1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় জেলা ছাত্রলী‌গের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত সেবা দেয়ার মন মানসিকতা এখন কারও মাঝে পাওয়া যায় না: প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক এম পি ভোরের আলো সাহিত্য আসর ও আমাদের হাওর ভ্রমণ সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ বলতে হবে এমন কোনো ধরনের রীতি নেই: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীতে বান্ধবীর জন্মদিনে গৃহবধূ ধর্ষণ: প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষককে গ্রেফতার করল পুলিশ নোয়াখালী সদর হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি হওয়ার দু’দিন পর উদ্ধার,আটক-১ কিশোরগঞ্জে ‘অভিশপ্ত আগস্ট’ নাটক মঞ্চস্থ কিশোরগঞ্জে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শোক দিবস পালন কিশোরগঞ্জ কলাপাড়া ক্রিকেট এসোসিয়েশনকে সদর উপজেলা পরিষদের চেক প্রদান সৈয়দ আশরাফের ম্যুরাল ভাঙ্গার আসামী পারভেজের ৩দিনের রিমান্ড

না’মাজ পড়ার স’ময় যদি পেছনের সা’রি থেকে বা’চ্চাদের হাসির আওয়াজ না আসে তাহলে প’রবর্তী প্রজন্মের ব্যাপারে ভ’য় করুন।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২০
  • ৮৯ সংবাদটি দেখা হয়েছে

না’মাজ পড়ার সময় যদি পেছনের সারি থেকে বাচ্চাদের হাসির আওয়াজ না আসে তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের ব্যাপারে ভ’য় করুন(এই কোটেশন তুর্কীর মসজিদেদেওয়ালে লিখা থাকে)ওমানের মসজিদে নামাজ আদায় করার সুযোগ হয়েছে আমার, প্রায় সবখানে দেখলাম বাচ্চারা মসজিদে মোটামুটি উপস্থিত থাকে। তাদের যেখানে ইচ্ছা খেয়াল খুশী মতো কাতারে দাড়ায়।

ব’ড়রা কিছু বলেনা,এমনকি অনেক সময় দেখলাম নামাজের সময় বাচ্চারা পেছনে বা সামনে কোন কাতারে হইহুল্লোড় করছে,নামাজ শেষে ইমাম,মুসল্লি কেউ কিছু বলেনা। আমি একদিন একজনরে জিজ্ঞেস করলাম এর কারন কি???তো তিনি বললেন বাচ্চারা হলো ফেরেস্তার মতো এরা এখানে আসবে একটু দুষ্টামি করবে কিন্তু দেখতে দেখতে এটাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে।

দু’ষ্টামির ব্যাপারটা বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঠিক হয়ে যাবে সেটা কোন ব্যাপার না। কিন্তু এখন যদি ওরে মসজিদে হু’মকি দামকি দেওয়া হয়,মা’রা হয় তাহলে সে তো আর এইখানে আসতেই চাইবেনা,একটা ভ’য় নিয়ে বেড়ে উঠবে এটা তো ঠিক না।বুখারী শরীফে এসেছে- রাসুল (সাঃ) তার নাতনী হযরত উমামা বিনতে যায়নাব (রাঃ) কে বহন করে (কোলে কিংবা কাঁধে) নামাজ আদায় করতেন।

য’খন তিনি দন্ডায়মান হতেন তখন তাকে উঠিয়ে নিতেন আর সিজদাহ করার সময় নামিয়ে রাখতেন।রাসুল (সাঃ) রুকু করার সময় তাকে পাশে নামিয়ে রেখে রুকু ও সিজদাহ করলেন। সিজদাহ শেষে আবার দাড়ানোর সময় তাকে আগের স্থানে উঠিয়ে নিতেন। এভাবে নামাজের শেষ পর্যন্ত প্রত্যেক রাকাতেই তিনি এমনটি করে যেতেন।(সুনান আবুদাউদ ৯২০)রাসুলুল্লাহ সঃ বলেছেন

যে আমাদের ছোটদেরকে স্নেহ করে না এবং বড়দেরকে সম্মান করতে জানে না সে আমার দলভুক্ত নয়।(আবু দাউদ, তিরমীজি, মুসনাদে আহমদ)তো এই ব্যাপারে তরুনদের সতর্ক হওয়া দরকার।মুরব্বিদের কে তাদের এইসব বুঝানো দরকার।আমাদের হুজুরদের বয়ানে এইসব স্পষ্ট করা দরকার।তাহলে বাচ্চারা মসজিদমুখি হতে আগ্রহী হবে।

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony