো. মিনহাজ (১৫) নামে এক মা’দরাসা ছা’ত্রকে গাছে বেঁ’ধে নি’র্যাতন করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

স্থা’নীয়রা জা’নিয়েছেন, উপজে’লার পাল্টাপুর ইউনিয়নের ঘোড়াবান্দ কেরানীপাড়ার মো. ছইদুল ইসলামের ছেলে মো. মিনহাজ (১৫) দিনাজপুর জে’লা সদরে অবস্থিত ফরিদপুর গোরস্তান মাদরাসায় নাজেরা ক্লাসের ছাত্র।

ক’রোনা ম’হামা’রির কারণে মাদরাসা বন্ধ থাকায় সে বাড়িতে অবস্থান করছিল।

প্র’তিবেশী মো. আ’বু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী রমেনা বেগম, মেয়ে পাল্টাপুর স’রকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আফরোজা খাতুন (১০) এবং ছেলে একই বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র রুহান ইসলামকে (৮) আরবি পড়াত সে।

গ’ত বু’ধবার সকাল সাড়ে ৭টায় আরবি পড়াতে যায় মিনহাজ।

ত’খন আ’বু সিদ্দিকের পরিবারের সদস্যরা তার মেয়ে আফরোজা খাতুনকে শ্লী’লতাহা’নি চেষ্টার অ’ভিযোগে মিনহাজকে মা’রধর শুরু করে।

সে স’ময় আত্মরক্ষার্থে পা’লিয়ে যায় মিনহাজ।

আ’ত্মগো’পনের থা’কা মিনহাজকে দুপুর ১টায় বাড়ি থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে তার নানার বাড়ি নাটুয়াপাড়া থেকে ধরে আনা হয়।

এ’রপর মো. আ’বু বক্কর সিদ্দিক তার বাড়ির সামনে সুপারি গাছে মিনহাজকে বেঁ’ধে ফে’লেন।

শু’রু ক’ব্বরেন মধ্যযুগীয় কায়দায় নি’র্যাতন।

এ’মন স’ময় মিনহাজকে উ’দ্ধার করতে আসা পরিবারের লোকজনের ও’পরও হা’মলা চা’লানো হয়।

প’রে প্র’তিবেশীদের সহযোগিতায় পরিবারের লোকজন মিনহাজকে উ’দ্ধার করে উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

এ ব্যা’পারে মি’নহাজ জানায়, দীর্ঘ ছয় মাস ধরে ওই পরিবারে আরবি পড়িয়ে আসছে সে।

এ প’র্যন্ত এক মাসে বেতন পেয়েছে।

ঘ’টনার দি’ন আফরোজা খাতুন পড়া ভু’ল করলে তাকে দুটি মার দেই।

এতে সে ক্ষি’প্ত হয়ে আমাকে মার দেয় এবং আমার সাথে তর্কে জড়িয়ে যায়।

প’রে সে কাঁ’দতে কাঁদতে বি’ষয়টি তার মাকে গিয়ে বলে।

প’রে প’রিবাবের লোকজন এসে আমাকে মা’রধর শুরু করে। আমি পা’লিয়ে গিয়ে আত্মরক্ষা করি।

প’রে দু’পুরে আমাকে আবার ধরে নিয়ে এসে গাছে বেঁ’ধে লা’ঠি দিয়ে মা’রধর করে।

এ ব্যা’পারে অ’ভিযুক্ত মো. আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী রমেনা বেগম জানান, আরবি পড়ার একপর্যায়ে আমি বাড়ির বাইরে যাই।

ত’খন মি’নহাজ আমার মেয়েকে আরবি বই শপথ করিয়ে না বলার শর্তে টিউবল পাড়ে নিয়ে যায়।

সে’খানে সে শরীরের কাপড় খোলার চেষ্টা এবং ধ’র্ষণের চেষ্টা চা’লায়।

মে’য়ের চি’ৎকারে আমরা ছুটে এলে সে পা’লিয়ে যায়। পরে তাকে আ’টক করে শাসন করেছি।

তা’কে পু’লিশে না দিয়ে নিজে শাসন করা ভু’ল হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন।

মি’হাজের বা’বা মো. ছইদুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে আমি বৃহস্পতিবার বীরগঞ্জ থানায় হবিবর রহমানের ছেলে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (৪৫) তার স্ত্রী রমেনা বেগম (৪০) এবং মো. রমজান আলীর ছেলে ও আবু বক্কর সিদ্দিকের শ্যালক মো. আশরাফুল ইসলামতে (২৫) আ’সামি করে মা’মলা করেছি।

এ’খন আ’সামি পরিবারের লোকজন

আ’মার ছে’লে ও আমার পরিবারসহ যারা ভিডিও করেছে তাদের বি’রুদ্ধে নারী নি’র্যাতন মা’মলা করা হবে বলে হু’মকি দিয়ে আসছে।

আ’মি পেশায় কৃষি শ্রমিক।

আ’মার স্ত্রী মা’রা যাওয়ার পর অনেক ক’ষ্টে জীবন চলে।

মা ম’রা ছেলেকে নি’র্মমভাবে গাছে বেঁ’ধে মে’রেছে।

আ’মি ছেলের নি’র্যাতনে অ’ভিযুক্তদের বিচার দাবি করছি।

মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মকর্তা পু’লিশের এসআই আলন চন্দ্র রায় জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে নি’র্যাতনের সাথে জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগে পু’লিশ অ’ভিযান চা’লিয়ে মো. আবু বক্কর (৪৫) ও মো. আশরাফুল ইসলামকে (২৫) গ্রে’ফতার করেছে। পু’লিশ।

বী’রগঞ্জ থা’নার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মতিন প্রধান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে মিহাজের বাবা মো. ছইদুল ইসলাম বা’দী হয়ে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (৪৫), তার স্ত্রী রমেনা বেগম (৪০) এবং মো. রমজান আলীর ছেলে ও আবু বক্কর সিদ্দিকের শ্যালক মো. আশরাফুল ইসলামকে (২৫) আ’সামি করে মা’মলা করেছে।

মা’মলার ত’দন্ত চলছে।

মা’মলার সা’থে জ’ড়িতদের গ্রে’ফতার করে দ্রুত শা’স্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *