1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট রোজায় পেটে গ্যাসের সমস্যা হলে- ডাঃ মুহাম্মদ আবিদুর রহমান ভূঞা কিশোরগঞ্জ র‍্যাব ১৪ এর অভিযানে প্রাইভেটকারসহ তিন গাঁজা ব্যবসায়ী আটক কিশোরগঞ্জে করোনায় মারা গেলেন মামাখ্যাত সৈয়দ বাশার কিশোরগঞ্জে বিএনপি-পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুরের ঘটনায় মামলা অনলাইনে জ্ঞানচর্চার অন্যতম প্ল্যাটফর্ম জ্ঞানের জগৎ আওয়ামীলীগ নেতা ও বিসিবি’র পরিচালক সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু করোনায় আক্রান্ত শবে বরাত : যা করতেন নবীজী (সা.) কিশোরগঞ্জে হরতাল সমর্থকদের আওয়ামী লীগ অফিসে অগ্নি সংযোগ কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যক্ষা দিবস পালন

মাটি খেকো ভাবি’ হিসেবে পরিচয় ছড়িয়ে পড়ছে এমপি দুর্জয়ের স্ত্রীর।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০
  • ১৬ সংবাদটি দেখা হয়েছে

মানিকগঞ্জের ঘি’ওর-দৌ’লতপুর ও শিবালয় উপজে’লার সর্বত্রই চলছে সং’সদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দু’র্জয়ের স্বজনদের বে’পরোয়া দ’খলবাজি।

তাদের আ’গ্রাসী থাবা থেকে স’রকারি সম্পত্তি,খাস জমি, খাল-বিল এমনকি ব্যক্তি মালিকানার জায়গা জমি, ভিটে মা’টি কোনো কিছুই রেহাই পাচ্ছে না। কোথাও তা দ’খল করে নিজেদের নি’য়ন্ত্রণেই নিয়ে নিচ্ছে আবার কো’থাও কোথাও সে দ’খলবাজির জমি পজেশন আকারে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এমপি নাইমুর রহমান দুর্জয় এবং তার স্ত্রীর বি’রুদ্ধে। আরো অভিযোগ আছে, জমি দ’খলের পু’রো কা’জটি দুর্জয়ের হয়ে নি’য়ন্ত্রণ করেন তারই চাচা এবং মানিকগঞ্জ জে’লা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তায়েবুর রহমান টিপু।

এদিকে, এমপির চাচা টিপু জায়গা কেনাবেচা থেকে কমিশন হা;তানোর অ’পকর্ম করলেও দুর্জয় পত্নীর পরিচয় ছড়িয়ে পড়ছে ‘মা’টি খেকো ভাবি‘ হিসেবে। সর্বত্রই জায়গা জ’মির মাটি খনন করে তা বিক্রি করা এবং খাল-নদী ড্রেজিং করে বালু বাণিজ্যের নে’শা পেয়ে বসেছে তাকে।

পরিচয় গো’পন রাখার শর্তে স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, দ’খল ভীতির কারণে জে’লার বাইরে থেকে কো’নো ব্যক্তি বা বা’ণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ওই এলাকায় জমি কিনতে আসে না।

সে কারণে জমি কেনাবেচাও খুবই কম। আর বাংলাদেশ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং সড়ক ও জনপথের মতো সংস্থার স’রকারি জমি এবং নদীভাঙা সম্পদ, বাজার বা অ’ন্যান্য খাস জ’মি দ’খলে নেওয়া তো এমপির লোকজনের নি;ত্যদিনের ব্যাপার।

ভূমি অফিস ও এ’লাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, দুর্জয় এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর বিগত পাঁচ ছয় বছরে শুধু দৌলতপুর এ’লাকাতেই শতাধিক একর খাস জমি দ’খল করে নি’য়েছেন।উপজে’লা সদরের খাল-নালা ভরাট করে তা পজেশন আকারে বিক্রি করার ঘ’টনাও ঘটেছে।

দৌলতপুর বাজারে জে’লা প্রশাসনের নি’ষেধাজ্ঞা অ;মান্য করেই স’রকারি নালা দ’খল করে ভরাট হয়েছে, সেখানেই এখন গড়ে উঠেছে বড় আকারের মার্কেট।

দোকান প্রতি পাঁ’চ থেকে ছয় লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ‘পজেশন’ ব’রাদ্দও দিয়েছেন টিপু।একইভাবে আরিচা ও পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় বিআইডব্লিউটিএর কয়েক কোটি টাকা মূ’ল্যের জায়গা দ’খল করে নিয়েছে টিপুর বাহিনী।

সেখানে এখন শ’তাধিক দোকানপাটের জন্য পজেশন বরাদ্দের পাঁ’য়তারা চলছে। জাফরগঞ্জ নৌবন্দর সং’লগ্ন যেসব জায়গা জমি কয়েক বছর আগে যমুনাগ’র্ভে বিলীন হয়েছিল অদৃশ্য কাগজপত্রের সাহায্যে সেসব জায়গার মালিক সেজেছেন এমপির চাচা টিপু।

স্ট্যাম্পে লিখিত দেওয়ার মাধ্যমেই নদীর সেই জায়গা বেচাকেনাও করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অ’ভিযোগ আছে, জমি দ’খলের ম’হড়ায় যুক্ত আছেন এ’মপিপত্নী ফারহা’না রহমান হ্যাপি। তরা-মুলজান শিল্পাঞ্চলের অনেক জায়গা জমি হাতিয়ে নেওয়া হ’য়েছে হ্যাপীর নামেও।

তার নামে ঢাকা-আ’রিচা মহাসড়ক সংলগ্ন সড়ক ও জনপথের বহু দামী জায়গা হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। মূ’লজান এলাকায় এই জমিতেই হ্যা’পির নামে দুর্জয় পরিবারের শপিং মল তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা যায়।এমপির স্ত্রী হওয়ায় জমি পু’নরুদ্ধারে অনেকটাই হ;তাশ সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

তরা ক্র’সব্রিজ থেকে মানিকগঞ্জ সদর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত ছয় কি’লোমিটার মহাসড়কের অন্তত চারটি পয়েন্টে অন্তত পাঁ’চ একর জায়গা দ’খল করা হয়েছে। সেসব স্থান কাঁ;টাতারের বেড়া দিয়ে আলাদা সীমানা করে দেওয়া আছে।

এছাড়া কৃ’ষি জমি থেকে মাটি কে’টে বিক্রি করারও অভিযোগ আছে হ্যাপির বি;রুদ্ধে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মেগা ফিড কারখানার পেছনে অন্তত তিনটি স্প’টে ফসলি জমি দ’খল করে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে।

সেই মাটি আনা-নেওয়ার কাজে ট্রাক চা’লিয়ে ক্ষ’তি করা হচ্ছে আশেপাশের ফসলি জমির।অভিযোগ আছে, এভাবেই স্ত্রী’র নামে স’ম্পদের পাহাড় গড়েছেন নাঈমুর রহমান দুর্জয়। প্রথম দফায় এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রতি বছর গড়ে দুর্জয়ের আয় বাড়ে প্রায় ৮ গুণ।

এর বাইরেও, স্ত্রী, চাচা এবং পরিবারিকভাবে সম্প’র্কিত অ’ন্যান্য ব্যক্তিবর্গের নামে-বেনামে অ’বৈধ সম্পদ রেখেছেন তিনি।

অবশ্য নির্বাচন ক’মিশনে জমা দেওয়া হলফনামায়, স্ত্রী ফারহা’না রহমান হ্যাপির নামে যথাযথ কোনো আয়ের উৎস দেখাতে পা’রেননি দুর্জয়।অভিযোগ আছে, অ’বৈধভাবে অর্জিত এই সম্পদ বিদেশে পা’চার করে দুজন মিলে মালয়েশিয়ায় গড়েছেন ‘সেকেন্ড হোম’।

এসব অভিযোগের বি’ষয়ে জানতে চাইলে অবশ্য সেগুলো অস্বীকার করেন দুর্জয়ের চাচা তায়েবুর রহমান টিপু। আরিচা ও পাটুরিয়া এলাকায় জায়গা জমি নিয়ে দলীয় ক’র্মীদের মা’ঝে থাকা বি’রোধ তিনি ‘মিটিয়ে দিয়েছেন মাত্র’ বলে দাবি করেন। তবে হ্যাপির নামে থাকা জমি দিয়ে তিনি কি করবেন সে বি’ষয়ে অন্য কারও ‘মাথা ব্য’থার’ কারণ দেখেন না বলেও জানান টিপু।

আর সম্পদের বি’ষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দেখবে বলে জানান সং’সদ সদস্য নাঈমুর রহমান দুর্জয়। অন্যদিকে তার নাম ব্য’বহার করে কেউ যদি অন্যায় কাজ করে তাহলে তা’দের নাম পরিচয় জানতে চেয়েছেন তিনি। অভিযোগ পেলে নিজেই ‘ব্যবস্থা’ নেওয়ার দাবি করেন।

দুর্জয় বলেন, আয়ের উৎ’স তো এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) দেখবে। এ’নবিআর দেখুক আয়ের উৎস, আয়ের টাকা কই গেল? আর মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোমের বি’ষয়ে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগের সূত্র সম্প’র্কে জানতে চান।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
সম্পাদক: আলী রেজা সুমন
All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized by Le Joe