ঘূ’র্ণিঝড়ের মধ্যে শি’শুর জন্ম, নাম রাখা হল আ’ম্ফান।

ঘূ’র্ণিঝড় আ’ম্ফানের তাণ্ডরেব সময় রাতে প্রসব বেদনা নিয়ে আশ’ঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতা’লে ভর্তি হয়েছিলেন প্রসূতি মা। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভোলার মনপুরায় ভোর রাত ৪টায় হাসপাতা’লের ডাক্তার ও নার্সদের প্রচেষ্টায় ওই প্রসূতি মায়ের সুস্থ ছে’লে সন্তানের জন্ম হয়। ডাক্তার ও নার্সরা খুশিতে নবজাতকের নাম দেন আমফান।

ও’ই প্রসূতি মা হলেন, উপজে’লার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরযতিন গ্রামের বাসিন্দা ছালাউদ্দিনের স্ত্রী’ সামিয়া (২৫)।জানা যায়, ঘূর্ণিঝড়ের রাতে হাসপাতা’লে বেশ অ’সুস্থ অবস্থায় হাসপাতা’লে ভর্তি হন প্রসূতি মা সামিয়া।

উ’ন্নত চি’কিৎসার প্রয়োজন হলেও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তাকে ভোলা নেয়া হচ্ছিল না। তারপরও রাতভর ডাক্তার ও নার্সদের চেষ্টায় সুস্থ সন্তান পৃথিবীর আলো দেখে। শি’শুটিই ওই মায়ের প্রথম সন্তান। খুশিতে ডাক্তার-নার্সরা জন্ম নেয়া ওই ছে’লের নাম দেন আমফান। ওই মা ও সন্তান আম্পান সুস্থ রয়েছেন।যাত্রীদের চলাচল রুখতে পাটুরিয়া ঘাট এলাকা পর্যন্ত চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে ৬-৭টি স্পটে।

বৃ’হস্পতিবার (২১ মে) গোল’ড়া চেকপোস্ট পরিদর্শন শেষে পু’লিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম বলেন, করো’না সংক্রামণের ঝুঁ’কি এড়াতে জে’লার প্রবেশ মুখ গোল’ড়াতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে যাতে কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে না পারে।

যা’রা মোটরসাইকেলে মহাসড়কে আসছিলো তাদের গোল’ড়াতে আ’ট’কিয়ে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা সেক্টরের ডিজিএম জিল্লুর রহমান বলেন, আম্পানের কারণে নদীতে বাতাস ও ঢেউ থাকার কারণে জরুরি সেবায় নিয়োজিত গাড়ি পারাপার বন্ধ রয়েছে। পাটুরিয়া ফেরিঘাটে পণ্যবোঝাই কয়েক শতাধিক ট্রাক পারের অ’পেক্ষায় আছে।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *