1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট পাগলা মসজিদের এবার মিলল ১৫ বস্তায় ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮২ টাকা কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি’র দায়ীত্ব থেকে শরীফকে অব্যাহতি আনন্দ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো SSNIMC এর সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আপনি কি রোগে ভুগছেন? দেখে নিন কোন রোগের জন্য কোন ডাক্তার দেখাবেন- কিশোরগঞ্জে উন্নত জাতের কচু ফসল ও উৎপাদন কলাকৌশল শীর্ষক প্রশিক্ষণ নারী সাংবাদিক মিতু’র বাড়ির রাস্তায় ঘর নির্মাণ, বাঁধা দেওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি নিকলীতে প্রভাবশালীর হাতে সাংবাদিক লাঞ্ছিত থানায় অভিযোগ নান্দাইলে টাকা দিল দেড় লক্ষাধিক,পেল না সেচ সংযোগ ৪৮ বোতল বিদেশী মদ ও গাঁজাসহ তাড়াইল থানা পুলিশের হাতে আটক ৫ “মেঘ বর্ষণ” সমাজ কল্যাণ সংস্থা’র মেধাবী ও অসহায়দের আর্থিক সহায়তা প্রদান

বেতন নিয়ে পো’শাক শ্র’মিকদের জন্য বড় দুঃ’সংবাদ।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৫ মে, ২০২০
  • ১২৪ সংবাদটি দেখা হয়েছে

বি’শ্বব্যাপী করো’নাভাই’রাসের মহামা’রির কারণে দেশের গার্মেন্টস সেকটরসহ বেশির ভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আয় কমে গেছে। লকডাউনের কারণে অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অস্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে আছে। আবার অনেক প্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়ার পথে।এমন পরিস্থিতিতে গার্মেন্টসের শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দিতে পারছে না বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান। শুধু তাই নয়, বেতন-ভাতা দিতে না পেরে শ্রমিকদের ছাঁটাই করার ঘটনাও ঘটেছে অনেক প্রতিষ্ঠানে।

গা’র্মেন্টস মালিকরা বলছেন, যেসব শ্রমিক ঈদে বাড়িতে চলে গেছেন, তারাতো চাকরি হারাবেনই, যারা ঠিক মতো কাজ করেন না, তারাও চাকরি হারাবেন।মালিকদের অনেকেই বলছেন, আগামী জুন থেকে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনা আরও বাড়বে। আর যারা চাকরিতে থাকবেন, তাদেরও অনেকের বেতন কমে আসবে। এরইমধ্যে গার্মেন্টস মালিকরা প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে শ্রমিক কমানোর পাশাপাশি শ্রমিকদের বেতন কমানোর বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছেন।এ প্রসঙ্গে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইএ’র সহ-সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘করো’নার এই দুঃসময়ে শিল্প-প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ।

এ’ই পরিস্থিতিতে সরকার, মালিক ও শ্রমিক— এই তিন পক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ, উৎপাদন নেই, এমন কারখানা শুধু বসিয়ে বসিয়ে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দিতে পারবে না।’তিনি উল্লেখ করেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভা’রত তাদের শ্রম আইন তিন বছরের জন্য স্থগিত করেছে। আমাদেরও সেই পথেই এগোতে হবে।সিদ্দিকুর রহমান জানান, শ্রমিকরা কত টাকা বেতনে চাকরি করবে, শ্রমিকদের পক্ষ থেকেই এ ধরনের প্রপোজাল আসতে হবে। তা না-হলে আপনা-আপনিই গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। আর কারখানা বন্ধ থাকলে এমনিতেই শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়বেন।

তি’নি বলেন, ‘ইতোমধ্যে অধিকাংশ মালিক শ্রমিকদের বোনাস দেওয়ার ক্ষমতা হারিয়েছে।’ আগামী জুনের পর থেকে কেবল অ’তি প্রয়োজনীয় শ্রমিক দিয়েই উৎপাদনে থাকতে হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘উৎপাদন ঠিক রাখার পাশাপাশি শ্রমিকরা যাতে করো’না বিস্তারের কারণ না হয়, সে জন্য এই ঈদে শ্রমিকদের গ্রামের বাড়িতে যেতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এই নির্দেশ অমান্য করে কেউ গ্রামে গেলে, তার শা’স্তিতো তাকে পেতেই হবে। কোনও মালিকই গ্রাম থেকে ফিরে আসা শ্রমিককে ১৪-১৫ দিন কোয়ারেন্টিনে রেখে বেতন দেবেন না। তবে কে গ্রামে গেছে, আর কে যায়নি, সেটা বের করা কঠিন।’এ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘শ্রমিকদের জন্য নির্দেশ ছিল— তারা যেন বাড়িতে না যায়।

কি’ন্তু কারা গেলো, বা কারা গেলো না, তা চিহ্নিত করা মুশকিল।’ তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফ্যাক্টরি চালাতে হবে। গ্রামে যাওয়া-আসার কারণে করো’নায় আ’ক্রান্তের আশ’ঙ্কা থাকে। কাজেই বাড়িতে যাওয়া শ্রমিকের কারণে অন্য শ্রমিকরা যাতে আ’ক্রান্ত না হয়, সেই দিকটা খেয়াল রাখতে হবে।’ তিনি উল্লেখ করেন, আগামী দিনগুলোতে কী’ হবে তা বলা মুশকিল। অর্ডারের কী’ হবে, তার ওপর নির্ভর করছে শ্রমিকের চাকরি। তার ওপর নির্ভর করছে কারখানার মালিকের টিকে থাকা। সর্বপরি দেশের অর্থনীতি সচল থাকার বিষয়।

শ্র’মিক নেতাদের দাবি, বর্তমানে চালু থাকা কারখানাগুলোর মধ্যে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কারখানা এখনও এপ্রিল মাসের মজুরি দেয়নি।পোশাক শ্রমিকদের মজুরি দিতে গত মা’র্চে মাসে পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করে সরকার, যেখান থেকে মাত্র দুই শতাংশ সুদে পোশাক শিল্প মালিকদের ঋণ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া এপ্রিলে মজুরি কমিয়ে ৬৫ শতাংশ ও ঈদ বোনাস অর্ধেক পরিশোধ করছেন মালিকরা। শুধু গার্মেন্টস নয়, অন্যান্য সেক্টরেও শ্রমিক কমানোর পরিকল্পনা করছেন মালিকরা।জানতে চাইলে কেপিসি ইন্ডাস্ট্রির মালিক কাজী সাজেদুর রহমান বলেন, ‘আমা’র কারখানা তিন মাস ধরে বন্ধ।

এ’ই তিন মাস বসিয়ে বসিয়ে বেতন দিয়েছি। কিন্তু অর্থের অভাবে শ্রমিকদের এবার বোনাস দিতে পারিনি। আগামী মাস থেকে হয়তো বেতনও দেওয়া সম্ভব হবে না। ফলে জুন থেকে হয়তো কিছু শ্রমিককে বিদায় দিতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘সব প্রতিষ্ঠানের মালিকই এখন অর্থ সংকটে পড়তে যাচ্ছেন। আর অর্থ সংকটে পড়লে প্রথম আ’ঘাতটা আসে শ্রমিকের ওপর।’

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony