1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় নান্দাইলে করোনার টিকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় প্রাণ হারালো স্কুল ছাত্রী’র সহ-সভাপতির পিতার মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের শোক প্রকাশ সেবা সপ্তাহ-২০২২  উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃক র‍্যালি জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপিত ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে চেক বিতরণ কিশোরগঞ্জে জমকালো আয়োজনে উৎযাপন করা হলো মহামান্য রাষ্ট্রপতির ৭৯তম জন্মদিন কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে মহামান্য রাষ্ট্রপতি’র জন্মদিন পালন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আমাকে মনোনয়ন দিতে প্রধানমন্ত্রীকে বলেন; প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বিনা হিসেবে যারা জান্নাতে যাবে কিশোরগঞ্জে কিডস এন্ড মাদার্স ফ্যাশন লিমিটেডের শোরুম উদ্বোধন

বাংলাদেশি পণ্য নিচ্ছে না ভারত, প্রতিবাদে ভারতীয় পণ্য আমদানি বন্ধ।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০
  • ১১৭ সংবাদটি দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ থেকে র’ফতানি পণ্য গ্রহণ করছে না ভারত। প্র’তিবাদে বুধবার (১ জুলাই) সকাল থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতীয় পণ্য আম’দানি বন্ধ করে দিয়েছে বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনগুলো।

ফলে বাংলাদেশে প্র’বেশের অ’পেক্ষায় শতশত পণ্য বোঝাই ট্রাক আ’টকা পড়েছে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে। সিএন্ডএফ এজেন্ড কর্মচারীরা ও ভারত বাংলাদেশি রফতানি পণ্য গ্রহণ না করলে আম’দানি বাণিজ্য বন্ধের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে।

ভারত স’রকার ও সে দেশের ব্যবসায়ীরা ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে ঢোকার অনুমতি দিলেও বাংলাদেশি রফতানি পণ্য ভারতে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না।

বেনাপোল চেকপোষ্ট এলকায় র’ফতানি পণ্যর গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকায় তৈরি পো’শাক, গার্মেন্টস পণ্য ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্য থাকায় রোদ বৃষ্টিতে ভিজে পু’ড়ে ন’ষ্ট হওয়ার আ’শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ মফিজুর রহমান সজন জানান, ভারত আম’দানি পণ্য দিলেও তারা বাংলাদেশি রফতানি পণ্য গ্রহন করছেন না।

যার জন্য রফতানি কারক ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে আসা আম’দানি বাণিজ্য বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।দেশে করো’না পরীক্ষা বন্ধ হওয়ার পথে!দেশে করো’নাভাই’রাসের পরীক্ষার শুরু থেকে এ পর্যন্ত যত কিট সরকার সংগ্রহ করেছে সে সবের বিলই বকেয়া রয়েছে।

কেবল কিটই নয়, নতুন স্থা’পনকৃত পিসিআর মেশিন, এমনকি চি’কিৎসাকর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রীরও (পিপিই) কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি। টা’কা না পেয়ে কিট ও মেশিন সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এখন ওই স’রবরাহকারীদের একদিকে বোঝানো এবং অন্যদিকে নতুন স’রবরাহকারী খুঁজে বের করারও চেষ্টা চলছে।সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ১০টি সরবরাহকারী প্র’তিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ১৫ লাখ কিট আনা হয়েছে দেশে, যার মূল্য প্রতিটি দুই হাজার ৭০০ টাকা দরে প্রায় ৪০৫ কোটি টাকা।

এই বিল প’রিশোধ করা হয়নি। পিসিআর মেশিন বাবদ প্রায় ২০০ কোটি টা’কা বকেয়া পড়েছে। পিপিইসহ অ’ন্য উপকরণের বিল বকেয়া রয়েছে হাজার কোটি টাকার বেশি।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প’র্যায়ের ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে ও তথ্য-উপাত্ত থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।বিল পরিশোধ নিয়ে জ’টিলতার কারণ হিসেবে জানা গেছে, কেনাকা’টায় সঠিক প্রক্রিয়া বা বিধি-বিধান অনুসরণ না করা, কখনো বা তাত্ক্ষণিক মৌখিক নির্দেশে সরবরাহ নেওয়া এবং অ’তিরিক্ত দামসহ আরো কিছু দু’র্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে দু’র্নীতি দমন কমিশনের ত’দন্ত শুরু হওয়া।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এখন যেকোনো কেনাকা’টা বা বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে অধিকতর সতর্কতা অ’বলম্বন করছে। জরুরি পরিস্থিতির কেনাকা’টা হলেও এই মুহূতে উপযু’ক্ত বিধি-বিধান অ’নুসরণ ছাড়া সাহস করছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ফলে এ ক্ষেত্রেও এক ধরনের স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।শুধু বি’লই নয়, এর সঙ্গে আরেক জটিলতা তৈরি হয়েছে আম’দানি করা প্রায় আট লাখ কিট ফেরত দেওয়া নিয়েও। সব মিলিয়ে এমন পরিস্থিতির কারণে মা’রাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে দেশে করো’না পরীক্ষা কার্যক্রম।

এ অবস্থায় একটি কি’ট দিয়ে দুটি নমুনা পরীক্ষার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, শু’রুতে ১০টি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে জরুরি ভিত্তিতে কিট সরবরাহ করার আদেশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কখনো বা মৌখিক নির্দেশনা পেয়েও কেউ কেউ নিজেরা বিদেশ থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে কিট এনে সরবরাহ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে।

তবে এর মধ্যে ভাগে ভাগে প্রায় সাত লাখ কিট এনেছে এককভাবে এ’কটি প্রতিষ্ঠান, যাদের ওই কি’ট আনা হয়েছে চীন থেকে। বাকি আটটি প্রতিষ্ঠান প্রায় এক লাখ করে কিট এনেছে কোরিয়া, ইতালিসহ আরো কয়েকটি দেশ থেকে।

চীনের কিটগুলোর মতোই অন্য দেশের কিটও স্বাস্থ্য অ’ধিদপ্তর বুঝে নিয়ে বিভিন্ন ল্যা’বে বিতরণ করেছে। কিন্তু একপর্যায়ে ওই সব কিট ফেরত দেয় বিভিন্ন ল্যাব। পরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সেসব কিট ফেরত নিতে বলে সরবরাহকারীদের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চীন ছাড়া অন্য যেসব দেশের কিট সরবরাহ করা হয়েছে সেটা পিসিআর মেশিনে সেট হয় না বা সেট করতে দেরি হয়, এমন কারণ দেখিয়ে ফেরত নি’তে বলা হয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে। অন্যদিকে স’রবরাহকারীরা তাদের বিল পরিশোধে চাপ দিতে থাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে।

তাতে সাড়া না পেয়ে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নানা অজুহাত দেখিয়ে কিট সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।বাংলাদেশ মে’ডিক্যাল ইক্যুইপমেন্ট ইম্পোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. কাম’রুজ্জামান বলেন, ‘স’রবরাহকারীরা কোটি কোটি টাকা মূলধন খাটিয়ে লাখ লাখ কিট এনে দিয়েছে।

এখন যদি তারা ওই বিল না পায় কিংবা আবার কারো কা’রো কিট নানা অ’জুহাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ফিরিয়ে দেয় সেটা সরবরাহকারীদের পথে বসানোর শামিল হবে। বকেয়া বিল না পেলে তারা আবার কিট আনার টাকা পাবে কোথায়?

এ ছাড়া যারা পিসিআর মেশিন সরবরাহ করেছে তারাও বিল পাচ্ছে না। ফলে এখন আবার তাদের কাছে মে’শিন চাইলে তারা কিভাবে দেবে?’ওই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, যে অ’জুহাত দেখিয়ে সাত-আট লাখ কিট ফিরিয়ে দেওয়া চেষ্টা চলছে সেটা সঠিক নয়।

কিটগুলো দেশে থাকা সব পি’সিআর মেশিনেই সেট হয় এবং পরীক্ষাও হয় সঠিকভাবেই। এখানে অন্য কোনো ব্যা’পার থাকতে পারে বলে তিনি মনে করছেন।কাম’রুজ্জামান বলেন, ‘এ কিটগুলোর কার্যকারিতার মেয়াদ থাকে ছয় মাস।

এর মধ্যেই কারো কারো কিটের মেয়াদ দেড়-দুই মাস চলে গেছে। ফ’লে ওই সরবরাহকারীদের কেউ কেউ নিরুপায় হয়ে এখন কম দা’মে হলেও প্রাইভেট ল্যাবগুলোকে কিছু কিছু করে সরবরাহ করতে শুরু করেছে।

প্রাইভেট ল্যাবে যে কি’ট ব্য’বহার করা যায় তা কেন একই মেশিনে সরকারি ল্যাবে ব্যবহার করা যাবে না, সেটা বোধগম্য নয়।’

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony