1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় বিশ্ব এন্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ পালিত ৬ দিনে মামলা নিষ্পত্তি কিশোরগঞ্জে ইউএইচএন্ডএফপিও ফোরামের পরিচিতি ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে নিসচা’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ দিবস উপলক্ষে বর্নাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হলেন আবু তাহের নিকলীতে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কিশোরগঞ্জে জাতীয় স্যানিটেশন মাস শুরু পাগলা মসজিদের এবার মিলল ১৫ বস্তায় ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮২ টাকা কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি’র দায়ীত্ব থেকে শরীফকে অব্যাহতি

মোর খুব বাহে!

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৫৪৭ সংবাদটি দেখা হয়েছে

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা ফাতেমা বেগম (৪৯)। তিনি বড়ভিটা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড বড়লই লম্বাগ্রামের মৃত বাবু মিয়ার মেয়ে। স্বামী পরিত্যাক্তা নিঃসন্তান এই মহিলা দীর্ঘ দিন যাবৎ ভগ্নপ্রায় একটি ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জীবিকা নির্বাহের কোন অবলম্বন না থাকলেও তার ভাগ্যে কোন সরকারি সহায়তা জোটেনি। ভগ্নপ্রায় একচালা ঘরে বাস করলেও তার নামে বরাদ্দ হয়নি সরকারি ঘর।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, বড়লই লম্বাগ্রামে পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া জমিতে বসবাস বৃদ্ধপ্রায় ফাতেমা বেগমের। একটিমাত্র ভগ্নপ্রায় একচালা টিনের ঘর। এর একদিকে টিন ও তিনদিকে বাঁশের চাটাই দিয়ে বেড়া দেয়া। এক কোণে রান্নার চুলা, রান্নার খড়ি রাখার যায়গা। পাশেই রাখেন থালা, বাটি, হাড়ি, পাতিল। রাতের বেলায় এ ঘরেই রাখতে হয় তার একমাত্র ছাগলটিকেও। অন্য কোনায় রয়েছে শোবার জন্য ছোট্ট একটি চৌকি। জামাকাপড় ঝুলিয়ে রাখেন বেড়ার ওপর।

কান্নাজড়িত কন্ঠে ফাতেমা বেগম জানান, বাবা মোর কিছুই নাই। ২৫ বছর আগে বাচ্চা কাচ্চা হয়না দেখিয়া মোর স্বামী মোক ছারি গেইছে। তখন থাকি মোর বাপের দেওয়া এই জায়গা কোনাত ঘর তুলিয়া আছোং। অন্যের বাড়িত কামাই করিয়া কোন মতে খায়া না খায়া দিন যায় মোর। ঘরটা দিন দিন ভাঙ্গি যাবাইনছে। কেমন করি যে থাকিম। ঝরি (বৃষ্টি) বাতাস হইলে ওশসানি পানিতে ঘর ভিজি যায়। বিছনাত শুতপার পাংনা বাহে। অমাত ছাগলটাক নিয়া এক কোনাত বসি থাকং। মোর কষ্ট কাইও দেখেনা বাহে।

এলাকাবাসী জানায়, ফাতেমা বেগম খুব কষ্টে দিন পার করলেও অদৃশ্য কারণে তিনি ভাতা ও সরকারি ঘর পাচ্ছেন না। তার চেয়ে হতদরিদ্র এ এলাকায় আর কেউ নেই। তিনি ভাতা ও সরকারি ঘর সবার আগে পাবার যোগ্য।

বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড সদস্য খৈমুদ্দিন চৌধুরীর কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি ফাতেমা বেগমের মানবেতর জীবনযাপনের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাকে ভাতাসহ সরকারি সুযোগ সুবিধা পাওয়ার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony