1. ashrafali.sohankg@gmail.com : aasohan :
  2. alireza.kg2014@gmail.com : Ali Reza Sumon : Ali Reza Sumon
  3. hrbiplob2021@gmail.com : News Editor : News Editor
শনিবার, ১২ জুন ২০২১, ১২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:-
জাতীয় স্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’ ব্যবহারের নির্দেশঃ হাইকোর্ট বাংলাদেশের সাফল্যের ‘উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত’ ওয়ালটন: জার্মান রাষ্ট্রদূত কিশোরগঞ্জে মুরগী সোহেলকে আটক করেছে র‍্যাব কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে ৭ ব্যবসায়ীকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত প্রথম আলো’র জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে হেনস্থা ও আটকের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে মানববন্ধন শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস পালন শ্রমজীবী মানুষের পাশে কিশোরগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড কিশোরগঞ্জে নকল সোনার বার নিয়ে দুই প্রতারক গ্রেফতার ৩৬০ জন আউলিয়াগণের পবিত্র নাম মোবারক ২৫ এপ্রিল থেকে খুলছে দোকানপাট ও শপিংমল কিশোরগঞ্জে দরিদ্র পথচারীদের মাঝে উড়ান ফাউন্ডেশন এর ইফতার বিতরণ

রমজান মাসে স্বা’মী-স্ত্রী’র স’হবা’সের বিধান জেনে নিন

রিপোর্টার:
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৩ মে, ২০২০
  • ২১ সংবাদটি দেখা হয়েছে

আল-বাকারাঃ ১৮৭] এই আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে রোজার দিনে স’হবাস হালাল করা হয়নি।কোনো স্বা’মী যদি জোর করে স্ত্রী’র সাথে যৌ’নসম্পর্ক করেন সেক্ষেত্রে স্বামীর রোজা ভেঙ্গে গেলেও স্ত্রী’র রোজা ভাঙবে না এর কারণ আমরা আগে উল্লেখ করেছি। আল্লাহর রাসূল (সা.) ইবন ‘আব্বাস বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেছেনঃ “নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ আমার উম্মতের ওপর থেকে ত্রুটিবিচ্যুতি ভুলে যাওয়া ও জোর করিয়ে করানো কাজকে মার্জনা করেছেন”।

রমজান মাসে স্ত্রী সহ’বাস নিয়ে ইসলামী বিধান। রোজায় যে জিনিসগুলো থেকে বিরত থাকতে হয় তার মধ্যে একটি হচ্ছে যৌ’ন সম্পর্ক বা স’হবাস। কেউ যদি এই কাজটি রোজার দিন করে বসে তবে রোজা ভেঙ্গে যাবে। এর প্রমাণ হচ্ছে সূরা বাকারাতে আল্লাহ্‌র বক্তব্যঃ “রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রী’দের সাথে সহ’বাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে”।

[প্রসঙ্গত আজকাল যেহেতু খবর পাওয়া যাচ্ছে না’রীরা জোর করে পুরু’ষদের বিয়ে করছেন, ভবিষ্যতে পুরুষদের জন্য অনুরূ ফিকহি আলোচনা করতে হতে পারে।]যৌ’ন সম্পর্ক বলতে শরিআর ভাষায় বোঝানো হচ্ছে পুরু’ষাঙ্গের (pe’nis) সাথে স্ত্রী-অ’ঙ্গের (vag’ina) মিলন।এক্ষেত্রে বী’র্যপাত শর্ত নয়। অর্থাৎ এই দুই অঙ্গ সংস্পর্শে আসলেই রোজা ভেঙ্গে যাবে, বী’র্যপাতের ঘটনা না ঘটলেও। শায়খ সালেহ ইবন আল-‘উসায়মীন এই মতটিই ব্যক্ত করেছেন।

তবে এর ফলে যদি বী’র্যপাত ঘটে সেক্ষেত্রে রোজা ভেঙ্গে যাবে। তাই রোজার সময় এগুলো পরিহার করাই উত্তম। চুম্ব’ন যদি কা’মনাবশত না হয় সেক্ষেত্রে ক্ষতি নেই। যৌ’ন মিলনের দ্বারা কেউ রোজা ভাঙলে সেই রোজা পরবর্তীতে কাযা করতে হবে এবং “ভা’রী কাফ্ফারা” দিতে হবে। সেই প্রসঙ্গ পরে আসছে। শারী’রিক স্পর্শ বা চু’ম্বন স্বা’মী-স্ত্রী’র মাঝে কামনাবসত শারী’রিক স্পর্শ যেমন fond’ling বা fore’play অথবা স্রে’ফ চু’মুর কারণে রোজা ভাঙবে না।

স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বী’র্যপাত ঘটানো যদি কেউ স্ব’তঃপ্রণোদিত হয়ে নিজের বী’র্য’পাত (eja’cula’tion) ঘটান সেক্ষেত্রে তার রোজা ভেঙ্গে যাবে। যেমন নিজে হ’স্তমৈথু’নের (ma’sturba’tion) মাধ্যমে অথবা স্ত্রী কর্তৃক হ’স্তমৈ’থুনের মাধ্যমে যদি বী’র্যপা’ত ঘটে তাহলে রোজা ভাঙবে। কোনো ব্যক্তি যদি যৌ’নউ’ত্তেজক কোনো কিছু দেখে, শোনে বা পড়ে –

এক্ষেত্রে বী’র্যপাত ঘটলে তার রোজা ভাঙবে। এক্ষেত্রে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে করা কোনো কাজের ফলে বী’র্যপা’ত ঘটলে রোজা ভাঙবে। এভাবে রোজা ভেঙ্গে গেলে কাযা করাই যথেষ্ট, যৌ’নমিল’নের ক্ষেত্রে যে ভারী কাফ্‌ফারা দিতে হয় সেটি দিতে হবে না।স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ঘটানো বী’র্যপা’তের ফলে যে রোজা ভাঙবে তার প্রমাণ হচ্ছে হাদীস কুদসীতে আল্লাহ

বলছেনঃ “সে (বান্দা) আমার জন্যই খাদ্য, পানীয় ও কা’মনা-বাসনা পরিত্যাগ করে”। [বুখারী] যুক্তিসংগত কারণেই যে ব্যক্তি নিজে উদ্যোগ নিয়ে বী’র্যপাত ঘটায় সে কামনা-বাসনা বা “শাহওয়াহ” পরিত্যাগ করল না। তবে বী’র্য’পাত যদি স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে না হয় সেক্ষেত্রে রোজা ভাঙবে না।যেমন স্বপ্নদোষের (wet dr’eam) ফলে রোজা ভাঙবে না। কোনো ব্যক্তির চিন্তায় যদি আচমকা কোনো যৌ’ন ভাবনা এসে উদয় হয় বা কোনো যৌ’ন উ’ত্তেজক চিন্তা চলে আসে যা সে স্বতঃপ্র’ণোদিত ভাবে মাথায় আনেনি এবং এর ফলে যদি বী’র্যপাত ঘটে সেক্ষেত্রে রোজা ভাঙবে না।

মা’যী নিঃসরণের ফলে রোজা’ ভাঙে না (যদি না সেটা যৌ’নমিল’নের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, যেক্ষেত্রে পুরু’ষাঙ্গে’র সাথে যো’নির মিল’নই যথেষ্ট রোজা ভাঙার জন্য)।শুধু মাযী নিঃসরণের ফলে যেহেতু রোজা ভাঙে না, কাযারও প্রশ্ন আসছে না। মাযী ও মানীর মাঝে পৃথকীকরণ বী’র্যপাত প্রসঙ্গে আমাদের দুটি তর’লকে আলাদা করতে হবে।এদের একটি হচ্ছে মা’যী (المذي)। মাযী হচ্ছে যেটিকে ইংরেজিতে বলা হয় p’re-sem’inal flu’id। এটি একটি স্বচ্ছ পিচ্ছিল পদার্থ যা চূড়ান্ত বীর্য’পাতের আগে নিঃসরি’ত হয় ফোঁটায় ফোঁটায়।

মানী বের হয়ে আসে চূড়ান্ত বী’র্যপাতের সময় দফায় দফায়।এটির সাদা থিক’থিকে একটি পদার্থ। মা’নী বের হলেই কেবল রোজা ভাঙবে উপরেল্লিখিত কারণগুলোতে। এ ব্যাপারে কোনো ইখতিলাফ নেই। -মাওলানা মিরাজ রহমান যদিও ইমাম মালেকের একটি বর্ণনা অনুযায়ী তিনি মাযী নিঃসরণকে রোজা ভাঙার কারণ হিসেবে দেখেছেন, কিন্তু অধিকাংশ ‘উলামা একে রোজা ভাঙার কারণ হিসেবে দেখেন না। মানী হচ্ছে যাকে ইংরেজিতে বলা হয় se’men বা বাংলায় বী’র্য।

Facebook Comments Box

খবরটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর

All rights reserved © 2021 Newsmonitor24.com
Site design by Le Joe