1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট সকল ধর্মের মানুষের বিশ্বাসের স্থান পাগলা মসজিদ; মিলল এবার ২ কোটির বেশি টাকা কিশোরগঞ্জে র‍্যাব এর পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ নারী এবং পুরুষ দুইজন গ্রেফতার বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলায় মডেল মন্দির নির্মাণের দাবিঃ হিন্দু মহাজোট কিশোরগঞ্জে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান বিষয়ে অবহিতকরণ সভা ফুটবলে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন করিমগঞ্জ বালিকা দল বাংলাদেশের সাফল্যের ‘উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত’ ওয়ালটন: জার্মান রাষ্ট্রদূত কিশোরগঞ্জে মুরগী সোহেলকে আটক করেছে র‍্যাব কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে ৭ ব্যবসায়ীকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত প্রথম আলো’র জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে হেনস্থা ও আটকের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মানববন্ধন শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস পালন

প্রথম হানাদারমুক্ত ভূরুঙ্গামারী উপজেলা

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৪৫ সংবাদটি দেখা হয়েছে

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: আজ ১৪ নভেম্বর ভূরুঙ্গামারী উপজেলা পাক হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দেশের প্রথম হানাদারমুক্ত হয় উপজেলাটি।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভূরুঙ্গামারী আক্রমনের পরিকল্পনা করার পর সেক্টর কমান্ডার এমকে বাশার, মিত্র বাহিনীর অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার জোসি সহ উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা সাহেবগঞ্জ সাব-সেক্টরে যান। এসময় ভারতীয় ষষ্ঠ মাউন্টেন ডিভিশনের একটি ব্রিগেড এবং বিএসএফ’র কয়েকটি কোম্পানী সার্বিক সামরিক সজ্জায় সজ্জিত হয়ে ভূরুঙ্গামারীর দক্ষিণ দিক খোলা রেখে পূর্ব, পশ্চিম ও উত্তর দিক থেকে একযোগে আক্রমনের সিন্ধান্ত নেয়। পরিকল্পনা মোতাবেক ১৩ নভেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় বাহিনীর যৌথ নেতৃত্বে প্রবল আক্রমণ শুরু হয়।

অবশ্য এর একদিন আগে থেকেই মিত্র বাহিনী কামান ও মর্টারের গোলা বর্ষণসহ মিত্র বাহিনীর বিমান শত্রুদের ওপর গোলা নিক্ষেপ শুরু করে। ১৪ নভেম্বর ভোর হওয়ার আগেই পাকবাহিনীর গোলা বর্ষণ বন্ধ হয়ে যায় এবং ওই দিন ভোরে মুক্তিবাহিনী জয় বাংলা শ্লোগান দিয়ে সিও অফিসের (বর্তমান উপজেলা পরিষদ) সামনে গিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করে।

এখান থেকে ৩০/৪০ জন পাক সেনা আটক করা হয় এবং তালাবদ্ধ একটি কক্ষ থেকে ১৬ জন বীরাঙ্গনাকে উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে ৫/৬ জন বীরাঙ্গনা গর্ভবতী ছিলেন। শুধু তাই নয়, তখন বাংকার থেকে পাক ক্যাপ্টেন আতাউল্লা খান এবং বুকে জড়ানো অবস্থায় একজন (বীরঙ্গনা) মহিলার লাশ উদ্ধার করা হয়।

দিবসটি পালন উপলক্ষে প্রতি বছর প্রেসক্লাব ও অন্যান্য সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকে।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Site design by Le Joe