1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় নান্দাইলে করোনার টিকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় প্রাণ হারালো স্কুল ছাত্রী’র সহ-সভাপতির পিতার মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের শোক প্রকাশ সেবা সপ্তাহ-২০২২  উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃক র‍্যালি জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপিত ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে চেক বিতরণ কিশোরগঞ্জে জমকালো আয়োজনে উৎযাপন করা হলো মহামান্য রাষ্ট্রপতির ৭৯তম জন্মদিন কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে মহামান্য রাষ্ট্রপতি’র জন্মদিন পালন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আমাকে মনোনয়ন দিতে প্রধানমন্ত্রীকে বলেন; প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বিনা হিসেবে যারা জান্নাতে যাবে কিশোরগঞ্জে কিডস এন্ড মাদার্স ফ্যাশন লিমিটেডের শোরুম উদ্বোধন

দেনমোহরে চেয়েছি স্বা’মীর পাঁচ ও’য়াক্ত নামাজ….

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০
  • ৯৫ সংবাদটি দেখা হয়েছে

নগদ অর্থ নয়, সোনার গয়নাও নয়, না কোন ব্যাংক ব্যাল্যান্স। নব-বিবা’হিত স্বা’মী যেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত আদায় করে তার প্রতিশ্রুতি দিলে আর কিছু চায় না তার।

এমনই এক অভিনব দেনমোহরের বিনিময়ে বিবাহ সম্পন্ন হলো পাকিস্তানে। রা’সূলুল্লাহ (সাঃ) এর যুগেও এমন বিয়ে অ’নুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে একটি সূরা মুখস্ত করাকে বিয়ের দেনমোহর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল কন্যার পক্ষ থেকে।

সেই হিসেবে এই বিয়ে অভিনব না হলেও অনেকের জন্য তা অনুকরণীয় অবশ্যই হতে পারে।বিশেষ করে যখন কয়েক লাখ টাকার নগদ ঘরভর্তি আসবাবপত্র, গাড়ি ছাড়া বর্তমান যুগে বিয়ে হয় না।

সেখানে পাকিস্তানের টিভি সিরিয়ালের অভিনেত্রী ইয়াসরা (৩৪) তার বিপরীতে গিয়ে তার চেয়ে ১০ বছর কম বয়সী হাদিকে বিয়ে করতে সম্মতি জানিয়ে এই দেনমোহর দাবি করেন।

হাদি বর্তমানে এমবিবিএস-এর থিসিস নিয়ে ব্যস্ত। তাই স্বা’মীকে অহেতুক অর্থের জন্য চা’প না দিতে ইয়াসরার এমন সি’দ্ধান্ত।ইসলামী শরিয়তে বিয়ের সময় পাত্রীর পক্ষ থেকে পাত্রের কাছে তার সামর্থ্য অনুসারে দেনমোহর দাবি করা হয় যা বাসর রাতের আগে পরিশোধ করে দেয়া বা’ধ্যতামূ’লক।

পাত্রের পক্ষ থেকে কিছু আদায় করার অনুমতি নেই। যদিও বর্তমানে বরপক্ষ কনেপক্ষ থেকে মো’টা অংকের টাকা, আসবাবপত্র, বিলাসবহুল সামগ্রী দাবি করে। অন্যদিকে কনেপক্ষ থেকেও বিশাল অংকের দেনমোহর দাবি করা হয় যা পরিশোধ করা পাত্রের পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠে।

এমন পরিস্থিতিতে ইয়াসরা-হাদির এমন অভিনব বিয়ে প্রশংসাযোগ্য। অতি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করা হয়। ইয়াসরা বলেন, নামাজ শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।

নামাজ আমাদের পাপ কাজ থেকে বাঁচায়। এ জন্য আমি আমার স্বা’মীর কাছ থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতিশ্রুতি চেয়েছি।নিম্নে আরো পড়ুন: সকল মু’সলিম বান্দাকে নামাজ পড়তে হবে প্রিয়নবীর নির্দেশিত পথে নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায়ে বান্দা লাভ করবেন চিরস্থায়ী জান্নাত।

তবে বান্দাকে নামাজ পড়তে হবে প্রিয়নবীর নির্দেশিত পথে ও মতে। যারা প্রিয়নবীর নির্দেশ মতো নামাজ পড়বে তারাই চুড়ান্ত মুক্তি লাভ করবে। সুতরাং নামাজ পড়তে হবে গুরুত্বের স’ঙ্গে। আল্লাহ তাআলা বান্দার সফলতার জন্য নামাজকেই চাবিকাঠি বানিয়েছেন।

ঘোষণা করা হয়েছে- ‘অবশ্যই সেসব মুমিন সফলকাম হয়েছে; যারা তাদের নিজেদের নামাজে বিনয়াবনত।’ (সুরা মুমিনুন : আয়াত ১ ও ২)আর যারা যথাযথভাবে নামাজ আদায়ে ব্যর্থ হবে তাদের অবস্থান হবে কাদের সাথে? প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সফল ও ব্যর্থ নামাজ আদায়কারীদের দু’টি বি’ষয়ই সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন।

হাদিসে পাকে এসেছে- হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, একদিন প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন-‘যে লোক এ নামাজ সঠিকভাবে ও যথাযথ নিয়মে আদায় করতে থাকবে, তার জন্য (এ নামাজ) কেয়ামতের দিন নূর, অকাট্য দলিল (সুপারিশকারী) এবং পরিপূর্ণ মুক্তি নির্দিষ্ট হয়ে যাবে। পক্ষান্তরে যে লোক নামাজ সঠিকভাবে আদায় করবে না তার জন্য (এ নামাজ) নূর, অকাট্য দলিল এবং মুক্তি কিছুই হবে না। বরং কেয়ামতের দিন (অবহেলা ও অযত্নে নামাজ আদায়কারী) কারূন, ফিরাউন, হামান ও উবাই ইবনে খালফ-এর মতো পরিণতি বরণ করবে।’ (মুসনাদে আহম’দ, দারেমি, বায়হাকি)এ হাদিসের ভাষা কুরআনের সুরা মাউনের কথার মনে করিয়ে দেয়। আল্লাহ তাআলা সুরা মাউনে বলেন, অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাজির জন্য, যারা নিজেদের নামাজে অমনোযোগী।

যারা লোক দেখানোর জন্য তা (নামাজ আদায়) করে।’ (সুরা মাউন : আয়াত ৫ ও ৬) সুতরাং প্রত্যেক মুমিন মু’সলমানের উচিত যথাযথভাবে মনোযোগের স’ঙ্গে নামাজ আদায় করে কুরআন হাদিস ঘোষিত সুসংবাদ ও উপহার লাভ করা।

অমনোযোগীতা ও ভু’ল থেকে নিজেদের মুক্ত রেখে পরকালের চিরস্থায়ী জীবনে কল্যাণ ও সফলতায় রাঙিয়ে তোলা। আল্লাহ তাআলা মু’সলিম উম্মাহকে যথাযথভাবে নামাজ আদায় করার এবং নামাজের ভু’ল থেকে দূরে থাকার তাওফিক দান করুন।

নামাজের যাবতীয় উপকারিতা লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।(১) শি’শুরা সাধারণত মা-বাবার অনুকরণ করে থাকে। সুতরাং তাদেরকে দেখান যে আজান শুনার সাথে সাথে আপনি অজু করে নামাজের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

মু’সলিম মা-বাবা হিসেবে আপনি আপনার স’ন্তানের কাছে প্রথম উদাহরণ।আপনি যদি সবসময় ইবাদত-বন্দেগীকে অগ্রাধিকার দেন এবং এই ক্ষেত্রে কোন অলসতা বা অবহেলা না করেন তাহলেই আপনার স’ন্তান নামাজের প্রতি আ’গ্রহী হয়ে উঠবে।(২) আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) বলেছেন, তো

তোমাদের স’ন্তানদেরকে নামাজ শিক্ষা দাও, যখন তাদের ব’য়স থাকে সাত। আর যখন তারা দশ বছরে পৌঁছে যাবে তখন তোমা’রা তোমাদের স’ন্তানদেরকে নামাজের জন্য প্রহার করো। এবং তাদের বিছানা আলাদা করে দাও। (আবু দাউদ)বুঝা গেল, যদিও

সাত বছর ব’য়সে শি’শুরা নামাজ আদায় করতে বা’ধ্য নয় কিন্তু তারা সাত বছর থেকে নামাজে অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তরুণ হওয়ার পরেও নামাজের বি’ষয়ে অনাগ্রহী হবে না।(৩) আপনার বাসায় যদি জায়গা থাকে তাহলে নামাজের জন্য একটি রুমকে নির্দিষ্ট করে রাখু’ন। আর যদি অতিরিক্ত জায়গা না থাকে তাহলে অন্তত একটি রুমের এক কোণায় সামান্য জায়গা নামাজের জন্য নির্ধারণ করে রাখু’ন।

যাতে করে আপনার স’ন্তান বুঝতে পারে নামাজ পড়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা বি’ষয়। যার কারণে একটা নির্দিষ্ট জায়গা রাখা হয়েছে। আপনার স’ন্তানদেরকে শিক্ষা দিন যে, এটা শুধু নামাজের জন্য নির্ধারিত জায়গা।

এই জায়গাকে সব সময় পরিষ্কার ও পবিত্র রাখতে হবে।(৪) ছোটরা চাক্ষুষ বি’ষয় ও পুরস্কারের প্রতি বেশি আ’গ্রহী হয়ে থাকে। আপনার বাসায় ইসলামী ক্যালেন্ডার ঝু’লিয়ে রাখতে পারেন। এটা আপনার স’ন্তানদের প্রার্থনা করতে উৎসাহিত করবে। কেননা ইসলামী ক্যালেন্ডারটি আপনার স’ন্তানের চাক্ষুষ অনুস্মারক হিসাবে কাজ করবে। আর প্রতিটি শুক্রবার তাকে স্মরণ করিয়ে দিন।(৫) যখন আপনার স’ন্তানের ব’য়স সাত হয়ে যাবে তখন তাদেরকে নামাজের সময় শিক্ষা দিন।

তাদের জীবনের এই নতুন অধ্যায়কে উৎসাহিত করার জন্য আপনার স’ন্তানের বন্ধুদের বাসায় আমন্ত্রণ জানান এবং তাদেরকে হিজাব, তাজবিহ অথবা আজান দেয় এমন এলার্ম ঘড়ি গিফট করুন।(৬) আল্লাহর বি’ষয়টি বোঝা ছাড়া, প্রার্থনা শুধু একটি অনুষ্ঠান হয়ে উঠবে এবং পালনকর্তার সাথে আধ্যাত্মিক এবং মা’নসিক সংযোগের অভাব হয়ে পড়বে। শৈশব থেকে আপনার স’ন্তানদের আল্লাহর বি’ষয়ে শিক্ষা দিন।

আল্লাহ কীভাবে কীভাবে সবকিছু তৈরি করেছেন। তাদেরকে কি কি দিয়েছেন এবং তাদেরকে কীভাবে রক্ষা করবেন ইত্যাদি বি’ষয়ে তাদের সাথে কথা বলুন। এর মাধ্যমে আপনার স’ন্তানদের অন্তরে আল্লাহর প্রতি এক গভীর ভালোবাসা তৈরি হবে।(৭) নবীদের বিভিন্ন বি’ষয় নিয়ে বাসায় আলোচনা করুন। তাদের জীবনী পাঠ করুন এবং তাদের সিরাত নিয়ে কথা বলুন।

এটা আপনার জীবনে দৈনিক একটা রুটিন বানিয়ে নিন। নবীদেরকে তাদের সামনে মডেল হিসেবে তুলে ধরুন। তাহলে তারা তার মতো হতে চেষ্টা করবে।(৮) এটা একটা নাটকীয় পরিবর্তন হতে পারে, যে একদমই নামাজ পড়ে না সে প্রতিদিন পাঁচওয়াক্ত নামাজ পড়ছে।

তো শুরু হোক এই ছোট পরিবর্তন দিয়ে।(৯) আমরা সব সময়ই চাই আমাদের স’ন্তানরা নামাজকে ভালোবাসুক। কিন্তু এমন সময়ও আসবে যে, তারা অলসতা করবে এবং নামাজ পড়তে চাইবে না। মা-বাবা হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হবে তারা যেন সব সময়ই নামাজ পড়ে- সেই ব্যবস্থা করা।

বিশেষত তাদের ব’য়স যখন দশ বছর হয়ে যায়। তখন নামাজ ছেড়ে দেওয়া কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। নামাজ পড়ার বি’ষয়টা অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেলে কঠিন কিছু নয়।(১০) নামাজের প্রতি অনুরাগ একটি ইতিবাচক মনোভাব।

এটাকে উৎসাহিত করার একটি উপায় হচ্ছে, এটি নিয়ে একটি যৌথ অনুশীলন করতে হবে। প্রতিদিন পরিবারিকভাবে কমপক্ষে একবার নামাজ পড়ার চেষ্টা করুন।

আপনার স’ন্তান যদি আজান দিতে স’ক্ষম হয় তাহলে তাকে আজান দেওয়ার দায়িত্ব দিন।একুশর বাংলাদেশ

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony