1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট রোজায় পেটে গ্যাসের সমস্যা হলে- ডাঃ মুহাম্মদ আবিদুর রহমান ভূঞা কিশোরগঞ্জ র‍্যাব ১৪ এর অভিযানে প্রাইভেটকারসহ তিন গাঁজা ব্যবসায়ী আটক কিশোরগঞ্জে করোনায় মারা গেলেন মামাখ্যাত সৈয়দ বাশার কিশোরগঞ্জে বিএনপি-পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুরের ঘটনায় মামলা অনলাইনে জ্ঞানচর্চার অন্যতম প্ল্যাটফর্ম জ্ঞানের জগৎ আওয়ামীলীগ নেতা ও বিসিবি’র পরিচালক সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু করোনায় আক্রান্ত শবে বরাত : যা করতেন নবীজী (সা.) কিশোরগঞ্জে হরতাল সমর্থকদের আওয়ামী লীগ অফিসে অগ্নি সংযোগ কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যক্ষা দিবস পালন

দেশে আসছেন বিদেশি ক্রেতারা, ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পোশাক খাত।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২০
  • ১১ সংবাদটি দেখা হয়েছে

বা’তিল ও স্থ’গিতাদেশ হওয়া পোশাকের ক্রয়াদেশের পণ্য নিতে শুরু করেছেন বিদেশি ক্রেতারা। আবার নতুন করে আ’সছে ক্রয়াদেশও।

এরই মধ্যে অনেক কারখানাতেই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কাজ করার মতো পর্যাপ্ত ক্রয়াদেশ চলে এসেছে। ফলে ক’রোনাভা’ইরাসের শুরুর দিকে বিপর্যস্ত রপ্তানি আয়ের শীর্ষ খাতটি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।বর্তমানে যে পরিমাণ ক্রয়াদেশ আসছে, সেটিকে অবশ্য মন্দের ভালো বলছেন পোশাকশিল্পের মালিকেরা।

অন্তত আটজন কা’রখানামালিক জানান, গতবারের তুলনায় বর্তমানে ৭০-৮০ শতাংশ ক্রয়াদেশ আসছে, যা বর্তমান প’রিস্থিতিতে টিকে থাকতে সাহস জোগাচ্ছে।

অনেকগুলো বড় ব্র্যান্ড স্থগিত ও বাতিল করা ক্রয়াদেশের পণ্য আবার নিতে শুরু করায় পোশাক রপ্তানি গত জুনে বেশ খানিকটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তবে বি’শ্বব্যাপী ক’রোনা সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস ও টিকা আবিষ্কার না হওয়ায় একধরনের অনিশ্চয়তা এখনো রয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে ক’রোনাভা’ইরাস ছড়িয়ে পড়লে গত মার্চে সেখানকার বড় ক্রেতারা একের পর এক ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত করতে থাকেন। এদিকে দেশেও ভা’ইরাসটির সংক্রমণ রোধে ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছু’টি ঘোষণার পর মাসখানেক পোশাক কারখানা বন্ধ ছিল।

তাতে এপ্রিলে মাত্র ৩৭ কোটি মার্কিন ডলারের পোশাক র’প্তানি হয়, যা গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। পরের মা’সে রপ্তানি হয় ১২৩ কোটি ডলারের পোশাক। জুনে সেটি বেড়ে ২২৫ কোটি ডলারে গিয়ে দাঁড়ায়।

তারপরও বিদায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২ হাজার ৭৯৫ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়, যা তার আগের বছরের চেয়ে ৬১৮ কোটি ডলার কম।১৯৮৪ সালে প্র’তিষ্ঠিত চ’ট্টগ্রামের প্যাসিফিক জিনস গ্রুপের পাঁচটি কারখানা রয়েছে।

করোনা সংক্রমণের মধ্যেও সদ্য বিদায়ী ২০১৯–২০ অর্থবছরে তারা র’প্তানি করেছে প্রায় ৪০ কোটি ড’লারের পোশাক। তার আগের অর্থবছরের চেয়ে তাদের রপ্তানি কমেওনি, বাড়েওনি।

জানতে চাইলে প্যাসিফিক জিনসের পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দে’শগুলোতে বিক্রয়কেন্দ্র খোলার পরপরই ক্রে’তারা ক্রয়াদেশ দিতে শুরু করেছেন। আমাদের কারখানায় গতবারের চেয়ে বর্তমানে ৬০-৭০ শতাংশ ক্রয়াদেশ রয়েছে।’

তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ক্রয়াদেশ আছে। তারপরের ক্রয়াদেশও আসছে। তবে আসার গতিটা কম। অনেক সময় ক্রেতারা কারখানা বুকিং দেওয়ার পরও নানা কারণে শেষ পর্যন্ত ক্রয়াদেশ দেন না। ফলে কিছুটা অনিশ্চয়তা তো আছেই।এদিকে ক’রোনায় এ’কেবারে ক্রয়াদেশ কমেনি, এমন কারখানার খোঁজও পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুরোনো এক উদ্যোক্তা জানান, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ক্রয়াদেশ নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই তাঁর। গতবারের মতোই ক্রয়াদেশ রয়েছে কারখানায়। ক’রোনায় ক্রয়াদেশ তো কমেনি, বরং নতুন দু’টি ক্রে’তাপ্রতিষ্ঠানের ক্রয়াদেশ পেয়েছেন তিনি।পোশাক খাতের আরেক বড় প্রতিষ্ঠান ঢাকার রাইজিং গ্রুপ।

তাদের পোশাক কারখানার সংখ্যা ৭টি। ওয়ালমার্ট, ইন্ডিটেক্স, প্রাইমার্ক, টার্গেট, কিয়াবি, কে-মার্টের মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের পো’শাক তৈরি করা রাইজিং গ্রুপের রপ্তানির পরিমাণ বছরে ১৩ কোটি ডলার।রাইজিং গ্রুপের ব্য’বস্থাপনা পরিচালক মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘আমাদের সাতটি কারখানার মধ্যে ছয়টিতে ভালো ক্রয়াদেশ আসছে।

সব মিলিয়ে গ’তবারের তুলনায় ক্রয়াদেশের পরিমাণ ৮০ শতাংশের কাছাকাছি। তা ছাড়া মার্চে বাতিল ও স্থগিত হওয়া সব ক্র’য়াদেশের পণ্য ক্রেতারা নিতে শুরু করেছে। যদিও একটি ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যছাড় দিতে হয়েছে।’

মাহমুদ হাসান খান আরও বলেন, ‘করোনার শুরুর দিকে ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত হওয়ায় আমরা আতঙ্কিত হয়ে প’ড়েছিলাম। তবে বর্তমানে ক্রয়াদেশ আসার হার দেখে ভরসা পাচ্ছি। মনে হচ্ছে আমরা টিকে যেতে পারব।’

উদ্যোক্তারা গতবারের তুলনায় ৭০-৮০ শতাংশ ক্রয়াদেশ প্রাপ্তির যে কথা বলছেন, তার সঙ্গে রপ্তানি আয়ের চিত্রও মিলে যাচ্ছে। পোশাকশিল্পের মালিকদের সং’গঠন বিজিএমইএ গত বুধবার জানিয়েছে, ১ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত ৯৮ কোটি ৭০ লাখ ড’লারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে।

গত বছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ১১৯ কোটি ডলারের পোশাক।মার্চে পোশাকের ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত হওয়ায় মালিকেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়লে সরকার র’প্তানিমুখী কারখানার শ্রমিকদের মজুরি দেওয়ার জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্র’ণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে।

সেই তহবিল থেকে প্রায় ১ হাজার ৮০০ কারখানার মালিক মাত্র ২ শতাংশ সেবা মাশুলে ঋণ নিয়ে তিন মাসের মজুরি দিয়েছেন। অন্যদিকে দুই মাসের ব্যবধানে পোশাক রপ্তানিতে গতি ফিরলেও ইতিমধ্যেই বেশ ক’য়েক হাজার শ্রমিক ছাঁটাই করেছেন পো’শাকশিল্প উদ্যোক্তারা।

এপ্রিলে কারখানা বন্ধ থাকাকালে ৬৫ শতাংশ মজুরি দিয়েছেন। এমনকি শ্রমিকের ঈদ বোনাসেও হাত দিয়েছেন অধিকাংশ মালিক।বিজিএমইএর তথ্যানুযায়ী, ক’রোনায় ৩১৮ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানির ক্রয়াদেশ প্রা’থমিকভাবে বাতিল ও স্থগিত হয়েছিল।

তার মধ্যে প্রাইমার্ক ৩৩ কোটি, ইন্ডিটেক্স ৮ কোটি ৭০, বেস্টসেলার ৮ কোটি ৩০ লাখ, মাদারকেয়ার ৫ কোটি ৬০ লাখ, কোহলস ৫ কোটি ৪০ লাখ, গ্যাপ ৩ কোটি ৮০ লাখ, জেসি পেনি সাড়ে ৩ কোটি, ওয়ালমার্ট ১ কো’টি ৯০ লাখ, ডেবেনহাম ১ কোটি ৮০ লাখ ও রালফ লরেন ১ কোটি ডলারের ক্রয়াদেশ বা’তিল ও স্থগিত করে (হিসাবটি আনুমানিক)।

পরবর্তী সময়ে নানামুখী চাপের কারণে অধিকাংশ ক্রেতাই পণ্য নিতে সম্মত হন। তবে অর্থ পরিশোধে ছয় মাস পর্যন্ত সময় চান অনেকে। সর্বশেষ ২ জুলাই লেভি স্ট্রজ ও তার ক’য়েক দিন পর গ্যাপ ইনকরপোরেশন বাতিল করা ক্রয়াদেশের পোশাক পূ’র্ণ দাম দিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

ফলে ব্র্যান্ড দুটির ৩০-৪০টি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তারা কিছুটা হলেও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন।বাংলাদেশি পোশাকের অন্যতম বড় ক্রেতা প্র’তিষ্ঠান এইচঅ্যান্ডএম। সুইডেনভিত্তিক এই ব্র্যান্ড বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার বা ২৫ হা’জার ৫০০ কোটি টাকার পোশাক কিনে থাকে।

সেই হিসাবে ১০ শতাংশ বাংলাদেশি পোশাকের ক্রেতা হচ্ছে এইচঅ্যান্ডএম। করোনায় কোনো ক্রয়াদেশ বাতিল করেনি তারা। স্থগিত হওয়া ক্রয়াদেশের পণ্য নেওয়া শুরুর পাশাপাশি উ’দ্যোক্তাদের কাছে কো’নো মূল্যছাড়ও চায়নি।

পোশাকের ক্রয়াদেশের দাম পরিশোধের শর্তেও কোনো রকম পরিবর্তন করেনি এইচঅ্যান্ডএম।জানতে চাইলে এইচঅ্যান্ডএমের বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ইথিওপিয়ার প্রধান জিয়াউর রহমান বলেন, ‘গত দুই থেকে আড়াই মাসে আমরা ৫০ কোটি ড’লারের ক্রয়াদেশ দিয়েছি।

আমাদের ৩০০ সরবরাহকারী কারখানার সবাই ক্রয়াদেশ পেয়েছে। এইচঅ্যান্ডএমের ক্রয়াদেশ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্য প্রতিযোগী দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান ভালো। চীন ও তুরস্ক থেকে যেসব ক্রয়াদেশ সরছে, তার একটি অংশ বাংলাদেশে আসছে। কারণ, বাংলাদেশে উৎপাদন খরচ তুলনামূলক কম।’আগামী দুই-তিন মাসের পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চাইলে জিয়াউর রহমান আরও বলেন, ‘লকডাউনের পর বিক্রয়কেন্দ্র খুলেছে। কোনো কোনো দিন ভালো বিক্রি হচ্ছে। আবার কোনো দিন হচ্ছে না।

ফলে প্রতি সপ্তাহে পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হচ্ছে। তা ছাড়া লকডাউনের কারণে স্টক জমে গেছে। আমরা সেগুলো নিয়ে কাজ করছি। ফলে আগামী কয়েক মাস ক্রয়াদেশ কী পরিমাণ দেওয়া হবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।’বাংলাদেশি পোশাকের আরেক বড় ক্রেতা যুক্তরাজ্যভিত্তিক ব্র্যান্ড মার্ক্স অ্যান্ড স্পেনসার (এমঅ্যান্ডএস)। ব্র্যান্ডটির ১ হাজার ৪৬৩ বিক্রয়কেন্দ্রে গত বছর বাংলাদেশ থে’কে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের পোশাক গেছে। ব’র্তমানে এমঅ্যান্ডএসের পোশাক তৈরি করে দেশের ৫৫ জন সরবরাহকারী।

কারখানার সংখ্যা ৮৩।জানতে চাইলে এমঅ্যান্ডএসের বাংলাদেশ প্রধান স্বপ্না ভৌমিক বলেন, ‘করোনায় আমরা কাজের ধরন বদলে ফেলেছি। বিক্রয়কেন্দ্রে বিক্রি যে পরিমাণে হচ্ছে, সেই পরিমাণে ক্রয়াদেশ দিচ্ছি। নতুন ক্রয়াদেশের বেলায় আট সপ্তাহের বেশি সময় দিচ্ছি না। দ্রুত সরবরাহ করতে স্থানীয়ভাবে পোশাকের অনুমোদন দিতে শু’রু করেছি আমরা।

সেই সঙ্গে চীন থেকে কৃত্রিম তন্তুর সুতা আমদানি করে দেশেই কাপড় উৎপাদনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে গতবারের চেয়ে ৭০-৮০ শতাংশ ক্রয়াদেশ পাচ্ছে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।’করোনার শুরুর দিকে প্রস্তুত হওয়া পোশাকের বেশির ভাগই নেওয়া শেষ। প্রস্তুত হওয়া কিছু পণ্য পরে জাহাজে উঠবে। সে ক্ষেত্রে রপ্তানিকারকদের কাঁচামালের অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে। এমন তথ্য দিয়ে স্বপ্না ভৌমিক বলেন, উদ্যোক্তারা বর্তমান চ্যালেঞ্জের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিচ্ছেন। ফলে শিগগিরই বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি খাত ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।দেশের পোশাক রপ্তানিতে আরেক বড় প্রতিষ্ঠান এনভয় গ্রুপ।

১৯৮৪ সালে শুরু করা গ্রুপটির অধীনে রয়েছে ১৫টি পোশাক কারখানা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিখ্যাত জারা, নেক্সট, সিঅ্যান্ডএ, কেলভিন ক্লেইন, আমেরিকান ইগল, ওয়ালমার্ট, ডিজনিসহ বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ডের জন্য পোশাক সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি।এনভয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, যেসব ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত হয়েছিল, সেগুলো ক্রেতারা নিচ্ছেন।

অন্যদিকে নতুন ক্রয়াদেশ আসার যে প্রবণতা রয়েছে, সেটিও ইতিবাচক। যদিও জুলাই-আগস্ট লিংক পিরিয়ড, প্রতিবছরই মাস দুটিতে ক্রয়াদেশ কিছুটা কম থাকে। তিনি বলেন, সরবরাহকারীদের কাছে ক্রয়াদেশের চাহিদা বেশি থাকায় বর্তমানে বেশ প্রতিযোগিতা হচ্ছে। তা’তে কিছু ক্রেতা গতবারের চেয়ে কম দাম দিচ্ছেন। তবে অধিকাংশই আগের দামে ক্র’য়াদেশ দিচ্ছেন।

সাধারণ ছুটির মধ্যে কারখানা খুলে দেওয়ার মতো চ্যালেঞ্জিং সিদ্ধান্ত এবং শ্রমিকদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারায় পোশাক রপ্তানি ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী। তিনি বলেন, বড় কারখানাগুলো টিকে থাকার মতো ক্রয়াদেশ পেলেও ছোট ও মাঝারি কারখানা সেভাবে পাচ্ছে না। তাই অন্তত দুই মাস তা’দের শ্র’মিক-কর্মচারীর মজুরির জন্য সহায়তা দরকার।

জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের মজুরি দেওয়ার জন্য গত মাসে নতুন করে অর্থ চেয়েছিল পোশাকশিল্প মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। তবে বিজিএমইএর একজন সহসভাপতি জানান, স’রকারের তরফ থেকে ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।

ক’রোনায় বড়সড় ধা’ক্কা খাওয়ার কারণে বড় লিড টাইমে কাজ দিচ্ছে না বিদেশি ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ড। তারা কম লিড টাইমের ক্রয়াদেশ দিচ্ছে। ফলে আগামী ছয় মাস পোশাক রপ্তানি কতটা হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। এমন মন্তব্য করে বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক বলেন, বর্তমানে ক্রয়াদেশ আসার হার ভালো। পোশাকশিল্প টিকে থাকার লড়াইয়ে এটি সহায়তা করবে।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
সম্পাদক: আলী রেজা সুমন
All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized by Le Joe