1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জে কোরবানির ডিজিটাল পশুর হাট কুড়িগ্রাম জেলা যুবলীগের উদ্যোগে অন্ধ প্রতিবন্ধীদের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য বিতরণ কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিনামূল্যে শাক-সবজি বাজার উ‌দ্বোধন করিমগঞ্জ থেকে গাঁজা ও নগদ অর্থ’সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব আশরাফ আলী সোহান একজন তরুন উদ্যোক্তা সব্যসা‌চী লেখক ও ক‌বি ‌সৈয়দ শামসুল হ‌কের সমাধী‌তে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলী‌গের শ্রদ্ধা বাংলা’র শিক্ষক গাইছেন হিন্দিতে! কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক দানিস আর নেই হিয়া ইলেক্ট্রনিক্সকে অবাঞ্ছিতকরন প্রসঙ্গে কিশোরগঞ্জে বিশাল আকৃতির ষাঁড় নাম তার ভাটির রাজা; কুরবানিতে বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর বি’দায় হজ্বের ভাষণ পৃথিবীর সর্বকালের সর্ব’শ্রেষ্ঠ ভাষণ…

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০
  • ৭৩ সংবাদটি দেখা হয়েছে

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর বিদায় হজ্বের ভাষণ পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ।

মহান আল্লাহ তা’আলা মহানবী (সা.)-কে প্রেরণ করেছেন দ্বিন ইসলামকে বিজয়ী ও পূর্ণতা দানের জন্য। যখন দ্বিন ইসলাম বিজয় ও পূর্ণতা লাভ করে তখন তিনি তাঁর বিদা’য়ের কথা অনুভব করেন।

তাই তিনি হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা)-কে ইয়েমেনের গভর্নর নিযুক্ত করে প্রেরণকালে বলেছিলেন, ‘হে মুয়াজ, সম্ভবত এ বছরের পর আমার সঙ্গে তোমার আর সাক্ষাৎ হবে না। হয়তো

তুমি আমার মসজিদ ও আমার কবরের পাশ দিয়ে গমন করবে।’মহানবী (সা.)-এর এ কথা শুনে হজরত মুয়াজ (রা.) প্রিয় নবীর বিদা’য়ের কথা ভেবে কাঁদতে লাগলেন।

৮ জিলহজ রাসুলুল্লাহ (সা.) মিনায় অবস্থান করেন এবং ৯ জিলহজ
বিদায় হজ্বের ভাষণ ঐতিহাসিক ভাষণ দেন, যা বিদায় হজের ভাষণ হিসেবে সুপরিচিত।

আমাদের প্রিয় নবী হয’রত মুহাম্মদ (সা:) এর ঐতিহাসিক ভাষণঃ-
১। হে জনতা, আমার কথাগুলো গভীর মনোযোগ দিয়ে শোনো, আমি জানি না, এবারেরপর তোমাদের সঙ্গে এ জায়গায় আর একত্র হতে পারব কি না।

২। হে মানবমণ্ডলী, স্মরণ রাখো, তোমাদের আল্লাহ এক, তাঁর কোনো শরিক নেই।তোমাদের আদি পিতা

 

এ’কজন, অনারবদের ওপর আরবদের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। তদ্রূপ সাদার ওপর কালোর কোনো প্রাধান্য নেই। আল্লাহ ভীতিই শুধু শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদার মানদ’ণ্ড।

৩। তোমাদের পরস্পরের রক্ত ও ধন-সম্পদ আজকের দিন, এ মাস এবং এ শহরের মতো পবিত্র। ৪. শোনো, জাহেলিয়াতের সব কিছু আমার পদতলে পিষ্ট করা হয়েছে। জাহেলিয়াতের র’ক্তের দাবিও রহিত করা হলো।

৫। জাহেলি যুগের সুদ রহিত করা হলো। আমাদের মধ্যকার প্রথম যে সুদ আমি রহিত করছি তা হলো

, আ’ব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিবের সুদ। এখন থেকে সব ধরনের সু’দ হা’রাম করা হলো।

৬। স্ত্রীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভ’য় করো। কেননা আ’ল্লাহর আমানতস্বরূপ তোমরা তাদের গ্রহণ করেছ

এবং আল্লাহর কলেমার মাধ্যমে হালাল করা হয়েছে। তাদের ওপর তোমাদের অধিকার রয়েছে যে তারা তোমাদের বিছানায় এমন কাউকে স্থান দেবে না,
যাদের তোমরা পছন্দ করো না।তারা এরূপ করলে প্রহার করতে পারো। তবে ক’ঠোর প্রহার করবে না। তোমাদের ওপর তাদের অধিকার হলো, তোমরা যথাযথ অন্ন-বস্ত্র প্রদান করবে।

৭। আমি তোমাদের কাছে এমন দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, যা

দৃ’ঢ়ভাবে ধারণ করলে পথভ্রষ্ট হবে না। একটি হলো আল্লাহর কিতাব আর অন্যটি হলো আমার সুন্নাহ।

৮। হে জনতা, মনে রেখো, আমার পরে কোনো নবী নেই। তোমাদের পরে কোনো উম্মত নেই। ফলে তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদত করবে। পাঁচ

 

ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে,রমজানের রোজা রাখবে, স্বেচ্ছায় ধন-সম্পদের জাকাত ‘দে’বে, আল্লাহর ঘরে হজ করবে,শাসকের আনুগত্য করবে। যদি তোমরা এসব পালন করো, তাহলে তোমাদের রবের জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে (ইবনে মাজাহ)।

৯। হে মানবমণ্ডলী, ‘পিতার অ’পরাধে পুত্র দায়ী হবে না এবং পুত্রের অ’পরাধে কোনো পিতাকে দায়ী করা হবে না।

১০। তোমাদের সঙ্গে আমার সম্পর্কের প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হবে। তোমরা তখন কী বলবে? সাহাবায়ে কেরাম প্র’ত্যুত্তরে বলেন, আমরা সাক্ষ্য দেব যে আপনি দ্বিনের দাওয়াত দিয়েছেন, আল্লাহর

 

বাণী পৌঁছিয়ে দিয়েছেন, ন্যস্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। মহানবী (সা.) এ কথা শুনে শাহাদাত আঙুল আকাশের দিকে উত্তোলন করে লোকদের দিকে ঝুঁ’কিয়ে তিনবার বলেন, হে রব, আপনি সাক্ষী থাকুন (সহিহ মুসলিম)।

১১। প্রত্যেক মুসলমান ভাই ভাই। তোমরা তোমাদের দাস-দাসী স’ম্পর্কে সতর্ক থাকবে।তোমরা যা খাবে তাদেরও তা খেতে দেবে। তোমরা যা

 

পরিধান করবে তাদেরও তা পরতে দেবে। তাদের অ’পরাধ ক্ষমা করে দেবে। শা’স্তি দেবে না।

১২। হে মানবজাতি, ধর্মের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করবে না। কেননা অতীতের অনেক জাতিএ বাড়াবাড়ির কারণে ধ্বং’স হয়েছে। উপস্থিত ব্য’ক্তিদের দায়িত্ব

 

 

হবে আমার এ কথাগুলোঅনুপস্থিত লোকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।হজরত রাবিয়া ইবনে উমাইয়া ইবনে খালফ জনতার কাছে উচ্চকণ্ঠে এ বাণী পৌঁছে দেন

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony