1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট পদ্মা সেতু উদ্বোধন আনন্দের জুয়ার কিশোরগঞ্জে তাড়াইলে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ মিছিলের পরিবর্তে ত্রাণ বিতরণ কিশোরগঞ্জে বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার আগে থেকেই প্রস্তুত- মো.খলিলুর রহমান কিশোরগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন হাওরের উন্নয়ন নিয়ে ঈর্ষান্বিত হইয়েন না- এমপি তৌফিক যোগ্য হাতেই সদর আওয়ামীলীগ কিশোরগঞ্জে অভিনব কায়দায় ব্যাংকে টাকা চুরি করতে গিয়ে এক ব্যক্তি আটক নিয়ন্ত্রণহীন গাড়ি ও জনসচেতনতার অভাবেই বেশিরভাগ সড়ক দূর্ঘটনা- পুলিশ সুপার কিশোরগঞ্জ নিকলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস_২০২২ উদযাপন

নামাজ পড়েও যেসব লোক ধ্বংস হয়ে যাবে।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২০
  • ৭৮ সংবাদটি দেখা হয়েছে

আ’ল্লাহ তা’য়ালা বলেন, ‘তারপর সে নামাজিদের জন্য ধ্বংস। যারা নিজেদের নামাজের ব্যাপারে গাফিলতি করে।

’ (সূরা মাউন : ৪-৫) এ আ’য়াতর ব্যাখ্যায় একজন প্র’সিদ্ধ মু’ফাসিসর বলেন, আয়াতের শুরুতে ‘ফা’ ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে ‘ফা’ ব্যবহার করার তা’ৎপর্য হচ্ছে- প্রকা’শ্যে যারা আখিরাত অস্বীকার ক’রে তাদের অবস্থা তুমি এখনই শুনলে আর এখন যারা নামাজ পড়ে অর্থাৎ মুসলমানদের সাথে শামিল মুনাফিকদের অবস্থাটা একবার দেখো।

তা’রা বা’হ্যত মুসলমান হওয়া সত্ত্বে¡ও আখিরাতকে মিথ্যা মনে করে, তাই দেখো তারা নিজেদের জন্য কে’মন ধ্বং’সের সরঞ্জাম তৈরি করছে।ধ্বংসের কাতারে আছে সেই মুসল্লি কারা?

এখানে ‘ফি সা’লাতিহিম’ ব’লা হয়নি। যদি ‘ফি সালাতিহিম’ বলা হতো, তাহলে এর মানে হতো, নিজের নামাজে ভুলে যায়। কিন্তু নামাজ পড়তে প’ড়তে ভু’লে যাওয়া ইসলামী শরিয়তে নিফাক তো দূরের কথা, গোনাহের পর্যায়েও পড়ে না।

বরং এটা আ’দতে কো’নো দোষ বা পাকড়াওযোগ্য কোনো অপরাধও নয়। বরং এখানে ‘আন সালাতিহিম’ বলা হয়েছে। এর মানে হচ্ছে- তারা নি’জেদের নামাজ থেকে গাফেল এবং এরাই ধ্বং’সকাতরতার দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে।

এই মু’সল্লিরা হ’লো-যাদের কাছে নামাজ পড়া ও না পড়া উভয়টিরই গুরুত্ব এক ও অভিন্ন।কখনো তারা না’মাজ পড়ে আবার কখনো পড়ে না।যখন নামাজ পড়ে, না’মাজের আসল সময় থেকে পিছিয়ে যায় এবং সময় যখন একেবারে শেষ হয়ে আসে, তখন উ’ঠে গিয়ে চারটি ঠোকর দিয়ে আসে।

না’মাজের জ’ন্য ও’ঠে ঠিকই কিন্তু একবারে যেন উঠতে মন চায় না এমনভাবে ওঠে এবং নামাজ পড়ে নেয় কিন্তু মনের দিক থেকে কোনো সাড়া পায় না।

যেন কো’নো আ’পদ তাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।নামাজের চেয়ে কাজের গুরুত্ব বেশি দেয়া। না’মাজের স’ময় চলে যাচ্ছে তিনি কাজে নিমজ্জিত আছেন।

না’মাজে দাঁ’ড়িয়ে কাপড় নিয়ে খেলা করে, হাই তুলে, আ’ল্লাহর স্মরণ সামান্যতম তাদের মধ্যে থাকে না। পু’রো নামাজের মধ্যে তাদের এ অনুভূতি থাকে না যে, তারা নামাজ পড়ছে।

না’মাজের ম’ধ্যে পঠিত বাক্যগুলো তোতাপাখির মতো আওড়ে যায়। কখন কী পড়ছে সেদিকে তাদের কো’নো খেয়াল থাকে না। ফলে নামাজ পড়তে থাকে কি’ন্তু মন চলে যায় দূরে, বহু দূরে। তাড়াহুড়া করে এমনভাবে নামাজ পড়ে নেয়, যাতে কিয়াম, রুকু ও সিজদা কোনোটাই ঠিক হয় না।

কে’ননা, কো’নো প্রকারে নামাজ পড়ার ভান করে দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করে।কোনো জায়গায় আটকা পড়েছে, চলো এ ফাঁকে নামাজ সেরে নেই। কিন্তু তা’দের জীবনে এ ইবাদতের কোনো মর্যাদা নেই।না’মাজের সময় এসে গেলে এটা যে নামাজের সময় এ অনুভূতিই তাদের মধ্যে থাকে না।

মু’য়াজ্জিনের আ’ওয়াজ কানে এলে তিনি কিসের আহ্বান জানাচ্ছেন, কাকে এবং কেন জানাচ্ছেন এ কথাটা এ’কবারো তারা চিন্তা করে না।এগুলোই আ’খিরাতের প্রতি ঈমান না রাখার আলামত।

কারণ ইস’লামের এ ত’থাকথিত দাবিদাররা নামাজ পড়লে কোনো পুরস্কার পাবে বলে মনে করে না এবং না প’ড়লে তা’দের কপালে শাস্তি ভোগ আছে এ কথা বিশ্বাস করে না। এ কারণে তারা এ কর্মপদ্ধতি অবলম্বন করে।

এ জ’ন্য হজ’রত আনাস রা: ও হজরত আতা ইবনে দিনার বলেন- ‘আল্লাহর শোকর তিনি ‘ফি সা’লাতিহিম’ বলেননি, বরং বলেছেন ‘আন সা’লাতিহিম সাহুন।’

অর্থাৎ আ’মরা না’মাজে ভুল করি ঠিকই কিন্তু নামাজ থেকে গাফেল হই না। এ জন্য আমরা মু’নাফিকদের অন্তর্ভূক্ত হবো না।কুরআন মজিদে মুনাফিকদের এ অবস্থাটি এভাবে বর্ণনা করা হয়েছে- ‘তা’রা যখনই নামাজে আসে অবসাদগ্রস্তের মতো আসে এবং যখনই আল্লাহর পথে খরচ করে অনিচ্ছাকৃতভাবে করে।’ (

সূরা তাওবাহ : ৫৪)রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘এটা মু’নাফিকের নামাজ, এ’টা মু’নাফিকের নামাজ, এটা মু’নাফিকের নামাজ। সে আসরের সময় বসে সূর্য দেখতে থাকে।

এমনকি সে’টা শ’য়তানের দু’টো শিংয়ের মাঝখানে পৌঁছে যায়। (অর্থাৎ সূর্যাস্তের সময় নিকটবর্তী হয়) তখন সে উঠে চারটে ঠোকর মেরে নেয়। তাতে আল্লাহকে খুব কমই স্মরণ করা হয়।’ (বুখারি, মু’সলিম ও মুসনাদে আহমাদ)আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তা’রা যখন নামাজের জন্য ওঠে, আড়মোড়া ভাঙতে ভাঙতে শৈথিল্য সহকারে নিছক লোকদেখানোর জন্য ওঠে এবং আল্লাহকে খুব কমই স্মরণ করে।’

( সূরা নিসা : ১৪২)ন’বী সা:-এ’র জামানায় কোনো ব্যক্তি নিয়মিত নামাজ না পড়ে মুসলমানদের দলের অ’ন্তর্ভুক্ত হতে পারত না। আর যদি সে অনবরত ক’য়েকবার জামায়াতে গরহাজির থাকত, তাহলে ধরে নেয়া হতো সে মুসলমান নয়।

তাই ব’ড় ক’ট্টর মুনাফিকরাও সে যুগে পাঁচ ওয়াক্ত মসজিদে হাজিরা দিত। কারণ এ ছাড়া মুসলমানদের দলে অন্তর্ভুক্ত থাকার আর দ্বিতীয় কোনো পথ ছিল না। কিন্তু তাদের অবস্থা ছিল এ রকম যে, আ’জানের আওয়াজ তার কানে আসতেই মু’নাফিকদের যেন জান বেরিয়ে যেত। মন চাইত না, তবু নে’হাত দায়ে ঠেকে তারা উঠত।

তাদের ম’সজিদে আ’সার ধরন দেখে পরিস্কার বোঝা যেত যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তারা আসছে না, বরং অ’নিচ্ছায় নিজেদের টেনে টেনে আনছে।জা’মায়াত শেষ হওয়ার পর এমনভাবে মসজিদ থেকে পালাত যেন মনে হতো কয়েদিরা বন্দিশালা থেকে মুক্তি পেয়েছে।

তাদের ওঠা’বসা, চ’লাফেরা তথা প্রতিটি পদক্ষেপ সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিত যে, আল্লাহর জিকিরের প্রতি তাদের বি’ন্দুমাও মানসিক টান ও আগ্রহ নেই।সুতরাং সালাতে আমাদের অবস্থাও যদি তাদের মতো হয়, তাহলে আমাদের ধ্বংস অনিবার্য হয়ে উঠে। পৃথিবীজুড়ে আমাদের দুরবস্থার প্রধান কারণ সালাত।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony