চীনে মা’স্ক কারখানায় কাজে বাধ্য করা হচ্ছে উইঘুর মুসলিমদের

করোনায় নিষ্পে’ষিত হলেও চীনাদের ব্যবসায় বুদ্ধির ঘাটতি নেই। বিশ্বব্যাপী এখন মাস্ক ব্যবহার চলছে। করোনাভাইরাসের কারণে কোনো কোনো দেশে মাস্ক পরা বাধ্য’তামূলক করা হয়েছে।ফলে এখন মাস্কের বিশাল চাহিদা। এই চাহিদার কথা মাথায় নিয়ে চীনা

 

কোম্পানি’গেুলো ব্যাপকভাবে মা’স্ক ও সুরক্ষা সামগ্রী তৈরি করছে, যেগুলো নিমিষেই রপ্তানি হয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। তবে এই মানবিক সঙ্কটকালে চীনের এই ব্যবসার পেছনেও উঠেছে অভিযোগ।তারা মা’স্ক কারখানার শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে উইঘুর মুসলিমদের বাধ্য করছে, যা আন্তর্জাতিক শ্রম আইনের

 

লঙ্ঘন। আন্ত’র্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে।নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক তদন্তে উঠে এসেছে, সরকারের সহায়তায় সেখানে উইগুরদের মা’স্ক তৈরির কারখানায় ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করানো হচ্ছে। বিভিন্ন বন্দি শিবির আর বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে তাদের শ্রমিক হিসেবে কাজে লাগানো হচ্ছে।উত্তর-পশ্চিম চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলমানের

 

বাস। তারা জনসং’খ্যায় বিপুল হলেও চীনের তুলনায় সংখ্যালঘু। এই মুসলিম সম্প্রদা’য়ের ওপর চীনের অত্যাচার নিপীড়নের অভিযোগ বহুদিনের। বহু সংখ্যক উইগুর মুসলিমকে বন্দি শিবিরে আটকে রাখা হয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন প্র’শিক্ষণের মাধ্যমে তাদের মুসলিম সংস্কৃতি থেকে দূরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। নিউ ইয়র্ক টাইম বলছে, উইঘুরদের মাস্ক কারখানায় কাজ

 

করতে বাধ্য করার বিষয়টি সরকারেরই একটি প্রক’ল্প। রপ্তা’নিতে যেন কোনো ছেদ না পড়ে সে কারণেই সরকার এ কাজ করছে।চীনের গণমাধ্যমগুলোতেও এ খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে তারা বলছে, দারিদ্র্য কমাতেই সরকার এ ধরনের প্র’কল্প হাতে নিয়েছে।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *