1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় নান্দাইলে করোনার টিকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় প্রাণ হারালো স্কুল ছাত্রী’র সহ-সভাপতির পিতার মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের শোক প্রকাশ সেবা সপ্তাহ-২০২২  উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃক র‍্যালি জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপিত ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে চেক বিতরণ কিশোরগঞ্জে জমকালো আয়োজনে উৎযাপন করা হলো মহামান্য রাষ্ট্রপতির ৭৯তম জন্মদিন কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে মহামান্য রাষ্ট্রপতি’র জন্মদিন পালন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আমাকে মনোনয়ন দিতে প্রধানমন্ত্রীকে বলেন; প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বিনা হিসেবে যারা জান্নাতে যাবে কিশোরগঞ্জে কিডস এন্ড মাদার্স ফ্যাশন লিমিটেডের শোরুম উদ্বোধন

চীনে উইগর মুসলিম নারীদের জো’র করে ব’ন্ধ্যা করা হচ্ছে’…

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০
  • ১০৫ সংবাদটি দেখা হয়েছে

নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে জিনজিয়াংয়ে উইগর মুসলিমদের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে মুসলিম নারীদের দেহে জোর করে জন্মনিয়ন্ত্রণকারী যন্ত্র বাসনো বা ব’ন্ধ্যা ক’রানোর কার্যক্রম পরিচালনা করছে চীন।

চীনা গবেষক আদ্রিয়ান জেনজের লেখা রিপোর্টটি প্রকাশিত হওয়ার পর এই ঘটনার তদন্ত করতে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক নানা মহল।

চীন অবশ্য এই রিপোর্টের দাবিগুলোকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্র’ত্যাখ্যান করেছে। ইউগরদের ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখার কারণে বেশ কিছুদিন ধরেই চীনের সমালোচনা হচ্ছে।

ধারণা করা হয় চীনে প্রায় ১০ লাখ উইগর ও অন্যান্য জাতির মু’সলিম সংখ্যালঘুদের ‘নতুন করে শিক্ষা’ দেয়ার উদ্দেশ্যে ক্যাম্পে বন্দী করে রাখা হয়েছে।

শুরুতে চীন এসব ক্যাম্পের অস্তিত্ব অস্বীকার করলেও পরে তারা দাবি করে যে সন্ত্রাসবাদ দমনের লক্ষ্যে এই ধরণের ক্যাম্প পরিচালনা করা জরুরি পদক্ষেপ।সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উইগরদের বিরুদ্ধে নেয়া পদক্ষেপের কারণে তুমুল সমালোচনার মুখে পরে চীন।

২০১৯ সালে বিবিসি’র করা এক তদন্তে উঠে আসে যে জিনজিয়াংয়ের মুসলিম শিশুদের তাদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে যেন তারা মুসলিম সম্প্রদায়ের থেকে আলাদা হয়ে বড় হয়।

বিবিসি আরো জানায়, ঐ অঞ্চলের আনুষ্ঠানিক তথ্য, আইনি কাগজপত্র এবং জিনজিয়াংয়ের নৃতাত্বিকভাবে সংখ্যালঘু নারীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয় আদ্রিয়ান জেনজের রিপোর্টটি।

অভিযোগ তোলা হয় যে সরকারি নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি সংখ্যায় সন্তান জন্ম দেয়ায় উইগার ও অন্যান্য সংখ্যালঘু নারীদের ক্যাম্পে বন্দী করে

রাখার হুমকি দেয়া হচ্ছে।রিপোর্টে আরে দাবি করা হচ্ছে যে যেসব নারী দুটির চেয়ে কম সন্তান জন্ম দিতে আইনিভাবে বৈধ,

তাদের জরায়ুতে আইইউডি (ইন্ট্রা-ইউটেরিন ডিভাইস – যেটি সাধারণত ৫ থেকে ১০ বছরের জন্য নারীদের গর্ভধারণ করা থেকে বিরত রাখে) প্রবেশ করানো হচ্ছে এবং অন্যদের বন্ধ্যা করানোর উদ্দেশ্যে জোর করে সার্জারি করানো হচ্ছে।

মি. জেনজের বিশ্লেষণ অনুযায়ী জিনজিয়াংয়ের জনসংখ্যার স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধির হারে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় ধরণের পরিবর্তন এসেছে।সংবাদ সংস্থা এপিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মি. জেনজ বলেন,

“জনসংখ্যার বৃদ্ধিতে এই ধরণের পতন অভূতপূর্ব, এখানে নির্মম একটা বিষয় রয়েছে। এটি উইগরদের বশে আনার জন্য বিস্তৃত একটি পরিকল্পনার অংশ।

”জিনজিয়াংয়ের বন্দী শিবিরে থাকা সাবেক সদস্যদের বক্তব্যে উঠে আসে যে সেখানে থাকা নারীদের গর্ভ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে তাদের মাসিক বন্ধ করতে বিভিন্ন রকম ওষুধ প্রয়োগ করা হতো তাদের ওপর।রিপোর্টে বলা হয়,

সামগ্রিকভাবেদেখলে মনে হয়, তিন বা তার চেয়ে বেশি সংখ্যক সন্তান আছে যেসব নারীর, তাদের ঢালাওভাবে বন্ধ্যা করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony