প্র’থমবারের ম’তো বন্ধ থাকতে পারে ঈদে ট্রেন চলাচল।

ক’রোনাভা’ইরাসেের ক’বলে গোটা বিশ্ব। বাংলাদেশও এর ছোবল থেকে রক্ষা পায়নি। এ কারণে ২৫ মার্চ থেকে দেশে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। শুধু স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে নয়- ব্রিটিশ আমলেও যাত্রীবাহী ট্রেন এভাবে বন্ধ ছিল না।রেলওয়ে মহাপরিচালক শামছুজ্জামান শুক্রবার বিকালে যুগান্তরকে বলেন, ক’রোনা প্রতিরোধে ২৫ মার্চ থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

মা’লবাহী ট্রে’ন চলাচল করছে, তবে ট্রিপ একেবারে কমে এসেছে। ১ মে থেকে পার্সেল ট্রেন চা’লানো হলেও আশানুরূপ মালামাল পাওয়া যাচ্ছে না। এমন অবস্থায় যাত্রীবাহী ট্রেন চা’লানোর কথাবার্তা হলেও এখন পর্যন্ত আমরা স’রকারের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা পাইনি।তবে শোনা যাচ্ছে, এবারের ঈদ স্ব স্ব জায়গায় থেকে পালনের নির্দেশ আসছে।

সে ক্ষে’ত্রে ঈ’দ উপলক্ষেও ট্রেন পরিচালনা করার কোনো যুক্তি নেই। ঈদের সময়ে স্টেশন ও ট্রেনগুলোতে যে ভিড় হয়, তা কিছুতেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না।আন্তঃনগর ট্রেনের ৫০ শতাংশ টিকিট অনলাইনে দেয়া হয়। আন্তঃনগরের বাকি ৫০ শতাংশ টিকিট এবং ২৬৫টি লোকাল, মেইল ও কমিউটার ট্রেনের শতভাগ টিকিট স্টেশন থেকে দেয়া হয়। এতে টিকিট কাউন্টারে টিকিট প্রত্যাশীদের উপচেপড়া ভিড় হবে।

সে’খানে সা’মাজিক দূরত্ব কতটুকু নিয়ন্ত্রণ করা যাবে তা প্রশ্নসাপেক্ষ।রেলওয়ে অপারেশন দফতর থেকে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে রেল সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে- ট্রেন চা’লানোর নির্দেশনা এলে, নির্ধারিত টিকিটের অর্ধেক টিকিট বিক্রি করা হবে।

অ’র্থাৎ এ’কটি কোচে ৬০ টিকিট থাকলে- ৩০টি বিক্রি করে, একটি সিট খালি রেখে রেখে যাত্রী বসানো হবে। মেইল-লোকাল ও কমিউটার ট্রেন পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রাথমিক কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *