1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট পাগলা মসজিদের এবার মিলল ১৫ বস্তায় ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮২ টাকা কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি’র দায়ীত্ব থেকে শরীফকে অব্যাহতি আনন্দ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো SSNIMC এর সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আপনি কি রোগে ভুগছেন? দেখে নিন কোন রোগের জন্য কোন ডাক্তার দেখাবেন- কিশোরগঞ্জে উন্নত জাতের কচু ফসল ও উৎপাদন কলাকৌশল শীর্ষক প্রশিক্ষণ নারী সাংবাদিক মিতু’র বাড়ির রাস্তায় ঘর নির্মাণ, বাঁধা দেওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি নিকলীতে প্রভাবশালীর হাতে সাংবাদিক লাঞ্ছিত থানায় অভিযোগ নান্দাইলে টাকা দিল দেড় লক্ষাধিক,পেল না সেচ সংযোগ ৪৮ বোতল বিদেশী মদ ও গাঁজাসহ তাড়াইল থানা পুলিশের হাতে আটক ৫ “মেঘ বর্ষণ” সমাজ কল্যাণ সংস্থা’র মেধাবী ও অসহায়দের আর্থিক সহায়তা প্রদান

মানুষের র’ক্তসহ ব’ছরে প্রায় ২৫টি গরুর র’ক্ত খায় নিরীহ এই প্রা’ণী।

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২৭ মে, ২০২০
  • ৮৬ সংবাদটি দেখা হয়েছে

এ’ই প্রা’ণী সা’রাদিন অন্ধকার স্থানে ঘুমায় আর রাত হলে শিকার ধরে তার র’ক্ত চুষে খায়।তবে পার্থক্য শুধু এটাই যে, এই ভ্যাম্পায়ার দেখতে মানুষের মত নয়, বাদুড়ের মত। এই প্রা’ণীটি ভ্যাম্পায়ার ব্যাট বা র’ক্তচোষা বাদুড় নামে পরিচিত। মূলত তিন প্রজাতির বাদুড়কে সাধারণভাবে ভ্যাম্পায়ার ব্যাট বলা হয়।এই নামকরণের কারণ হচ্ছে, এরাই একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রা’ণী যারা খাদ্য হিসেবে শুধুমাত্র জীবিত প্রা’ণীর উষ্ণর’ক্ত পান করে।

এ’ই তি’ন প্রজাতির বাদুড়ের সঙ্গে অন্যান্য বাদুড়ের খুব কমই মিল পাওয়া যায়। ধারনা করা হয়, এই র’ক্তখেকো প্রা’ণীদের বিবর্তন একবারই হয়েছিল এবং তারা সবাই একটি সাধারণ পূর্ব পুরুষ থেকেই এসেছে।একটি চায়ের কাপের সমান এই র’ক্তচোষা বাদুড় পাতা-নাক বাদুড় পরিবারের সদস্য। তাদের শুধুমাত্র উত্তর এবং দক্ষিণ আ’মেরিকার দেশগুলোয় পাওয়া যায়।

এ’ই বাদু’ড়ের নাক চ্যাপ্টা, তাতে ‘ইউ’ আকৃতির খাজ রয়েছে।নাকে একটি বিশেষ তাপ সংবেদী অঙ্গ রয়েছে যার মাধ্যমে শিকারের একদম চামড়ার কাছে কোথায় র’ক্তের স্রোত বইছে তা খুঁজে বের করতে পারে।

এ’ছাড়াও, তা’দের মস্তি’ষ্কে একটি ইনফ্রারেড রিসেপ্টর পাওয়া গেছে, যা সাপের সংবেদী অঙ্গের মত একই জায়গায় থাকে এবং অন্ধকারে শিকারের অবস্থান বুঝতে পারে।ভ্যাম্পায়ার ব্যাট সাধারণত ঘুমন্ত প্রা’ণীর র’ক্ত খেয়ে থাকে। তারা ধারালো দাঁত দিয়ে প্রথমে শিকারের চামড়ায় একটি ফুটো করে।

সে’ই ফু’টো থেকে র’ক্ত পরা শুরু করলে জিহবা দিয়ে চেটে চেটে খায়। র’ক্ত খাওয়ার সময় বাদুড়ের মুখ থেকে একধরনের লালা নিঃসৃত হয়, ফলে র’ক্ত জমাট না বেঁধে একটানা বের হতে থাকে। ভ্যাম্পায়ার ব্যাট প্রায় তিরিশ মিনিট পর্যন্ত একটানা র’ক্ত খেতে পারে কিন্তু শিকার একদমই টের পায় না।

বা’দুড় যে প’রিমাণ র’ক্ত খায় তাতে শিকারের কোন ক্ষতি না হলেও বাদুড়ের কামড় থেকে ইনফেকশন বা অন্যান্য রোগ হতে পারে। ১০০টি বাদুড়ের একটি কলোনি বছরে প্রায় ২৫টি গরুর র’ক্তের সমান র’ক্ত খেয়ে থাকে। তারা সাধারণত গরু, ছাগল, ঘোড়া, শুকর ইত্যাদি প্রা’ণীর র’ক্ত খায়।

ত’বে সু’যোগ পেলে মানুষের র’ক্তও খায়। শি’শু বাদুড় র’ক্ত নয়, মায়ের দুধ খেয়ে বেড়ে ওঠে।র’ক্তে জন্ম নেয়া এক ধরনের ভাই’রাস, ‘এন্ডোজেনাস রেট্রোভাই’রাসের’ বি’রুদ্ধে তাদের শরীরে বেশ শক্ত প্রতিরোধ ব্যবস্থা রয়েছে।

এ’ই ভাই’রাস তাদের জেনেটিক ম্যাটেরিয়ালের কপি হোস্টের জিনোমে ঢুকিয়ে দেয়। ভ্যাম্পায়ার বাদুড় তাদের শরীরের উপর এই ভাই’রাসকে প্রভাব ফেলতে দেয় না।একমাত্র উড়ন্ত স্তন্যপায়ী প্রা’ণী হওয়াতে অন্যান্য বাদুড় প্রজাতি যেখানে মাটিতে হাঁটা একদম ভুলেই গেছে সেখানে ভ্যাম্পায়ার বাদুড় খুব ভালো’ভাবে মাটিতে হাঁটতে, লাফাতে এমনকি দৌড়াতেও পারে।

এ’জন্য তা’রা পিছনের পায়ের চেয়ে বেশি সামনের ডানার উপরে নির্ভরশীল। মূলত এই ডানাই তাদের হাঁটার এবং উড়ার শক্তি জোগায়।আইইউসিএন (IUCN) রেডলিস্ট অনুযায়ী র’ক্তখেকো বাদুড় শংকামুক্ত প্রা’ণী। তবে তাদের র’ক্ত খাওয়ার স্বভাবের কারণে অনেক জায়গায় অনেক কুসংস্কার প্রচলিত আছে।

আ’সলে ভ্যা’ম্পায়ার বা’দুড় অন্যান্য বাদুড়ের মতই নিরীহ একটি প্রা’ণী। শুধুমাত্র খাদ্যের প্রয়োজন ছাড়া অন্য কোনো কারণে তারা কারো ক্ষতি করে না।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony