পরে আছে এক’ই প’রিবারের ১১ জনের দে’হ…

রা’তের সু’নশান নিরবতার পর ভোর হলো। কিন্তু এক প্রতিবেশী এক ভ’য়াবহ দৃ’শ্য দেখে ঘাবড়ে যান।তিনি দেখেন রাজপথে পড়ে আছে ১১টি নিথর দেহ।

ভালভাবে দেখলেন তিনি। তারা সবাই এক পরিবারের মানুষ।বৃহস্পতিবার (৭ মে) কমপক্ষে ১১ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে।

রাম মোহন নামে স্থা’নীয় এক বা’সিন্দাভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজারকে জানিয়েছেন তার ভ’য়াবহ অভিজ্ঞতার কথা।

 

তিনি কা’ন্না ভেজা কন্ঠে সেই বিভৎস দৃশ্যের বর্নণা দিলেন।বললেন, গন্ধটা খুব ঝাঁঝালো নয়।

আ’মার তো ভালই লাগছিল প্রথমে। অনেকটা নেলপালিশ রিমুভারের মতো গন্ধ। একটু মৃদু।স্ত্রী-পুত্র

কে পিলিয়নে বসিয়ে রাতের অন্ধকারে স্কুটার ছুটিয়েছিলেন এক মধ্যবয়সি।জ্ঞান হা’রিয়ে একে একে পড়ে যাওয়ার পরে উল্টে যায় স্কুটারটি।

পিছনের চাকা ঘুরতে ঘুরতে স্থবির হয়ে যায় এক সময়।

পুলিশ সময়ে না নামলে ভোপাল কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি হতো বিশাখাপত্তনমেও।

গু’নছি অ্যাম্বুল্যান্স। সাতটা, দশটা এক সঙ্গে দৌড়চ্ছে হাসপাতালের দিকে।সামনে পুলিশের গাড়ি। ভেতরে থাকা মানুষগুলো যে যন্ত্রণায় কুঁকড়ে ছটফট করছেন, দিব্যি বোঝা যাচ্ছে।

গ্যা’সের গন্ধটা এখন ভীষণ অসহ্য লাগছে। যেন অ’সহায় মৃ’ত্যুর গন্ধ।গণমাধ্যমে ওই কেমিক্যাল প্ল্যান্টের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন,

অ’ন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তনমে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এলজি পলিমার ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের এক ধরনের উদ্ভিদ থেকে নির্গত রাসায়নিক থেকেই ওই বি’ষাক্ত গ্যাস তৈরি হয়েছে।

আ’র সেটি বাইরের বাতাসে মিশে যাওয়ায় এই দু’র্ঘটনা ঘটেছে। নি’হত ১১ জনের মধ্যে এক শি’শুও রয়েছে।

অ’সুস্থ হয়ে পড়েছেন এলাকার বহু মানুষ। আ’হতদের মধ্যে প্রা ২০০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *