1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট শোক দিবস উপলক্ষে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফ্রি চিকিৎসা প্রদান প্রতি বছরের মতো বৌলাই পীর সাহেব বাড়িতে পবিত্র আশুরা পালিত বউ শ্বাশুড়ির ঝগড়ায় ছেলের আত্মহত্যা কিশোরগঞ্জ জেলা টিসিবি ডিলার এ্যাসোসিয়েশন’র সভাপতি আঃ হেকিম ও সাধারণ সম্পাদক রতন কিশোরগঞ্জে পরকীয়ার জেরে হত্যা; ৪৮ ঘন্টার মধ্যে চার্জশিট দাখিল তাড়াইলে ডা.মমিন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন শোলাকিয়া জঙ্গি হামলায় নিহতদের স্মরণে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন চিকিৎসকের ফেসবুক পোস্টে অজ্ঞাত রোগীর সন্ধান পেলো স্বজনরা পদ্মা সেতু উদ্বোধন আনন্দের জুয়ার কিশোরগঞ্জে তাড়াইলে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ মিছিলের পরিবর্তে ত্রাণ বিতরণ

যেভাবে নামকরণ হয় সু’পার সা’ইক্লোন ‘আ’ম্ফানের’…..

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০
  • ১২৮ সংবাদটি দেখা হয়েছে

: আ’ম্ফান অ’র্থ শ’ক্তিমান বা শ’ক্তিশালী। এটি থাই শব্দ। থাইল্যান্ডের আবহাওয়াবিদেরা এই নামটি দিয়েছেন।ব’ঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার দেশের আবহাওয়াবিদেরা

মিলে ৬৪টি ঘূ’র্ণিঝড়ের নামের একটি তালিকা করেছিলেন। ওই তালিকার সর্বশেষটি ছিল ‘আম্ফান’।

এরপর সাগরে যে ঝড় তৈরি হবে, সেটি নতুন তালিকা থেকে ঠিক করা হবে।কখন, কোথায়, কোন ঝড় হয় তা নিয়ে বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য ঘূ’র্ণিঝড়ের

নামকরণ করা হয়। ১৯৪৫ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রী’ষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে ঝড়ের নামকরণ শুরু হয়।আবহাওয়া স্টেশনগুলো থেকে সং’গৃহীত ঝড়ের তথ্য সবাইকে জানানো,

সমুদ্র উপকূলে সবাইকে স’তর্ক করা,বিভিন্ন সংকেত এবং জলযানগুলোর জন্য ঝড়ের খবর খুব সহজভাবে আদান-প্রদান করার জন্যই মূ’লত ঝড়ের নামকরণ করা হয়ে থাকে। নামকরণ করে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার অধীনে বিভিন্ন আঞ্চলিক কমিটি।বিশ্ব আ’বহাওয়া সংস্থা

(World Meteorological Organization) এই আঞ্চলিক কমিটি তৈরি করে সমুদ্রের ও’পর ভিত্তি করে। যেমন, উত্তর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সব ঝড়ের নামকরণ করবে WMO-এর ৮টি সদস্য রাষ্ট্র : বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভারত,

পাকিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড এবং ওমান। এদের একত্রে ‘স্কেপে’ বলা হয়।বেশির ভাগ ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয় নারীদেরকে ঘিরে। যেমন- নার্গিস, বিজলী, রেশমী, ক্যাটরিনা। কিন্তু প্রথম যে ঘূ’র্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়েছিল, সেটা ছিল প্রায় ৩০০ বছর আগে শ্রীলংকার

মহাপরাক্রমশালী রাজা মহাসেনের নামে। কারণ, অবস্থান এবং ঋতুবৈচিত্র্য ও বৈ’শিষ্ট্যের কারণে যেসব এলাকায় মাঝে মধ্যেই ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়ে থাকে তার মধ্যে শ্রীলংকা অন্যতম।এরপরে ঝড়ের নাম হিসেবে নারীদের নামকে প্রাধান্য দেওয়া হলেও প’রবর্তীতে আবারও পুরুষের নাম সংযোজিত হতে থাকে।

অবশ্য বর্তমানে বস্তু বা অন্য বি’ষয়ের নাম অবস্থাভেদে টেনে আনা হয়েছে।যেমন- সিডর, মেঘ, বায়ু, সাগর ইত্যাদি। আর যেহেতু ঘূর্ণিঝড়ে ধ্বং’স ও মৃ’ত্যুর হাতছানি থাকে তাই একবার একটি নামে নামকরণ করা হলে, দ্বিতীয়বার তা

আর ব্যবহার করা হয় না।প্রথম আ’ঘাত হা’না মহাসেনের পরবর্তী ঘূ’র্ণিঝড়গুলোর জন্য নির্বাচিত নামগুলো ছিল— ফাইলিন, হেলেন, লহর, মাদী, নানাউক, হুদহুদ, নিলুফার, প্রিয়া, কোমেন, চপলা, মেঘ, ভালি, কায়নতদ, নাদা, ভরদাহ, সামা, মোরা,

অক্ষি, সাগর, বাজু, দায়ে, লুবান, তিতলি, দাস, ফেথাই, ফণী, বায়ু, হিকা, কায়ের, মহা, বুলবুল, সোবা ও আম্ফান।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Theme Customized BY IT Rony