1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট শ্রমজীবী মানুষের পাশে কিশোরগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড কিশোরগঞ্জে নকল সোনার বার নিয়ে দুই প্রতারক গ্রেফতার ৩৬০ জন আউলিয়াগণের পবিত্র নাম মোবারক ২৫ এপ্রিল থেকে খুলছে দোকানপাট ও শপিংমল কিশোরগঞ্জে দরিদ্র পথচারীদের মাঝে উড়ান ফাউন্ডেশন এর ইফতার বিতরণ রোজায় পেটে গ্যাসের সমস্যা হলে- ডাঃ মুহাম্মদ আবিদুর রহমান ভূঞা কিশোরগঞ্জ র‍্যাব ১৪ এর অভিযানে প্রাইভেটকারসহ তিন গাঁজা ব্যবসায়ী আটক কিশোরগঞ্জে করোনায় মারা গেলেন মামাখ্যাত সৈয়দ বাশার কিশোরগঞ্জে বিএনপি-পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুরের ঘটনায় মামলা

বঙ্গবন্ধুর ত্যাগের দৃষ্টান্ত সবার জন্য শিক্ষনীয় : প্রধানমন্ত্রী

নিউজ মনিটর ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৯ মার্চ, ২০২১
  • ৬৯ সংবাদটি দেখা হয়েছে
বঙ্গবন্ধুর ত্যাগের দৃষ্টান্ত সবার জন্য শিক্ষনীয় : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দল গোছানোর জন্য মন্ত্রীত্ব ত্যাগ করে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, তাঁর এই ত্যাগের দৃষ্টান্ত সবার জন্য শিক্ষনীয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ১৯৫৭ সালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদে ছিলেন, তিনি তখন মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেন আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করার জন্য। কারণ, তিনি জানতেন যেকোন অর্জন করতে হলে একটি শক্তিশালী সংগঠন দরকার।

শেখ হাসিনা আজ বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘মুজিব চিরন্তন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা লক্ষ্য নির্ধারণ করে রাজনীতি করতেন বিধায় দেশকে স্বাধীন করার জন্য তিনি লক্ষ্য স্থির করেছিলেন এবং ‘৫৬ সালে যখন আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে সেই কেবিনেটে তিনি মন্ত্রিত্ব পেয়েছিলেন।

তিনি বলেন, কিন্তু, দুঃখের বিষয় হলো আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা ভাসানী ১৯৫৭ সালে কাগমারি কনফারেন্সের পর আওয়ামী লীগ ভেঙ্গে দেন এবং ন্যাশনাল আওয়াম পার্টি নামে আরেকটি দল গঠন করেন। তিনি যখন দল ভেঙ্গে চলে যান তখন আওয়ামী লীগ সংগঠনটাকে শক্তিশালী করা একান্তভাবে প্রয়োজন ছিল এবং বঙ্গবন্ধু সেই সময় দলের জন্যই মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করেন।

অনুষ্ঠানে শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে এবং সংস্কৃতি মন্ত্রী কে এম খালিদ বক্তৃতা করেন। রাশিয়ান ফেডারেশনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সের্গেই ভি ল্যাভরভে’র একটি ধারণকৃত ভিডিও বার্তা অনুষ্ঠানে প্রচার করা হয়।

অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন। এরআগে ১০দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী দিনে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ এবং তাঁর সহধর্মিনী ফাজানা আহমেদ যোগ দিয়েছিলেন।

 

১০দিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠানমালায় যোগ দিতে আগামী ২২ মার্চ নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারির দুই দিনের সফরে ঢাকা আসার কথা রয়েছে। ভূটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং ২৪ ও ২৫ মার্চ এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগামী ২৬ মার্চ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

এদিনের অনুষ্ঠানের ধারাক্রমে জাতীয় সংগীত, পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠ, মুজিববর্ষের থিম সংগীত, ‘যতকাল রবে পদ্মা যমুনা’ শীর্ষক ভিডিও প্রদর্শন এবং স্বাগত সম্ভাষণ প্রদানের পর প্রতিপাদ্যভিত্তিক আলোচনা পর্ব শুরু হয়। এরপর সম্মানিত অতিথিদের ‘মুজিব চিরন্তন’ শ্রদ্ধা-স্মারক প্রদান করা হয়।

জাতির পিতার একের পর এক গ্রেফতার হবার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন, তিনি যে বাংলাদেশের মানুষের জন্যই একের পর এক সংগ্রাম করে যাচ্ছেন তা পাকিস্তানীরা ঠিকই বুঝতে পেরেছিল। তিনি এজন্য পাকিস্তানী ইন্টালিজেন্স ব্রাঞ্চের রিপোর্ট নিয়ে প্রকাশিত ‘সিক্রেট ডকুমন্টস অব ইন্টালিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অবদি নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ নামক বইয়ের খন্ডগুলো সবাইকে পড়ে দেখার আহ্বান জানান। সেখানে ইন্টালিজেন্স ব্রাঞ্চের রিপোর্টগুলো দেখলে জানা যায় দিনের পর দিন জাতির পিতা কি অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলার মানুষের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর নিজের জীবনে কোন চাওয়া-পাওয়া ছিল না। এই বাংলার মাটি যেটা হাজার বছরের পরাধীনতার গ্লানি বয়ে বেড়িয়েছে সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবই কিন্তু প্রথম এই মাটির সন্তান যিনি এদেশকে স্বাধীন করেছেন এবং এদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন। এই ভূমির পুত্র বা ভূমির সন্তান একমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যে কারণে, এদেশের মানুষের প্রতি তাঁর সবসময় একটা ভালোবাসা ছিল।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরে যারাই ক্ষমতায় এসেছে তাদের একটাই ভয় ছিল ঐ নামটা (বঙ্গবন্ধু) নিয়ে। কাজেই, তারা ২১টা বছর সবই নিষিদ্ধ করে রেখেছিল। কিন্তু যে সংগঠন জাতির পিতা গড়ে তুলেছিলেন সেই সংগঠন আওয়ামী লীগ কিন্তু সেই আদর্শ নিয়েই চলেছে এবং সংগ্রামের পথ বেয়ে আমরা ২১ বছর পর সরকার গঠন করে মানুষকে সেবা করার সুযোগ পেয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে বাংলাদেশ এক সময় বিশে^র কাছে বলতে গেলে হাত পেতে চলতো। যে বাংলাদেশকে জাতির পিতা স্বাধীন হবার পর যুদ্ধবিধ্বস্থ অবস্থা থেকে গড়ে তোলেন এবং দেশকে স্বল্পোন্নত দেশের পর্যায়ে রেখে যেতে সক্ষম হন।

তাঁর সরকার দেশকে আজ স্বল্পোন্নত অবস্থা থেকে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ে নিয় যেতে সক্ষম হয়েছে।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Site design by Le Joe