ভা’ইয়া আমার এত বড় ক্ষ’তি কইরো না প্লি’জ ছে’ড়ে দাও।

আ’মি শ্রাবন্তী। আম’রা দুই বোন। আমি ছোট। আমা’র বড় আপুর বিয়ে হয়েছে ৭ বছর আগে। আপুর সংসারে চ’রম অভাবের কারনে আপু আর দুলাভাই পাড়ি জমায় ঢাকা শহরে। সেখানে তারা একটি গার্মেন্টস ফাক্টরিতে চাকুরী জোগাড় করে । দুই বছর অতিবাহিত হলে আপুর সংসারে স্বচ্ছলতা দেখা দেয়।

আ’পু আর দুলাভাইয়ের এখন অনেক টাকা।আমি তো অ’বাক! আমা’র নিজে’র আপু এসব কি বলছে? পরের দিন আমি আপুকে বললাম আমি এসব কখনো করব না। আমি কালই বাড়ি যাব। কে শোনে কার কথা। বাবার সমতূল্য দুলাভাই পরের রাতে একজনকে সাথে নিয়ে বাসায় আ’সল।

আ’পু আমাকে অনেক শাসিয়ে বলল- বেশী বাড়াবাড়ি করবি না। লোকটি যা বলে তাই করবি। নচেৎ সকলেরই বি’পদ।এসব না করলে তারা আমাদের এলাকায় থাকতে দেবে না। এই বলে আপু আমাকে ঘরে রেখে ঐ লোকটাকে ডাক দিল। তারপর আমাকে একা রেখে আপু দরজা ব’ন্ধ করে বাহিরে চলে গেল। এরপর আমা’র উপর চলল ঐ মানুষটার নি’র্যাতন। কিন্তু এমন অব’স্থায় আমা’রই বা কি করার ছিল।

এ’ভাবে কয়েকদিন চলল।আমা’র বাড়ি থেকে বাবা-মা ফোন দিয়ে আমাকে যেতে বলল। আমা’র আপু প্রথমে রাজি হচ্ছিল না। কিন্তু বাবার জে’রাজে’রিতে আমাকে বাড়ি যেতে দিতে রাজি হয়। বাড়ি যাবার আগে আপু আমাকে অনেক ভ’য়-ভীতি দেখিয়ে বলল এসব কথা যেন বাড়ির কেউ না জানে। আমি এসব কথা কখনই কাউকে বলতে পারি না। আমা’র জীবনের সেই কয়টা দিনের কথা আমাকে প্রতি মূহুর্তে তাড়া করে।

Facebook Comments
custom_html_banner1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *