1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জে কোরবানির ডিজিটাল পশুর হাট কুড়িগ্রাম জেলা যুবলীগের উদ্যোগে অন্ধ প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য বিতরণ কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিনামূল্যে শাক-সবজি বাজার উ‌দ্বোধন করিমগঞ্জ থেকে গাঁজা ও নগদ অর্থ’সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব আশরাফ আলী সোহান একজন তরুন উদ্যোক্তা সব্যসা‌চী লেখক ও ক‌বি ‌সৈয়দ শামসুল হ‌কের সমাধী‌তে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলী‌গের শ্রদ্ধা বাংলা’র শিক্ষক গাইছেন হিন্দিতে! কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক দানিস আর নেই হিয়া ইলেক্ট্রনিক্সকে অবাঞ্ছিতকরন প্রসঙ্গে কিশোরগঞ্জে বিশাল আকৃতির ষাঁড় নাম তার ভাটির রাজা; কুরবানিতে বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত

গ্লোবের ক’রোনা টিকা গরিব মানুষও কিনতে পারবেন।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০
  • ১০৫ সংবাদটি দেখা হয়েছে

বাংলাদেশি প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক’রোনাভা’ইরাসের টিকা (ভ্যাকসিন) আবিষ্কারের দাবি করেছে গ্লোব ফা’র্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ অব কো’ম্পানিজ লি’মিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড।

তারা বলছে, প্র’তিবন্ধকতার শিকার না হলে আগামী ডিসেম্বরে বাজারে টি’কা আনতে পারবেন। প্রথম ধাপে ৫০ থেকে ৭০ লাখ টিকা উৎপাদন করবেন তারা।

টিকা আ’বিষ্কারের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে জাগো নি’উজের স’ঙ্গে কথা বলেছেন গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের কোয়ালিটি অ্যান্ড রেগুলেটরি অপারেশনসের ম্যানেজার ও ইনচার্জ এবং টিকা আবিষ্কারের গবেষক দলের সদস্য মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

সা’ক্ষাৎকারটি জা’গো নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

জা’গো নি’উজ : টিকা আ’বিষ্কারে কতজন গবেষক কাজ করেছেন?মোহাম্মদ মহিউদ্দিন : আমরা ১০-১২ জন কাজ করেছি।

গবেষক দ’লের প্রধান ড. কাকন নাগ (গ্লোব বা’য়োটেক লিমিটেডের সিইও) ও ড. নাজনীন সুলতানা (গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের সিওও)। তারা দু’জন আমাদের এক্সপার্ট (বিশেষজ্ঞ)।

তাদের সু’পারভিশনে (ত’ত্ত্বাবধানে) আমরা বাকিরা কাজ করেছি। তারা দু’জনই কানাডায় আটকা পড়েছেন।

জা’গো নিউজ : কানাডা থেকে তারা কীভাবে নেতৃত্ব দিলেন?

মোহাম্মদ মহিউদ্দিন : এখন তো গ্লোবালাইজেশনের (বিশ্বায়নের) যুগ। আ’জকের সং’বাদ সম্মেলনেও তাদের যুক্ত রে’খেছিলাম। এখন তো আর ফিজিক্যালি (শারীরিক) যাওয়া লাগে না।

জাগো নিউজ : আ’পনাদের টি’কা সফল হলে সেটা মানুষ কীভাবে গ্রহণ করবে?

মোহাম্মদ মহিউদ্দিন : এই টি’কা সু’স্থ মানুষের শরীরে দেয়া হবে। ই’নজেকশনের মাধ্যমে মানুষ টিকাটি গ্রহণ করবে।

জাগো নিউজ : একজন ব্যক্তিকে কয়টি ইনজেকশন নিতে হবে?মোহাম্মদ মহিউদ্দিন : আমাদের এখনও এ’কটা ক্লি’নিক্যাল ট্রায়াল বাকি আছে। আমরা অ্যানিমেল (প্রাণী) মডেলে কাজ করেছি।

এখন আমাদের হিউম্যান (মানব দেহে) মডেলে কাজ করতে হবে। হি’উম্যান মডেলে কাজ করে ‘ডেজ ওয়ান’ একটা স্টা’ডিজ আছে এবং ‘ডেজ টু’ একটা স্টাডিজ আছে।

‘ডেজ টু’ স্টাডির মধ্যে কয়েকবার ডোজটা দিতে হবে, দি’লে অ্যান্টিবডি গ্রো (গড়ে উঠবে) হবে, যে অ্যান্টিবডি ক’রোনাভা’ইরাস মেরে ফেলতে পারবে। অর্থাৎ সেটাকে নিউট্রিলাইট করতে পারবে।

হি’উম্যান ম’ডেলের কাজ বাকি, এটা এখনও আমরা নির্ধারিত করতে পারিনি। এটা নির্ধারণ হবে এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর।

জাগো নি’উজ : স’ফল হলে প্রথম ধাপে কত টিকা আনার সক্ষমতা আপনাদের রয়েছে?

মোহাম্মদ মহিউদ্দিন : প্রথম ধাপে আমাদের ৫ থেকে ৭ মিলিয়ন (৫০ থেকে ৭০ লাখ) টিকা তৈরি করার স’ক্ষমতা রয়েছে। তারপর উৎপাদন আরও বাড়াব। যখন আ’মরা এক্সপোর্ট (রফতানি) করব, তখন আমরা আরও বড় পরিসরে তৈরি করতে পারব।

জাগো নিউজ : এই টিকা কি গরিব মানুষ কিনতে পারবে?মো’হাম্মদ মহি’উদ্দিন : আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভ্যাক্সিনেশনে পুরস্কার পেয়েছেন। কারণ, আ’মাদের দেশে বেশিরভাগ টিকাই বিনামূল্যে দেয়া হয়। টি’কাটি যখন আমরা বাণিজ্যিকীকরণ করব, তখন এমনও হতে পারে সরকার জনগণকে ফ্রি করে দি’য়েছে কিংবা স্বল্প দামে দিচ্ছে।

আর আমরা যেহেতু উৎপাদক প্রতিষ্ঠান, আমাদের তো খরচ আছে, আমরা তো আর ফ্রি দিতে পারব না। এখন স’রকার য’দি সিদ্ধান্ত নেয়, আমরা এই টিকা জনগণকে ফ্রি দেব, সেক্ষেত্রে আমরা হয়তো লাভ না করলাম। আমাদের যে উৎপাদন খরচ, সেটা হয়তো আমরা সরকারের কাছ থেকে নিলাম।

জাগো নিউজ : স’রকার আ’পনাদের কাছ থেকে কিনে জনগণকে ফ্রি না দিলে সাধারণ মানুষের পক্ষে এই টিকা কেনার সক্ষমতা থাকবে?

মোহাম্মদ মহিউদ্দিন : গরিব মানুষের কেনার স’ক্ষমতা থাকবে। সং’বাদ সম্মেলনে আমাদের চে’য়ারম্যান তো বলেছেন, সব জায়গায় আমরা প্রোফিট (লাভ) করব না।

আমাদের আরও অন্যান্য ওষুধ আছে, সেগুলো দিয়ে লাভ করলাম। এটা উৎপাদনে আমাদের যে খ’রচ, সেটা দিয়েই আমরা দিয়ে দিলাম। সবার নাগালের ম’ধ্যে আমরা দাম নির্ধারণ করব। এতে অতিদরিদ্র মানুষও এই টিকা কিনতে পারবে।

জাগো নিউজ : বিশ্বের বিভিন্ন দেশ টিকা আবিষ্কারে কা’জ করে যাচ্ছে। অনেকেই এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ট্রা’য়ালে সফল। তারা যে মান বজায় রাখছে, তেমন মা’ন বজায় রাখা কি আপনাদের পক্ষে সম্ভব?মোহাম্মদ মহিউদ্দিন : মানের ব্যাপারে আমরা খুবই সচেতন।

আমাদের টিকার মান অন্য যেকোনো কোম্পানির চেয়ে ভালো হবে। কারণ, আমাদের যে ল্যাব স্ট্যা’টাস, আ’মাদের যে মেশিন, বিশ্বের সেরাটা আমরা কিনেছি।

যেহেতু আ’মাদের মা’নসম্পন্ন মেশিনারিজ আছে, আমাদের দক্ষ জনবল আছে, কাজেই আমাদের টিকা খারাপ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

[আজকের সংবাদ সম্মেলনে গ্লোব বায়োটেক লি’মিটেডের চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশীদ ব’লেছেন, ২০১৫ সালে আমরা এই ল্যাবটা তৈরি করি। ল্যাবটা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

এই ল্যাবে আমাদের প্রায় ৫-৬ শ’ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। আমাদের প্রায় ২৬ জন বিজ্ঞানী এখানে কাজ করেন। তার মধ্যে সাতজন পিএইচডি করা]জাগো নিউজ : ক’রোনার জিনোম সিকোয়েন্স (জিন নকশা) ভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। আপনাদের টিকা কি সব জিনোম সিকোয়েন্সের ক্ষেত্রে কাজ করবে?

মোহাম্মদ মহিউদ্দিন : আমাদের দেশে যে করোনাভাইরাস, তার একটা ট্রিটমেন্ট (চিকিৎসা) আছে। এই ট্রিটমেন্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লোকজন করেছে। এনসিবিআইয়ে (যুক্তরাষ্ট্রের ন্যা’শনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরশেন) ভা’ইরাস ডাটাবেজে ৫ হাজার ৭৪৩টি জিনোম সিকোয়েন্স জমা হয়েছে।

তার মধ্যে বাংলাদেশেরও ৭৬টি জিনোম সিকোয়েন্স আছে। সবগুলো সিকোয়েন্স আমরা স্ক্রিনিং করে টিকার টার্গেট সেট করেছি। সেই অনুযায়ী আমরা টিকা তৈরি করেছি, যাতে সব ধরনের ক’রোনাভা’ইরাসের জন্যই এটা কার্যকর হয়।

জাগো নিউজ : টিকা বাজারে আসতে কতদিন লাগতে পারে?মোহাম্মদ মহিউদ্দিন : আমরা যদি কোনো ধরনের প্রতি’বন্ধকতার শিকার না হই, তাহলে ডি’সেম্বরের মধ্যে বাজারে আনতে পারব। মানে ছয় মাস লাগতে পারে।

জাগো নিউজ : আপনাদের সামনে এখন কী কী ধাপ রয়েছে?

মোহাম্মদ মহিউদ্দিন : আ’মরা এখন ওষুধ প্রশাসন অ’ধিদফতরে যাব। তাদের একটা গাইডলাইন আছে। তাদের গা’ইডলাইন অনুযায়ী আমরা পরবর্তী ধাপগুলো নিয়ে কাজ করব।

গাইডলাইনগুলো সম্পর্কে আমরাও জানি। তারা ডব্লিউএইচও’র একটা গাইডলাইন ফলো করেন। ওই অনুযায়ী আমাদের এখন যে ডেভেলপমেন্ট ডা’টা আছে, সেগুলো তাদের কাছে ই’স্যু করব।

তারা হয়তো বলবেন, আমাদের একটু স্টাডি করতে হবে। রেগুলেটরি ওয়েতে আমরা আরেকটি স্টাডি করব, কর’লে ওই ডাটা’গুলোসহ ওষুধ প্রশাসনের মাধ্যমে আমরা বিএমআরসিতে (বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ সেন্টার) ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য অ্যাপ্লিকেশন (আবেদন) করব।

তারা সিআরও বা থার্ড পার্টি। তারা আমাদের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালটা করে দেবে। বিএমআরসি আমাদের প্র’টোকল রিভিউ করে ক্লিয়ারেন্স দিলে ওষুধ প্রশাসনের মাধ্যমে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করব।ক্লিনিক্যাল ট্রা’য়ালের পর টিকা বাণিজ্যিকীকরণের জন্য আবেদন করব।

তারা আমাদের অনুমোদন দিলে উৎপাদনে চলে যাব। বা’জারে চ’লে আসবে টিকা।জাগো নিউজ : আপনাদের টিকার আরও উন্নয়নে পরিকল্পনা আছে কি-না?মোহাম্মদ মহিউদ্দিন : আমাদের ডেভেলপমেন্টের যে অর্জন, সেটাই তো আমরা আজ ঘোষণা দিলাম।

বা’ণিজ্যিকীকরণের জন্য আমরা রেগুলেটরি উপায়ে বাকি ধা’পগুলো এগিয়ে যাব। এর মাঝখানে যদি কোনো ধরনের সমস্যা ধরা পড়ে, তখন আমরা এর ডেভেলপ করব।

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony