1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জে অভিনব কায়দায় ব্যাংকে টাকা চুরি করতে গিয়ে এক ব্যক্তি আটক নিয়ন্ত্রণহীন গাড়ি ও জনসচেতনতার অভাবেই বেশিরভাগ সড়ক দূর্ঘটনা- পুলিশ সুপার কিশোরগঞ্জ নিকলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস_২০২২ উদযাপন কিশোরগঞ্জে সন্ত্রাসীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল সাবেক ছাত্রলীগ নেতার; আটক ১ রাত পোহালেই ঈদ; জামাত সকাল ১০টায় ইহলোক থেকে বিদায় নিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কামরুল আহসান শাহজাহান কিশোরগঞ্জ পুলিশের ঈদ উপহার পেয়ে হতদরিদ্রদের মাঝে স্বর্গীয় অনুভূতি নিরাপত্তার চাদরে শোলাকিয়া ঈদগাহ; জামাত শুরু সকাল ১০টায় কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের ইফতার ও দোয়ার মাহফিল প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে হতদরিদ্র ও ভূমিহীন পাবে নতুন ঘর

বাসভাড়ায় নৈরাজ্য, যাত্রীদের আশঙ্কাই সত্য হলো!

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৯৯ সংবাদটি দেখা হয়েছে

শর্ত ছিল, সী’মিতসংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালনা করতে হবে বাস। এই নিয়মে যাত্রীসেবা দিতে গিয়ে প’রিবহন মালিকদের ক্ষতি পোষাতে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

করোনা সংকটে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে শুরুর দিকে সীমিত যাত্রী বহন এবং স্বাস্থ্যবিধি কিছুটা অনুসরণ করা হয় বাস ও মি’নিবাসে।৬৬ দিন লকডাউন শেষে গত ৩১ মে থেকে গণপরিবহন চলাচল শুরু এবং ১ জুন থেকে বা’ড়তি ভাড়া আদায় করতে বলা হয়েছিল প্রজ্ঞাপনে।

এরপর ক্রমে যাত্রীর চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আগের মতোই অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন শুরু হয়। কিন্তু বাড়তি ভাড়া আর ক’মানো হয়নি। রাজধানীসহ দেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় ৬০ শতাংশের পরিবর্তে ১০০ শ’তাংশ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

সর্বত্র বর্ধিত ভাড়া আদায়ে শতভাগ তৎপরতা দেখালেও স্বাস্থ্যবিধিসহ প্রজ্ঞাপনের অন্য সব শর্তের দিকে কিন্তু কোনো ধরনের ভ্রুক্ষেপ নেই গণপরিবহনওয়ালাদের। অবশ্য পূর্ব অভিজ্ঞতার সূত্রে শুরুর দিকেই যা’ত্রীদের ধারণা ছিল, ভাড়া বেশি নিয়েও প্র’জ্ঞাপনের শর্ত মানবেন না পরিবহন মলিক-শ্রমিকরা।

শেষমেশ সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো। বেশি ভাড়ার বিনিময়ে দুই সিটে একজন বসানোর নিয়ম ভেঙে এখন সিট ভর্তির পর দাঁড় করিয়েও যাত্রী নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে ভাড়া না কমিয়ে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার দিকেই বেশি ম’নোযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ সড়ক প’রিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

২০১৬ সালের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকার বাস ও মিনিবাসের নির্ধারিত ভাড়া ছিল কিলোমিটারপ্রতি এক টাকা ৭০ পয়সা; কিন্তু যাত্রীদের অভিযোগ ছিল নির্ধারিত রেটে’র চেয়েও বেশি ভাড়া আদায়ের। ‘গেটলক’ ও ‘লোকাল’ নামে কো’নো কিছু ছিল না ভাড়াবিষয়ক প্রজ্ঞাপনে।

কিন্তু ‘গেটলক’ বা ‘সিটিং’ সার্ভিসের নামে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে থাকেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা। এদিকে ক’রোনা পরিস্থিতিতে ভাড়া ৬০ শতাংশ বা’ড়ানোর ফলে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া নির্ধারিত হয় দুই টাকা ৭২ পয়সা। এখন পর্যন্ত কিলোমিটারপ্রতি দুই টাকা ৭২ প’য়সা ভাড়া আদায় করা হচ্ছে যাত্রীদের কাছ থেকে।

কিন্তু এর আগে স্বল্প দূ’রত্বের যাত্রীদের সর্বনিম্ন ভাড়া ছিল সাত টাকা। তবে লোকাল সার্ভিসে এটি ছিল পাঁচ টাকা। কিন্তু এখন লো’কাল বাসেও সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনে রাজধানীর ভিআইপি সড়ক, প্রগতি সরণি ও মিরপুর রোডসহ বন্দরনগরী চট্টগ্রামের প্রতিটি রুটেই বেড়েছে যা’ত্রীর চাপ। অফিস সময়ের আগে ও পরে চাপ বেশি দেখা গে’ছে। এই সময়ে বাসগুলোর সব সিট যাত্রীতে পূর্ণ থাকে। এরপর দাঁড় করিয়েও নেওয়া হয়েছে যাত্রী। কিন্তু বেশি ভাড়াও ঠিকই নেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম নগরীর বেশ কয়েকটি রুটে গণপরিবহনে সরকার ঘোষিত ৬০ শতাংশ বেশি ভাড়ার চেয়েও অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হলেও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কোনো ধরনের নিয়ম মা’নার প্রবণতা চোখে পড়েনি। নগরীর ১ নম্বর রুট কালুরঘাট থেকে কোতোয়ালি মোড় পর্যন্ত হিউম্যান হলারে (মিনিবাস) যাত্রীপ্রতি ভাড়া আগে ১৩ টাকা থাকলেও ক’রোনা পরিস্থিতিতে আদায় করা হচ্ছে ২৫ থেকে ২৬ টাকা।

৮ নম্বর রুটে অক্সিজেন থেকে লালদীঘির পার পর্যন্ত বাসভাড়া ছিল ১০ টাকা।কিন্তু এখন নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা। অ’ক্সিজেন থেকে বায়েজিদ বোস্তামী টেম্পোভাড়া পাঁচ টাকার স্থ’লে এখন ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।

সকাল সোয়া ১০টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামী পেট্রল পাম্পের বিপরীত পা’শে টেম্পো থেকে নামা এক যাত্রীর কাছ থেকে ১০ টাকা ভাড়া রাখা হলো। দ্বিগুণ টাকা কেন নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে চালক নিস্পৃহ ক’ণ্ঠে বলেন, ‘ভাড়া আগে পাঁচ টাকা ছিল, এখন ১০ টাকা।’

এ সময় জয়নাল আবেদিন নামের ওই যাত্রী বলেন, ‘সরকার বলেছে গাড়িতে অ’র্ধেক যাত্রী নি’তে। ভাড়া ৬০ শতাংশ বেশি নিতে বললেও তারা তো আরো ৪০ শতাংশ বেশি নিচ্ছে। এ’কজনের সঙ্গে একজন লেগেই বসতে হচ্ছে। ভাড়াও বেশি।’ ৪ নম্বর রুটের ভাটিয়ারী থেকে নিউ মার্কেট পর্যন্ত বাসে যাত্রীপ্রতি ভাড়া ছিল ১০ টাকা।

এখন নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা।এভাবে মিনিবাস, হিউম্যান হলার, টেম্পোসহ বিভিন্ন গণপরিবহনে ৪০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি ভাড়া নিচ্ছেন মালিক-শ্র’মিকরা। চট্টগ্রামের অন্য সড়কগুলোতেও একই চিত্র পাওয়া গেছে। মোটকথা করোনা পরিস্থিতির সু’যোগে ভাড়া নিয়ে সীমাহীন নৈরাজ্য চলছে।

একটি রুটেও গণপরিবহনে শৃঙ্খলা দেখা যায়নি। পরিবহন মালিক, চালক ও সহকারীদের কাছে বন্দরনগরীর কয়েক লাখ যাত্রী জিম্মি হয়ে পড়েছে। এ থেকে তাদের রক্ষার কেউ নেই যেন। আর রাজধানী ঢাকার অ’বস্থাও প্রায় একই। উত্তরা থেকে এয়ারপোর্ট হয়ে কুড়িল বি’শ্বরোডে আসা বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকায় ভাড়া একবার বাড়লে তা আর কমে না।

ক’রোনার সময় য%B

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony