1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জে কোরবানির ডিজিটাল পশুর হাট কুড়িগ্রাম জেলা যুবলীগের উদ্যোগে অন্ধ প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য বিতরণ কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিনামূল্যে শাক-সবজি বাজার উ‌দ্বোধন করিমগঞ্জ থেকে গাঁজা ও নগদ অর্থ’সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব আশরাফ আলী সোহান একজন তরুন উদ্যোক্তা সব্যসা‌চী লেখক ও ক‌বি ‌সৈয়দ শামসুল হ‌কের সমাধী‌তে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলী‌গের শ্রদ্ধা বাংলা’র শিক্ষক গাইছেন হিন্দিতে! কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক দানিস আর নেই হিয়া ইলেক্ট্রনিক্সকে অবাঞ্ছিতকরন প্রসঙ্গে কিশোরগঞ্জে বিশাল আকৃতির ষাঁড় নাম তার ভাটির রাজা; কুরবানিতে বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত

দিশেহারা মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০
  • ১০০ সংবাদটি দেখা হয়েছে

রা’জধানীর মি’রপুরে একটি মা’র্কে’টের ম’সজিদে খতিব ছিলেন মা’ওলানা মেহেদী হাসান মুরাদ। পাশাপাশি একটি স্কু’লে ধ’র্মীয় শিক্ষার ক্লাস নিতেন তিনি। এপ্রিল মাসে ম’সজিদের চাকরি হারান, আর স্কুলের বেতন বন্ধ অনেক আগে থেকেই।

দুই বছর ব’য়সী কন্যা ও স্ত্রী’কে নিয়ে সাদামাটা জীবন আরও ফ্যাকাশে হয়ে যায় বাসা ভাড়া দিতে না পারায়।একদিকে বা’ড়িওয়ালার চা’প, অন্যদিকে আয়ের কোনও পদ খোলা ছিল না।

বাধ্য হয়ে শ’হরজীবনের ই’তি টেনে পরিবার নিয়ে ফরিদপুরে গ্রামের বাড়িতে ফিরে গিয়েছেন মা’ওলানা মেহেদী হাসান মুরাদ। গ্রামে ঘর ভাড়া না লা’গলেও ধা’র-দেনা করে অনেক ক’ষ্টে টেনে নিচ্ছেন সংসার।মা’ওলানা মেহেদী হাসান মুরাদ ম’সজিদ থেকে মাসে বেতন পেতেন ৮ হাজার টাকা।

তা’তে সং’সার চলতো না। বাড়তি আয়ের জন্য স্কুলে চাকরি নিয়েছিলেন। করো’নার প্রভাবে এখন তিনি বেকার। দিশেহারা মা’ওলানা মুরাদ এখন উপায় খুঁজছেন কী’ভাবে সংসার চালাবেন।

তিনি বলেন, ‘য’খন ম’সজিদে মু’সল্লিদের প্রবেশে বিধি-নিষেধ আরোপ হলো, তখন থেকেই সংকটের শুরু। হুট করে ম’সজিদ কমিটি বলে দিলো—আর আসা লাগবে না। ৪-৫ মা’স ধরে স্কুলেও বেতন নেই।বাসা ভাড়া দিতে না পারায় বাড়িওয়ালা বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন।

বু’ঝতে পা’রছিলাম না কী’ করবো। শেষমেশ বাধ্য হয়ে ঢাকা ছেড়েছি। গ্রামে এসে হয়তো এখন বাসা ভাড়া লাগে না। কিন্তু অ’ন্যসব খরচ তো আছে। আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধার-দেনা করে কিছুদিন চললাম।

এখন কী’ করবো?’জানা গেছে, মূলত সংকটের শুরু হয় দেশে করো’নার কারণে ম’সজিদে মু’সল্লিদের প্রবেশের বিধিনিষেধ আরোপের পর। গত ৬ এপ্রিল সরকার মু’সল্লিদের ঘরে নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। ফলে সেই সময় থেকে ম’সজিদগুলো মু’সল্লি শূন্য হয়ে পড়ে।

মু’সল্লিরা ম’সজিদে না আসায় দান বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণসহ নানাবিধ কারণে ম’সজিদের জন্য অনুদান ও সাহায্য সংগ্রহের কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়ে।

ফলে অ’নেক ম’সজিদই ই’মাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম’দের বেতন দিতে পারছে না। প্রায় এক মাস পর গত ৭ মে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুস্থ মু’সল্লিদের জন্য ম’সজিদে নামাজ আদায়ের নিয়ম করে সরকার। তবে মু’সল্লিরাও আর্থিক সংকটে থাকায় আগের মতো দান-অনুদান দিতে পারছেন না।

পাঁ’চ ওয়াক্ত না’মাজ পড়াতে ২৪ ঘণ্টা সাপ্তাহিক ছুটিবিহীন দায়িত্ব পালন করলেও খুব বেশি বেতন পান না ই’মাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম’রা। এমনকি এই পেশার মানুষদের জন্য নেই কোনও নির্ধারিত বেতন কাঠামো।

বি’ভিন্ন স্থানের ই’মাম ও মুয়াজ্জিনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজধানীতে এলাকা ভেদে ই’মাম’রা বেতন পান ৬ থেকে ১৫ হাজার টাকার পর্যন্ত। তবে অ’ভিজাত এলাকার কিছু ম’সজিদের ই’মাম’রা ২০-২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন পেয়ে থাকেন। মুয়াজ্জিনদের বেতন সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

গ্রামাঞ্চলে এই বে’তনের হার আরও কম।করো’নাভাই’রাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে আর্থিক অ’নুদান দিতে মে মাসে দেশের ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪৩টি ম’সজিদের জন্য ১২২ কোটি ২ লাখ ১৪ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার।

প্র’ধানমন্ত্রী বি’দ্যমান পরিস্থিতিতে ম’সজিদগুলোর আর্থিক অসচ্ছলতা দূর করতে প্রত্যেক ম’সজিদের অনুকূলে পাঁচ হাজার টাকা হারে অনুদান প্রদানের অনুমোদন দেন। ইস’লামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এই অনুদান বিতরণ করা হয়।

য’দিও সংশ্লিষ্টরা ব’লছেন, প্রয়োজনের তুলনায় অনুদানের এই টাকা অ’প্রতুল। একটি ম’সজিদে ই’মাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম মিলিয়ে কমপক্ষে তিন জন কাজ করেন। সে’খানে এককালীন মাত্র পাঁচ হাজার টাকা বণ্টন করা কঠিন।

আর বরাদ্দপ্রাপ্ত তালিকার বাইরে থাকা ম’সজিদগুলো একেবারেই বঞ্চিত। এদিকে অনুদানের টাকা প্রাপ্তি নিয়েও রয়েছে নানা অ’ভিযোগ। জুন মা’সে সংবাদপত্রে খবর প্রকাশ হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অনুদানের টাকা চাওয়ায় চাকরি হারিয়েছেন মাগুরার সদর উপজে’লার শত্রুজিতপুর ইউনিয়নের সিংহডাঙ্গা উত্তরপাড়া ম’সজিদের ই’মাম।

৩১ মে ওই ম’সজিদ কমিটির সভাপতি মীর খোরশেদ আলমের কাছে টাকা চাইলে ম’সজিদের ই’মাম আ’বু সাঈদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

যু’ক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আলেম’দের সহায়তায় প’রিচালিত ‘আন-নূর হেল্পিং হ্যান্ড বাংলাদেশ’ ২ হাজার পরিবারকে খাদ্য ও অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। এদের মধ্যে পাঁচ শতাধিক ই’মাম মুয়াজ্জিন সহায়তা পেয়েছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।

বাং’লাদেশে সং’গঠনটির নির্বাহী পরিচালক মা’ওলানা আনছারুল হক ইম’রান বলেন, ‘আম’রা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করেছিলাম, যারা সংকটে আছেন, তারা যেন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

আম’রা সা’হায্য গ্রহণকারীর নাম পরিচয় প্রকাশ না করেই সহায়তা করবো।সাধারণ মানুষ যেমন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তেমনি ম’সজিদের ই’মাম, মুয়াজ্জিন, আলেম’রাও যোগাযোগ করেছেন।

আ’মাদের কা’ছে কেরানীগঞ্জ, চাঁদপুর, গাজীপুর থেকে অনেকেই যোগাযোগ করেছেন—যারা ম’সজিদের ই’মাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম। দুই-তিন মাস ধরে এদের ম’ধ্যে কেউ পুরো বেতন পাচ্ছেন না, কেউ অর্ধেক পাচ্ছেন।

লোকলজ্জায় তারা কারও কাছে হাতও বাড়াতে পারছেন না। আম’রা তাদের আর্থিক সাহায্য করেছি। তবে আমাদের একার পক্ষে সবাইকে সহযোগিতা করা সম্ভব নয়, সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

’ইস’লামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী রোজার ঈদের আগে ই’মাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য এককালীন বরাদ্দ দিয়েছিলেন।

সেটির বিতরণ প্রায় শেষ। আর তালিকার বাইরেও কোনও ম’সজিদ চাইলে আম’রা বিতরণ করছি।আবারও বরাদ্দ দেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে আনিস মাহমুদ বলেন, ‘ইস’লামী ফাউন্ডেশন থেকে এমন কোনও পরিকল্পনা নেই।

তবে স’রকারের উচ্চপর্যায় থেকে কোনও সিদ্ধান্ত আছে কিনা, তা আমাদের জানা নেই।’বাংলা ট্রিবিউন

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony