1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট পদ্মা সেতু উদ্বোধন আনন্দের জুয়ার কিশোরগঞ্জে তাড়াইলে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ মিছিলের পরিবর্তে ত্রাণ বিতরণ কিশোরগঞ্জে বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার আগে থেকেই প্রস্তুত- মো.খলিলুর রহমান কিশোরগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন হাওরের উন্নয়ন নিয়ে ঈর্ষান্বিত হইয়েন না- এমপি তৌফিক যোগ্য হাতেই সদর আওয়ামীলীগ কিশোরগঞ্জে অভিনব কায়দায় ব্যাংকে টাকা চুরি করতে গিয়ে এক ব্যক্তি আটক নিয়ন্ত্রণহীন গাড়ি ও জনসচেতনতার অভাবেই বেশিরভাগ সড়ক দূর্ঘটনা- পুলিশ সুপার কিশোরগঞ্জ নিকলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস_২০২২ উদযাপন

নোয়াখালীতে প্রাথমিক শিক্ষা পদক মনোনয়নে অনিয়মের অভিযোগ

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৩১ সংবাদটি দেখা হয়েছে

ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ রিপন,নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় চলতি ২০১৯ সালের শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদকের জন্য মনোনয়নে নীতিমালা লঙ্গনের অভিযোগ উঠেছে। শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে মুহাম্মদ মহিউদ্দিনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মনোনয়নের যোগ্য নয়।
কারন হিসেবে জানা গেছে, এ পদকের জন্য নীতিমালায় উল্লেখ করা আছে যে, যেই বছর পদক এর জন্য মনোনীত করা হবে মনোনীত ব্যক্তিকে তার চাকুরির বয়স পূর্ববর্তী বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৫ বছর পূর্ণ হতে হবে।

এক্ষেত্রে কথিত মনোনীত মহিউদ্দিন চাকুরীতে যোগদান করেছেন ২৯ জানুয়ারী ২০১৪ সালে। সে অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ এর মধ্যে তাঁর চাকুরির বয়স ৫ বছর পূর্ণ হয়নি। যা স্পষ্ট নীতিমালা লঙ্ঘন। তবুও মুহাম্মদ মহিউদ্দিন ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখ জেলা পর্যায়ে মনোনয়ন এর জন্য সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করেন।

সদর উপজেলায় আরও তিনজন সিনিয়র সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এ পদক প্রত্যাশী ছিলেন। যাদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। এরা হলেন- ২০০৫ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত মোঃ সাহাব উদ্দিন, ২০১০ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত লাভলী ইয়াছমিন এবং ২০১০ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত নাজিহা বিনতে আনোয়ার। এ বিষয়ে জেলাজুড়ে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারের মহৎ উদ্দেশ্যকে বিতর্কিত করার লক্ষ্যে একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে এসব কাজ করছে। কারণ সরকারের উদ্দেশ্য ভাল কাজের জন্য পুরস্কৃত করে কাজের প্রতি উৎসাহ বাড়ানো কিন্তু এইসব অনিয়মের কারণে কাজের প্রতি আরও অনীহা সৃষ্টি হচ্ছে বলে অনেকেই মনে করেন।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়নি। তবে সবার মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করার বিষয়টি বেশ লক্ষ্যনীয়।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony