1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
শনিবার, ১২ জুন ২০২১, ০২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট বাংলাদেশের সাফল্যের ‘উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত’ ওয়ালটন: জার্মান রাষ্ট্রদূত কিশোরগঞ্জে মুরগী সোহেলকে আটক করেছে র‍্যাব কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে ৭ ব্যবসায়ীকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত প্রথম আলো’র জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে হেনস্থা ও আটকের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মানববন্ধন শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস পালন শ্রমজীবী মানুষের পাশে কিশোরগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড কিশোরগঞ্জে নকল সোনার বার নিয়ে দুই প্রতারক গ্রেফতার ৩৬০ জন আউলিয়াগণের পবিত্র নাম মোবারক ২৫ এপ্রিল থেকে খুলছে দোকানপাট ও শপিংমল কিশোরগঞ্জে দরিদ্র পথচারীদের মাঝে উড়ান ফাউন্ডেশন এর ইফতার বিতরণ

বিলুপ্তির পথে উড়ুন আর গাইন দ্বারা ধান ভানার শব্দ

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৩৭ সংবাদটি দেখা হয়েছে

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: রুপসী গ্রামবাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্য আজ হারাতে বসেছে। কিছুদিন আগেও গ্রামবাংলার প্রতিটি পরিবারের মা ও বোনদের উড়ুন আর গাইন দ্বারা ধানে পাড় দিয়ে ধান ভানতো। কিন্তু সেই ধান ভানার প্রচলন আর নেই বললেই চলে।

দিন দিন সেই প্রচলন উঠে যাচ্ছে রুপসী গ্রামবাংলা থেকে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মা ও বোনদের সেই ধান ভানার মনোরম দৃশ্য আর চোখে পড়ে না। আধুনিকতার ছোঁয়ায় আর বর্তমানে যান্ত্রিকতার যুগে সেই চিরচেনা মনোমুগ্ধকর দৃশ্য প্রায় হারিয়ে গেছে।

কালের বিবর্তনে বিলুপ্ত প্রায় গ্রামবাংলার ঐতিয্য এই শিল্পটি। এক সময় কুড়িগ্রাম জেলার প্রায় প্রতিটি বাড়ীতে ছিল উড়ুন আর গাইন কিন্তু এখন আর তেমন চোখে পড়ে না।

প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র ও অসহায় মা-বোনদেরও এক সময়ের উপার্জনেরও উৎস ছিল এই উড়ুন আর গাইন। অনেক মা-বোনরা অন্যের বাড়ীতে ধান ভেনে উপার্জন করে সংসার চালাতো। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে বিত্তবানদের ঘরে যখন ধান উঠতো তখন দরিদ্র, অসহায় মা-বোনেরা তাদের ধান ভানতো তখন আয়-উপার্জনও ভালো হতো। বর্তমানে উড়ুন ও গাইনের পরিবর্তনে চালু হয়েছে আধুনিক ধান ভানার রাইচ মিল।

বাংলাদেশের যেসব জায়গায় বিদ্যুৎ পৌছায়নি সেসব জায়গাতেও ডিজেল চালিত মেশিন ছাড়াও ভ্যান গাড়িতে শ্যালো ইঞ্জিন দিয়ে প্রতিটি বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে ধান ভানে। যার কারণে প্রত্যন্ত গ্রামঞ্চলের সেসব দরিদ্র ও অসহায় মা-বোনরা উড়ুন আর গাইন দ্বারা ধান ভানে জীবিকা নির্বাহ করতেন বর্তমানে তারাও এই পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় চলে গেছে।

ধান ভানা ছাড়াও উড়ুন গাইন এর সাথে ছিল গ্রামীণ জীবন যাপনের নিবিড় সম্পর্ক। গ্রামের কোন বাড়ীতে বিয়ের আয়োজন হলে আগেই আসতো উড়ুন আর গাইনের নাম। বর ও বধুর গায়ে হলুদের জন্য হলুদ বাটা হত এই উড়ুন-গাইন দিয়ে। উৎসব কিংবা অতিথি আপ্যায়নে বানানো হত রকমারি পিঠা-পুলি। আর পিঠা তৈরির মুল উপাদান আটা ভানা হত উড়ুন-গাইন দিয়ে। চিড়া, হলুদ, মরিচ, ধনিয়া ও মসলা গুড়ো করার কাজে ব্যবহার করা হত উড়ুন-গাইন। চাল, গম, ভুট্রা গুড়ো করে তৈরিকরা হত ছাতু তাছাড়া উড়ুন-গাইন দিয়ে বানানো হত গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খাবার শিদল।

সভ্যতার ক্রম বিকাশ আর যান্ত্রিকতার কল্যাণে বর্তমানে প্যাকেটজাত প্রায় সব কিছুই বাজারে পাওয়া যায়। ফলে সকলের অগোচরে অনেকটা চুপিসারে বিলুপ্ত প্রায় উড়ুন-গাইন।

তাছাড়া অনেকের মতে- আধুনিক যুগের মডার্ন গৃহবধূরা উড়ুন-গাইন ব্যবহার করাকে ঝামেলার কাজ মনে করায় এটি বিলুপ্ত হচ্ছে।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Site design by Le Joe