ঢা’কার বাইরে ৬০% ক্লি’নিক-ডায়াগনস্টিক সে’ন্টার বন্ধের পথে: বিপিসিডিও।

ক’রোনাভা’ইরাসেের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে রো’গীর অভাবে বেকায়দায় পড়েছে বেস’রকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন- বিপিসিডিও বলছে, আয় না থাকায় ঢাকার বাইরে ৬০ ভাগ প্রতিষ্ঠান বন্ধের পথে।

ঢাকায়ও বে’শকিছু ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ রয়েছে। এছাড়া, ছোট ছোট কয়েকটি হাসপাতাল সেবা দেয়া বন্ধ রেখেছে।নম্বরের জেনারেল হাসপাতালটি। মাত্র ৫ টাকায় টিকিট কে’টে চিকিৎসা পায় সাধারণ মানুষ।

কি’ন্তু ক’রোনাভা’ইরাসেের প্রাদুর্ভাবের কারণে গেল ২৬শে মার্চ থেকে হাসপাতালটির কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।দেশে প্রায় চৌদ্দ হাজার বেস’রকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মরত প্রায় এক লাখ মানুষ। বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-বিপিসিডিও বলছে, রো’গীর মাধ্যমে ক’রোনা ছড়িয়ে পড়ায় আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে অন্তত পনেরোটি ক্লিনিক।

বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, অনেক রো’গীদের কাছ থেকে বেস’রকারি হাসপাতালের অনেক ডাক্তার, নার্সরা ক’রোনা পজিটিভ হয়েছেন। তাই অনেক বেস’রকারি হাসপাতালই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ঢাকা শহরের প্রায় ১০ থেকে ১২ হাসপাতাল লকডাউন অবস্থায় আছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে বেস’রকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সচল রাখতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

পা’শাপাশি সব রো’গের চিকিৎসা নিশ্চিতে হাসপাতালকে তিনভাগে সাজানো হচ্ছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার বলেন, সামনের দিনে আমরা হাসপাতালগুলোকে তিনভাগে ভাগ করে সেবা দেয়ার পরিকল্পনা করেছি।

যারা ক’রোনা পজিটিভ থাকবে তারা একভাগে, যারা স’ন্দেহজনক তারা একভাগে আর সাধারণ রো’গীরা একভাগে।এরমধ্য দিয়ে চিকিৎসা নিয়ে সং’কট কে’টে যাবে বলে মনে করছে অধিদপ্তর।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *