দু’ধ আর র’সুন একস’ঙ্গে খেয়ে দেখু’ন, ভা’লো হয়ে যাবে আ’পনার।

দু’ধ হলো একটি পুষ্টিকর খাবার। ছোট-বড় সবাই দুধ খাওয়া উচিত। দুধ শ’রীরে শ’ক্তি যোগায়। তবে দুধের স”ঙ্গে যদি আরেকটি উপাদান মিশিয়ে খাওয়া যায় তবে চারটি রো’গ থেকে মু’ক্তি মিলবে। এটি হলো রসুন। রসুনে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান আর দুধ পুষ্টিকর খাবার।

দু’ধ ও রসুন মিশিয়ে খেলে শ’রীর থেকে বি’ষাক্ত পদার্থ দূ’র করে। এছাড়া শ্বা’সতন্ত্রকে ভালো রাখে।দুধের মধ্যে রসুন দিয়ে ঘু’মানোর খেলে অ্যাজমা, কফ, নিউমোনিয়া, হজ’মের স’মস্যা কমাতে ভালো কাজ করে। দুধে রসুন মিশিয়ে খাওয়ার উপকারিতার কথা জা’নিয়েছে স্বা’স্থ্যবি’ষয়ক ওয়েবসাইট ডেমিক।

উ’পকরণঃ ২০০ মিলিলিটার দুধ, চারটি রসুনের কোয়া, সামান্য মধু। প্রণালীঃ একটি পাত্রের দুধ নিয়ে গরম করুন ও তার মধ্যে রসুনের কোয়াগু’লো দিয়ে দিন। কয়েক মিনিট সি’দ্ধ করুন। সি’দ্ধ হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে সামান্য মধু মেশান। প্রতিদিন ঘু’মানোর আগে এ পানীয়টি পান করুন। শ’রীরের অবস্থা বুঝে চিকি’ৎসকের পরামর’্শ নিয়ে খাওয়াই ভালো।আরো খবর… অবশেষে ক্যা’ন্সারের টিকা আবি’ষ্কৃত হয়েছে। এই টিকা শ’রীরের যেকোনো অংশে ছ’ড়িয়ে থাকা ক্যা’ন্সারের জী’বাণু ধ্বং’স করবে বলে দা’বি করছেন গবেষকেরা। তবে ইতিহাস সৃষ্টিকারী এই টিকা এখনও পরীক্ষামূলক অব’স্থায় রয়েছে।

প্র’থমবারের মত এক রো’গীর শ’রীরে এই টিকা প্রয়োগ করার পর ইতিবাচক ই”ঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে দাবী করছেন বিশেষজ্ঞরা।অন্ধকার দেখা, ঘন ঘন শ্বা’সপ্রশ্বা’স নেয়া, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, খুব বেশি তৃষ্ণা অনুভূ’ত হওয়া, অস্বা’ভাবিক দ্রুত হৃদকম্পন, নাড় বা পালসের গতি বেড়ে যায়। হ’ঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কী করবেন? শাকসবজি, ফল ও শস্যদানা হ’ঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কিছু খাবার আপনি খেতে পারেন। বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আট’া, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদি।

এ’সব খাবারে বেশ উপকার পাবেন। কম চর্বিযুক্ত খাবার হ’ঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে ২ থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার মানে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই। টুকরো করে আধাকাপ ফল যাদের উচ্চ র’ক্তচা’পের স’মস্যা রয়েছে তারা ফল খেতে পারেন।টুকরো টুকরো করে কা’টা আধাকাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজে’র একটা আপেল বা অর্ধেকটা কলা অথবা আধাকাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং।নাশতার পর এক কাপ কফি খেতে পারেন। বিটের রস বিটের রস হাই ও লো প্রেসার দুটোর জন্য সমান উপকারী।

এ’টি র’ক্তচা’প স্বা’ভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এভাবে এক স’প্তাহ খেলে উপকার পাবেন। বাদাম লো প্রেসার হলে পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন। এটা প্রেসার বাড়াতে সহায়তা করে। পুদিনা ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর স”ঙ্গে স”ঙ্গে মা’নসিক অবসাদও দূ’র করে পুদিনা পাতা। এর পাতা বেটে নিয়ে এর স”ঙ্গে মধু মিশিয়ে পান ক’রতে পারেন। যষ্টিমধু আদিকাল থেকেই যষ্টিমধু বিভিন্ন রো’গের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আ’সছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে রেখে দিন। ২-৩ ঘণ্টা পর পান করুন।

এ’ছাড়া দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন। স্যালাইন শ’রীরে পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে নিম্ন র’ক্তচা’প হলে শুধু খাবার স্যালাইন মুখে খেলেই প্রেসার বেড়ে যায়। লো ব্লাড প্রাসারে খাবার স্যালাইন সবচেয়ে উপযোগী এবং তাৎক্ষণিক ফলদায়ক।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *